সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

গ্রামে ফিরে সাপ পালন, বছরে আয় প্রায় ২ কোটি টাকা

নিজ গ্রামে ফিরে ৬০ হাজারের বেশি বিষধর সাপ পালন করে বছরে ১০ লাখ ইউয়ানের বেশি আয় করছেন এক চীনা তরুণী, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ কোটি ৭৯ লাখ ৮ হাজার ৩৬০ টাকা। তার এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ ঘিরে অনলাইনে ব্যাপক চমক তৈরি হয়েছে।

নিজ গ্রামে ফিরে ৬০ হাজারের বেশি বিষধর সাপ পালন করে বছরে ১০ লাখ ইউয়ানের বেশি আয় করছেন এক চীনা তরুণী, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ কোটি ৭৯ লাখ ৮ হাজার ৩৬০ টাকা। তার এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ ঘিরে অনলাইনে ব্যাপক চমক তৈরি হয়েছে।

'ছিন' পদবিধারী ওই তরুণীর জন্ম ১৯৯৫ সালে। তিনি দক্ষিণ চীনের গুয়াংসি প্রদেশের গুইলিন এলাকার বাসিন্দা। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক শেষ করার দুই বছর পর তিনি নিজ গ্রামে ফিরে যান ও বাবাকে সাপ পালনে সহায়তা করতে শুরু করেন।

বর্তমানে তিনি ৬০ হাজারেরও বেশি সরীসৃপের দেখভাল করছেন। এর মধ্যে রয়েছে ৫০ হাজারের বেশি 'ফাইভ-স্টেপ' সাপ, যা অত্যন্ত বিষধর পিট ভাইপার প্রজাতির ও প্রায় ১০ হাজার কোবরা।

ছিন জানান, শুরুতে তার বাবা এই পেশায় আসার বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন, কারণ এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বলে তিনি মনে করতেন। তবে খামারটি বড় হয়ে যাওয়ায় একা সামলানো কঠিন হয়ে পড়লে তিনি শেষ পর্যন্ত মেয়েকে সহায়তার জন্য যুক্ত করেন।

ছিন বলেন, ফাইভ-স্টেপ সাপগুলোকে জোর করে প্রস্তুত খাবার খাওয়াতে হয় ও তাদের সঙ্গে কাছাকাছি থাকা এখনো অনেক ঝুঁকিপূর্ণ। তবে আমি আসলে এই সাপগুলোকে খুব একটা ভয় পাই না। আমার জন্মের আগ থেকেই আমার বাবা এগুলো পালন করছেন।

হাইবাও নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, শুকনো সাপ, সাপের পিত্তথলি ও সাপের তেল ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়। এছাড়া সাপের বিষ চিকিৎসা গবেষণায় ব্যবহৃত হয়।

বর্তমানে প্রতিটি ফাইভ-স্টেপ সাপ থেকে মাসে দুবার বিষ সংগ্রহ করা সম্ভব। এই বিষের দাম গুণগত মান অনুযায়ী প্রতি গ্রাম ৪০ থেকে ২০০ ইউয়ান (প্রায় ৬ থেকে ৩০ মার্কিন ডলার)। অন্যদিকে, সাপের মাংস প্রতি পিস ২০০ থেকে ৩০০ ইউয়ানে বিক্রি হয়, আর বড় সাপের দাম ১ হাজার ইউয়ান (প্রায় ১৫০ ডলার) ছাড়িয়ে যায়। ১ ডলার = ১২২.৬৬ টাকা (২০ এপ্রিল, ২০২৬ তারিখের হিসাব অনুযায়ী।)

শ্রম ও অন্যান্য খরচ বাদ দিয়ে এই ব্যবসা থেকে বছরে ১০ লাখ ইউয়ানের বেশি আয় করা সম্ভব বলে জানান তিনি।

