সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা৩২°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৪৭%বাতাস ৬ কিমি/ঘ

৩ ধরনের রোগ থেকে ড্রাগন ফল রক্ষার উপায়

ড্রাগন ফল মূলত আমেরিকার প্রসিদ্ধ একটি ফল। যা বর্তমানে আমাদের দেশেও ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ২০০৭ সালে থাইল্যান্ড, ফ্লোরিডা ও ভিয়েতনাম থেকে এ ফলের বিভিন্ন জাত আনা হয়। ড্রাগন ফলের গাছ এক ধরনের ক্যাকটাস জাতীয় গাছ। এ গাছের কোনো পাতা নেই। ড্রাগন ফলের গাছ সাধারণত ১.৫ থেকে ২.৫ মিট

ড্রাগন ফল মূলত আমেরিকার প্রসিদ্ধ একটি ফল। যা বর্তমানে আমাদের দেশেও ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ২০০৭ সালে থাইল্যান্ড, ফ্লোরিডা ও ভিয়েতনাম থেকে এ ফলের বিভিন্ন জাত আনা হয়। ড্রাগন ফলের গাছ এক ধরনের ক্যাকটাস জাতীয় গাছ। এ গাছের কোনো পাতা নেই। ড্রাগন ফলের গাছ সাধারণত ১.৫ থেকে ২.৫ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে।

ড্রাগন ফল সাধারণত তিন প্রজাতির হয়ে থাকে। যথা- লাল ড্রাগন ফল বা পিটাইয়া, কোস্টারিকা ড্রাগন ফল, হলুদ রঙের ড্রাগন ফল। বাংলাদেশে উদ্ভাবিত জাতগুলো হলো- বারি ড্রাগন ফল-১, বাউ ড্রাগন ফল-১ (সাদা), বাউ ড্রাগন ফল-২ (লাল), বাউ ড্রাগন ফল-৩। বিদেশি ড্রাগন ফলটি বেশ সুস্বাদু ও পুষ্টিগুণ সম্পন্ন।

এরই মধ্যে ফলটি বাংলাদেশের ভোক্তা পর্যায় বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় কৃষকেরা বাণিজ্যিকভাবে সফল চাষাবাদ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন। এবার আসুন, আমরা ফলটির কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত রোগ এবং তার প্রতিকার সম্পর্কে জেনে নিই।

জৈব ব্যবস্থাপনা• রোগমুক্ত চারা এবং জাত ব্যবহার করা।• আক্রান্ত অংশ বা ফল তুলে পুড়ে বা পুতে ফেলা।• পরিমিত সেচ প্রয়োগ করা।• রোগ দেখা দিলে পানি সেচ বন্ধ করতে হবে।• প্রত্যায়িত অথবা রোগমুক্ত এলাকা থেকে সুস্থ ও রোগমুক্ত বীজ সংগ্রহ করা।• যে জমি সব সময় ভেজা বা স্যাঁতস্যাঁতে থাকে সে জমিতে কখনোই চাষ না করা।• জমিতে হলুদ আঠালো ফাঁদ ঝুলিয়ে রাখা।• ফসলে পর্যাপ্ত আলো থাকা এবং আগাছামুক্ত চাষাবাদ।

মেনকোজেব গ্রুপের জেনেজেব (জেনেটিকা) বা কার্বেন্ডাজিম গ্রুপের এগরবন (জেনেটিকা) ছত্রাকনাশক প্রতিটি আলাদা ভাবে ০.২% হারে মিশিয়ে ১২-১৫ দিন পর পর স্প্রে করতে হবে। ওষুধ প্রয়োগের পাঁচদিন পর্যন্ত ফসল তোলা যাবে না। প্রয়োজনে উপজেলা কৃষি অফিসে কৃষিবিদদের পরামর্শ অনুযায়ী কীটনাশক প্রয়োগ করতে হবে।

