সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৪%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

পরিযায়ী পাখির কলকাকলিতে মুখর ইবি

শীত আসলেই দেশে পরিযায়ী পাখির আগমন ঘটে। পাখির কলকাকলিতে মুখর হয়ে ওঠে দেশের বিভিন্ন ক্যাম্পাস। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) ক্যাম্পাসেও এর ব্যতিক্রম ঘটে না।

শীত আসলেই দেশে পরিযায়ী পাখির আগমন ঘটে। পাখির কলকাকলিতে মুখর হয়ে ওঠে দেশের বিভিন্ন ক্যাম্পাস। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) ক্যাম্পাসেও এর ব্যতিক্রম ঘটে না।

প্রতি বছরের ন্যায় এবারও শীতের শুরুতেই ইবির লেকে আসতে শুরু করেছে পরিযায়ী পাখি। হাজার হাজার মাইল পাড়ি দিয়ে আসা নানা প্রজাতির এসব পাখি আশ্রয় নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের লেক এলাকায়। করোনা মহামারির কারণে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকায় এবং মানুষের বিচরণ কম থাকায় বিগত বছরগুলোর তুলনায় অনেক বেশি পাখি এসেছিল গত বছর। এ বছরও অনেক বেশি পরিযায়ী পাখির দেখা মিলছে ক্যাম্পাসে।

সাধারণত প্রতিবছর সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে হিমালয়ের উত্তরে প্রচন্ড শীত নামতে শুরু করে। শীত সহ্য করতে না পেরে এসব পাখি চলে আসে বিভিন্ন নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে। দেশের যে কয়টি জায়গায় পরিযায়ী পাখির দেখা মেলে তার মধ্যে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের লেক অন্যতম।

ক্যাম্পাসের লেক এলাকা ঘুরে দেখা যায়, পরিযায়ী পাখিরা জলকেলিতে মেতে উঠছে। কিছু পাখি পালকের ভেতর মুখ গুঁজে রোদ পোহাচ্ছে। কিছু আবার হঠাৎ করেই ডানা মেলছে আকাশে। এক ঝাঁক উড়ে যাচ্ছে, তো আরেক ঝাঁক এসে বসছে। পাখিদের কলকাকলি, ঝাঁকে ঝাঁকে বিচরণ আর খুনসুটিতে মুখর হয়ে উঠছে পুরো ক্যাম্পাস।

গত কয়েক বছর ধরেই ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের লেক এলাকায় আসছে পরিযায়ী পাখি। এদের বেশির ভাগই হাঁস জাতীয়। ক্যাম্পাসের লেকে আসা ছোট সরালি, ল্যাঞ্জা হাঁস, খুঁনতে হাঁস, বালি হাঁস, মানিকজোঁড় যে কারো হৃদয় জুড়াবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা পরিযায়ী পাখিদের দেখে উচ্ছ্বসিত হন। ক্যাম্পাসের বাইরে থেকেও অনেকে আসেন পরিযায়ী পাখি দেখতে। সকালবেলা শীতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে অনেকে হাঁটতে বের হন ক্যাম্পাসে। এসময় পাখিদের কলকাকলি আর জলকেলি মুগ্ধ করে তাদের। আর শীতের সোনামাখা রোদ যখন পাখিদের বাহারি রঙের ডানায় ভর করে, তখন সৌন্দর্য্য বেড়ে যায় বহুগুণ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী ফাতিমাতুজ জোহরা ইরানী বলেন, ক্যাম্পাসে হাটতে বের হয়ে পাখিদের কিচিরমিচির শব্দ শুনলেই মন ভালো হয়ে যায়। বাহারি রঙের এসব পাখিরা দেখতে সত্যিই মনোমুগ্ধকর।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান ও ভূগোলবিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক বিপুল রায় বলেন, পরিযায়ী পাখিরা আমাদের পরিবেশের জন্য সম্পদ। পরিবেশের বৈচিত্র্যতা ও বাস্তুসংস্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এসব পাখি। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে উপযুক্ত পরিবেশ পাওয়ায় এদের সংখ্যা প্রতিবছর বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া বলেন, পরিযায়ী পাখিরা আমাদের প্রকৃতির জন্য আশীর্বাদ। এসব পাখি পরিবেশের শোভাবর্ধন করে। ইবি ক্যাম্পাসে আগত পাখিদের রক্ষণাবেক্ষণের জন্য কঠোর নির্দেশনা দিয়েছি।

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

শব্দদূষণ ভারতের শহরে স্বাস্থ্যঝুঁকি, কিন্তু মাপাই কঠিন

মুম্বাইয়ে বাইরের শব্দের মাত্রা গড়ে ৬৫ থেকে ৮৫ ডেসিবেল, যেখানে সড়কের শব্দে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা ৫৪ ডেসিবেল। গবেষকেরা বলছেন, তথ্যের ঘাটতি ও ব্যয়বহুল শব্দ-মডেলের কারণে ভারতে এর স্বাস্থ্যপ্রভাব নিয়ে গবেষণা কঠিন।

Mongabay India১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

ব্যাংকক বাঁচাতে প্রতিবছর ডুবছে থাইল্যান্ডের গ্রাম

২০১১ সালের বন্যার পর থাইল্যান্ডে তৈরি বাঁধ ও জলকপাট ব্যাংকক ও শিল্পাঞ্চল থেকে পানি সরিয়ে দেয়, কিন্তু আয়ুথায়ার নদীতীরের গ্রামগুলো এখন মাসের পর মাস মাথার ওপর পানিতে ডুবে থাকে; ঘর উঁচু করতে সঞ্চয় খরচ করছেন বাসিন্দারা।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সুস্থ যমজের ছোঁয়ায় কয়েক সপ্তাহে প্রাণ ফিরে পেল বিবর্ণ প্রবাল

স্ট্যানফোর্ডের বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, একই কলোনির সুস্থ প্রবালের গায়ে বিবর্ণ প্রবালের টুকরা লাগিয়ে রাখলে দুটি জুড়ে যায় এবং বিবর্ণ প্রবাল আবার শৈবাল ফিরে পায়; পাঁচটি টুকরার সবকটি সাত সপ্তাহে সেরে উঠেছে।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)