ছিন 'দ্য গার্ল হু কালেক্টস স্নেক ভেনম' নামে অনলাইনে নিজের অভিজ্ঞতা ও সাপ পালনের ব্যবহারিক জ্ঞান শেয়ার করেন। তার অনুসারীর সংখ্যা ২২ হাজারের বেশি।

তার বিভিন্ন ভিডিওতে তিনি প্রায়ই একটি প্রশ্নের উত্তর দেন- যারা সাপ পালন করেন তারা কি কামড় খাওয়ার ভয় পান না? তিনি সাপের কামড়ের যন্ত্রণা সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা দেন।

ছিন বলেন, যদি কেউ বলে যে তারা সাপের কামড়কে ভয় পান না, তাহলে এর একটাই কারণ- তারা কখনো কামড় খাননি। বিশেষ করে ফাইভ-স্টেপ সাপের কামড়ে প্রধান উপসর্গ হলো তীব্র ব্যথা। একবার এই ব্যথা অনুভব করলে এক বছর, এমনকি সারাজীবনও তা মনে থাকবে।

তিনি আরও বলেন, আপনি ভাবতে পারেন হাতে কামড় খেলে শুধু হাতেই ব্যথা হবে। কিন্তু বাস্তবে আপনার হাত, কাঁধ এমনকি শরীরের অর্ধেক অংশেও ব্যথা ছড়িয়ে যেতে পারে। আমার এক অনুসারী বলেন, ফাইভ-স্টেপ সাপের কামড়ের যন্ত্রণা এতটাই অসহনীয় যে আবার এমন অভিজ্ঞতার চেয়ে তিনি অঙ্গ কেটে ফেলাকে ভালো মনে করবেন। তার এই অভিজ্ঞতা চীনের বহু নেটিজেনকে বিস্মিত করেছে।

একজন মন্তব্য করেন, এই টাকা সবাই আয় করতে পারে না। আমি ভেবেছিলাম এটি নিরীহ সাপ। পরে ভালো করে দেখে বুঝলাম এটি ফাইভ-স্টেপ সাপ। আরেকজন বলেন, সম্মান জানাই। সাপ দেখলেই আমি অস্বস্তি বোধ করি। ছিন সত্যিই সাহসী ও এই আয় তার প্রাপ্য।

সূত্র: সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

শব্দদূষণ ভারতের শহরে স্বাস্থ্যঝুঁকি, কিন্তু মাপাই কঠিন

মুম্বাইয়ে বাইরের শব্দের মাত্রা গড়ে ৬৫ থেকে ৮৫ ডেসিবেল, যেখানে সড়কের শব্দে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা ৫৪ ডেসিবেল। গবেষকেরা বলছেন, তথ্যের ঘাটতি ও ব্যয়বহুল শব্দ-মডেলের কারণে ভারতে এর স্বাস্থ্যপ্রভাব নিয়ে গবেষণা কঠিন।

Mongabay India১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

ব্যাংকক বাঁচাতে প্রতিবছর ডুবছে থাইল্যান্ডের গ্রাম

২০১১ সালের বন্যার পর থাইল্যান্ডে তৈরি বাঁধ ও জলকপাট ব্যাংকক ও শিল্পাঞ্চল থেকে পানি সরিয়ে দেয়, কিন্তু আয়ুথায়ার নদীতীরের গ্রামগুলো এখন মাসের পর মাস মাথার ওপর পানিতে ডুবে থাকে; ঘর উঁচু করতে সঞ্চয় খরচ করছেন বাসিন্দারা।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সুস্থ যমজের ছোঁয়ায় কয়েক সপ্তাহে প্রাণ ফিরে পেল বিবর্ণ প্রবাল

স্ট্যানফোর্ডের বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, একই কলোনির সুস্থ প্রবালের গায়ে বিবর্ণ প্রবালের টুকরা লাগিয়ে রাখলে দুটি জুড়ে যায় এবং বিবর্ণ প্রবাল আবার শৈবাল ফিরে পায়; পাঁচটি টুকরার সবকটি সাত সপ্তাহে সেরে উঠেছে।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)