আরও পড়ুন

জৈব ব্যবস্থাপনা• অতি তাপ শুষ্ক পরিহার করা।• তাপমাত্রার ওঠা-নামা পরিহার করা।• জমিতে হলুদ আঠালো ফাঁদ ঝুলিয়ে রাখা।• পরিমিত সেচ প্রয়োগ করা। • পরিমিত সার প্রয়োগ করা।• ফসলে পর্যাপ্ত আলো থাকা এবং আগাছামুক্ত চাষাবাদ।• রোগমুক্ত চারা ব্যবহার করা।• আক্রান্ত অংশ তুলে পুড়ে বা পুতে ফেলা।

এজোক্সিস্ট্রবিন+সিপ্রোকোনাজল গ্রুপের মনা (জেনেটিকা) ছত্রাকনাশক প্রতিটি আলাদা ভাবে ০.২% হারে মিশিয়ে ১২-১৫ দিন পর পর স্প্রে করতে হবে। ওষুধ প্রয়োগের পাঁচদিন পর্যন্ত ফসল তোলা যাবে না। প্রয়োজনে উপজেলা কৃষি অফিসে কৃষিবিদদের পরামর্শ অনুযায়ী কীটনাশক প্রয়োগ করতে হবে।

জৈব ব্যবস্থাপনা• রোগমুক্ত চারা ব্যবহার করা।• আক্রান্ত অংশ তুলে পুড়ে বা পুতে ফেলা।• পরিমিত সেচ প্রয়োগ করা।• রোগ দেখা দিলে পানি সেচ বন্ধ করতে হবে।• প্রত্যায়িত অথবা রোগমুক্ত এলাকা থেকে সুস্থ ও রোগমুক্ত বীজ সংগ্রহ করা।• বপনের পর যত শীঘ্র সম্ভব গাছের গোড়ায় মাটি তুলে দেওয়া।• এ রোগ দেখামাত্র আক্রান্ত জমিতে সেচ প্রদান, নিড়ানি দেওয়া, মালচিং ইত্যাদি বন্ধ করা।• যে জমি সব সময় ভেজা বা স্যাঁতস্যাঁতে থাকে, সে জমিতে কখনোই চাষ না করা।• জমিতে হলুদ আঠালো ফাঁদ ঝুলিয়ে রাখা।

এজোক্সিস্ট্রবিন+সিপ্রোকোনাজল গ্রুপের মনা (জেনেটিকা) ছত্রাকনাশক প্রতিটি আলাদা ভাবে ০.২% হারে মিশিয়ে ১২-১৫ দিন পর পর স্প্রে করতে হবে। ওষুধ প্রয়োগের পাঁচদিন পর্যন্ত ফসল তোলা যাবে না। প্রয়োজনে উপজেলা কৃষি অফিসে কৃষিবিদদের পরামর্শ অনুযায়ী কীটনাশক প্রয়োগ করতে হবে।

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

নীলফামারীতে মাচায় অসময়ের রঙিন তরমুজ, তিন বিঘায় ছয় হাজার চারা

নীলফামারী সদরের কৃষক ওমর আলী অনলাইনে দেখে তিন বিঘায় বাঁশের মাচায় কিং সুগার ও সূর্য ডিম জাতের ছয় হাজার তরমুজের চারা লাগিয়েছেন; খরচ প্রায় তিন লাখ, বিক্রির আশা নয় লাখ টাকা।

দিনাজপুর টিভি১৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

রাঙ্গামাটির পাহাড়ি মাল্টা কেজি ৮০ টাকা, সম্ভাব্য বাজারমূল্য ১২ কোটি

রাঙ্গামাটিতে প্রায় ৩৫০ হেক্টরে মাল্টার আবাদ, চলতি মৌসুমে সম্ভাব্য উৎপাদন ২ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন; স্থানীয় বাজারে দেশি মাল্টা মিলছে কেজি ৭০ থেকে ৮০ টাকায়।

জাগো নিউজ ২৪১৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

মাগুরায় ২৪০ গাছে কেনু কমলা, প্রথম বছরেই থোকায় থোকায় ফল

মাগুরা সদরের নার্সারি মালিক হারুনুর রশিদ কলমের চারায় ২৪০টি পাকিস্তানি কেনু জাতের কমলাগাছের বাগান করেছেন; এ বছর প্রথমবার বেশির ভাগ গাছে ফল এসেছে।

কৃষি সময়১৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)