সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

ভ্যাকসিনের অভাবে ঠাকুরগাঁওয়ে সাপের কামড়ে মরছে মানুষ

ঠাকুরগাঁওয়ের হাসপাতালগুলোতে অ্যান্টিভেনম ভ্যাকসিন না থাকায় চিকিৎসার অভাবেই মারা যাচ্ছেন সাপে কামড়ানো রোগীরা। ভ্যাকসিন না থাকায় চলতি জুলাই মাসেই এ জেলায় বিষধর সাপের কামড়ে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। দ্রুততম সময়ে ভ্যাকসিন সরবরাহ করা না গেলে এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ঠাকুরগাঁওয়ের হাসপাতালগুলোতে অ্যান্টিভেনম ভ্যাকসিন না থাকায় চিকিৎসার অভাবেই মারা যাচ্ছেন সাপে কামড়ানো রোগীরা। ভ্যাকসিন না থাকায় চলতি জুলাই মাসেই এ জেলায় বিষধর সাপের কামড়ে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। দ্রুততম সময়ে ভ্যাকসিন সরবরাহ করা না গেলে এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এর আগে মে মাসে ঠাকুরগাঁও সদর হাসপাতালে অ্যান্টিভেনম ভ্যাকসিন না থাকায় চিকিৎসার অভাবে মারা যান প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক প্রধান শিক্ষক। এই ঘটনা সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ হলে দ্রুততম সময়ে ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা করে সদর হাসপাতাল। তবে সেই ঘটনার পরও ভ্যাকসিন সরবরাহ করতে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলো।

জানা গেছে, রোববার (৯ জুলাই) একইদিনে হরিপুর উপজেলার গেদুড়া ইউনিয়নের রাজা দিঘী গ্রামের মৃত খেলদার চন্দ্রের স্ত্রী প্রমিলা রাণী (৪৭) ও রাণীশংকৈল উপজেলার ধর্মগড় ইউনিয়নের ধুমপুকুর গ্রামের চাপোয়া রাম (৪০) সাপের কামড়ে প্রাণ হারান। এর আগে ২ জুলাই বালিয়ডাঙ্গী হরিনমারি এলাকার করিমুল চৌধুরীর ছেলে মিরাজ (৩২) সাপের কামড়ে মারা যান।

তাদের পরিবার ও স্থানীয়দের অভিযোগ, সীমান্তবর্তী এ দুই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভ্যাকসিন না থাকার কারণে তাদের মৃত্যু হয়েছে।

এই ঘটনায় হরিপুর গেদুড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তরিকুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, উপজেলায় সাপে কামড়ানো রোগীদের জন্য ভ্যাকসিন না থাকায় তারা ওঝার কাছে যাচ্ছেন। ফলে আধুনিক চিকিৎসা সুবিধা পাচ্ছেন না এ সকল এলাকার বাসিন্দারা। চিকিৎসার অভাবেই মারা যাচ্ছে মানুষ।

বালিয়ডাঙ্গী উপজেলার সাংবাদিক আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, প্রায় ৮ মাস থেকে এই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কোনো অ্যান্টিভেনম নেই। অথচ কৃষিপ্রধান এই এলাকায় শস্যক্ষেতে অনেকেই সাপের কামড়ের শিকার হচ্ছেন, বর্ষাকালে এই পরিমাণ বেড়ে যায়। তবুও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে ভ্যাকসিন সরবরাহে অনিহার কারণ ঠিক বোধগম্য হচ্ছে না। সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করছে চিকিৎসা ব্যবস্থার পেছনে, কিন্তু কাজে আসছে না সাধারণ মানুষের।

এই বিষয়ে রাণীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্মকর্তা ডা. আইনাল হক জাগো নিউজকে জানান, আগে আমাদের এখানে অ্যান্টিভেনমের সরবরাহ ছিল। মাঝখানে কিছু সমস্যার কারণে আর সরবরাহ পাইনি। দ্রুতই ভ্যাকসিন আনা হবে।

ভ্যাকসিন সংকটের কথা স্বীকার করে জেলা সিভিল সার্জন ডা. নুর নেওয়াজ আহমেদ বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ের হাসপাতালে সাপের বিষের ভ্যাকসিন না থাকার বিষয়টা আমি অবগত আছি। আমি একাধিকবার ঠাকুরগাঁও সদর হাসপাতালসহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিচালকদের তাগাদা দিয়েছি। তারা যদি না কেনে তাহলে এর দায়ভার তাদের।

তিনি বলেন, দেশের দক্ষিণাঞ্চলে সংকট বেশি থাকায় সরকার সেদিকে সব ভ্যাকসিন সরবরাহ করছে। তবে নিজ উদ্যোগে ঠাকুরগাঁওয়ের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলো কেন ভ্যাকসিন কিনছে না তা আমার বোধগম্য নয়। কারণ সরকার তাদের টাকা দিয়েছে এবং প্রয়োজনীয় কাজে সেটা ব্যবহারের ক্ষমতাও দিয়েছে।

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

শব্দদূষণ ভারতের শহরে স্বাস্থ্যঝুঁকি, কিন্তু মাপাই কঠিন

মুম্বাইয়ে বাইরের শব্দের মাত্রা গড়ে ৬৫ থেকে ৮৫ ডেসিবেল, যেখানে সড়কের শব্দে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা ৫৪ ডেসিবেল। গবেষকেরা বলছেন, তথ্যের ঘাটতি ও ব্যয়বহুল শব্দ-মডেলের কারণে ভারতে এর স্বাস্থ্যপ্রভাব নিয়ে গবেষণা কঠিন।

Mongabay India১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

ব্যাংকক বাঁচাতে প্রতিবছর ডুবছে থাইল্যান্ডের গ্রাম

২০১১ সালের বন্যার পর থাইল্যান্ডে তৈরি বাঁধ ও জলকপাট ব্যাংকক ও শিল্পাঞ্চল থেকে পানি সরিয়ে দেয়, কিন্তু আয়ুথায়ার নদীতীরের গ্রামগুলো এখন মাসের পর মাস মাথার ওপর পানিতে ডুবে থাকে; ঘর উঁচু করতে সঞ্চয় খরচ করছেন বাসিন্দারা।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সুস্থ যমজের ছোঁয়ায় কয়েক সপ্তাহে প্রাণ ফিরে পেল বিবর্ণ প্রবাল

স্ট্যানফোর্ডের বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, একই কলোনির সুস্থ প্রবালের গায়ে বিবর্ণ প্রবালের টুকরা লাগিয়ে রাখলে দুটি জুড়ে যায় এবং বিবর্ণ প্রবাল আবার শৈবাল ফিরে পায়; পাঁচটি টুকরার সবকটি সাত সপ্তাহে সেরে উঠেছে।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)