সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

ইনানী জাতীয় উদ্যানে প্রথমবার মেঘলা চিতা, ক্যামেরায় আরও ২১ প্রজাতির বন্য প্রাণী

১৩ মাসের ক্যামেরা-ট্র্যাপ গবেষণায় তিনটি ক্যামেরায় মেঘলা চিতার পাঁচটি ছবি, সঙ্গে এশিয়ান হাতি, উল্লুক ও মায়া হরিণ; ৭ হাজার ৮৫ হেক্টরের উদ্যানের ৪৪ শতাংশ চিতার বসবাসের উপযোগী, তবে বসতি, রোহিঙ্গা শিবির ও কৃষিজমির অনুপ্রবেশে হুমকিতে আবাস।

পার্বত্য চট্টগ্রামের গহিন বনে কখনো কখনো দেখা মিললেও কক্সবাজারের একটি সংরক্ষিত বনে এই প্রথম গবেষকদের ক্যামেরা-ট্র্যাপে ধরা পড়েছে মেঘলা চিতা (ক্লাউডেড লেপার্ড)। এ মাসের শুরুতে বিজ্ঞান সাময়িকী ‘গ্লোবাল ইকোলজি অ্যান্ড কনজারভেশন’-এ প্রকাশিত গবেষণায় ইনানী জাতীয় উদ্যানে মেঘলা চিতার পাশাপাশি উল্লুক, মুখপোড়া হনুমান, লজ্জাবতী বানর, বনবিড়াল ও চিতা বিড়ালসহ আরও ২১ প্রজাতির বন্য প্রাণীর সন্ধান মিলেছে। আইইউসিএন বাংলাদেশে মেঘলা চিতাকে মহাবিপন্ন হিসেবে লাল তালিকাভুক্ত করেছে; বৈশ্বিকভাবে এটি ঝুঁকিপূর্ণ।

২০২২ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৩ সালের নভেম্বর, ১৩ মাস ধরে গবেষণাটি করেছে বন অধিদপ্তর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগ ও জার্মানির ইউনিভার্সিটি অব গেটিনয়েন। গবেষণায় যুক্ত বন অধিদপ্তরের বাংলাদেশ ওয়াইল্ডলাইফ সেন্টারের পরিচালক বিপুল কৃষ্ণ দাস জানান, ৭ হাজার ৮৫ হেক্টরের উদ্যানে ১৫টি ক্যামেরায় ৩২টি স্থান পর্যবেক্ষণ করা হয়; তিনটি ক্যামেরায় মেঘলা চিতার পাঁচটি ছবি ধরা পড়ে, আর পায়ের ছাপ ও মল থেকে উপস্থিতি নিশ্চিত হয়। জলাশয় ও পানির প্রবাহ আছে এমন জায়গায় বন্য প্রাণী বেশি।

উদ্যানের প্রায় ৩ হাজার হেক্টর, অর্থাৎ প্রায় ৪৪ শতাংশ বনাঞ্চল মেঘলা চিতার বসবাসের উপযোগী বলে গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে; ঘন ঝোপঝাড়সমৃদ্ধ এমন বন পাওয়া গেছে ২ হাজার ৮৮৭ হেক্টর। মাঝারি আকারের এই প্রাণী দিনের বেশির ভাগ সময় গাছে কাটায়, বানর, পাখি ও ছোট স্তন্যপায়ী শিকার করে এবং প্রায় ১৮০ ডিগ্রি ঘোরানো যায় এমন গোড়ালির কারণে মাথা নিচে রেখে খাড়া কাণ্ড বেয়ে নামতে পারে। ২০২৩ সালে রাঙামাটিতে পাচারকারীদের হাত থেকে উদ্ধার হওয়া একটি মেঘলা চিতা এখন ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে আছে।

গবেষণায় নথিভুক্ত অন্য প্রাণীর মধ্যে আছে এশিয়ান হাতি, উল্টোলেজি বানর, শজারু, রেসাস বানর, শিয়াল, গন্ধগোকুল, ছোট ও বড় খাটাশ, বন্য শূকর, কাঁকড়াভুক বেজি, গোরখোদক, ইরাবতী কাঠবিড়ালি, গেছো চুছো, মায়া হরিণ, দাঁতাল ফেরেট ব্যাজার, ছোট রক্তপেকো বাদুড়, বাদামি কাঠবিড়ালি ও লাল উড়ন্ত কাঠবিড়ালি।

গত এক দশকে রোহিঙ্গা বসতি, রেললাইন নির্মাণ ও হাজার হাজার একর বনভূমি জবরদখলে কক্সবাজারের বনের জীববৈচিত্র্য কমছে। গবেষণায় সতর্ক করা হয়েছে, মানুষের বসতি, রোহিঙ্গা শিবিরের সম্প্রসারণ, জ্বালানির জন্য গাছ কাটা এবং কৃষিজমির অবৈধ অনুপ্রবেশে আবাসস্থল মারাত্মক হুমকিতে; মানুষের আনাগোনা বা কৃষিনির্ভর এলাকায় বন্য প্রাণীর সংখ্যা ও বৈচিত্র্য আশঙ্কাজনকভাবে কম।

বন্য প্রাণী গবেষক রেজা খান বলেন, ইনানীর বনে এখন মেঘলা চিতাই শীর্ষ শিকারি; সরকারের উচিত তার বসবাসের এলাকা চিহ্নিত করে বিশেষভাবে সংরক্ষণ করা, কাঠ আহরণ বন্ধ করা এবং বসতি থাকলে সরিয়ে নেওয়া। গবেষকদের সুপারিশ: বনভূমি দখল ও অবৈধ অনুপ্রবেশ বন্ধ, বন্য প্রাণীর সুপেয় পানির একমাত্র উৎস পাহাড়ি ছড়া ও খাল রক্ষা, উদ্যানের চারপাশে বাফার জোন এবং সংরক্ষণে স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করা। এখনই ব্যবস্থা না নিলে এই উপকূলীয় বনের বিরল স্তন্যপায়ী প্রাণী চিরতরে হারিয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা তাঁদের।

সূত্র: প্রথম আলো

প্রথম আলোসূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

শব্দদূষণ ভারতের শহরে স্বাস্থ্যঝুঁকি, কিন্তু মাপাই কঠিন

মুম্বাইয়ে বাইরের শব্দের মাত্রা গড়ে ৬৫ থেকে ৮৫ ডেসিবেল, যেখানে সড়কের শব্দে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা ৫৪ ডেসিবেল। গবেষকেরা বলছেন, তথ্যের ঘাটতি ও ব্যয়বহুল শব্দ-মডেলের কারণে ভারতে এর স্বাস্থ্যপ্রভাব নিয়ে গবেষণা কঠিন।

Mongabay India১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

ব্যাংকক বাঁচাতে প্রতিবছর ডুবছে থাইল্যান্ডের গ্রাম

২০১১ সালের বন্যার পর থাইল্যান্ডে তৈরি বাঁধ ও জলকপাট ব্যাংকক ও শিল্পাঞ্চল থেকে পানি সরিয়ে দেয়, কিন্তু আয়ুথায়ার নদীতীরের গ্রামগুলো এখন মাসের পর মাস মাথার ওপর পানিতে ডুবে থাকে; ঘর উঁচু করতে সঞ্চয় খরচ করছেন বাসিন্দারা।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সুস্থ যমজের ছোঁয়ায় কয়েক সপ্তাহে প্রাণ ফিরে পেল বিবর্ণ প্রবাল

স্ট্যানফোর্ডের বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, একই কলোনির সুস্থ প্রবালের গায়ে বিবর্ণ প্রবালের টুকরা লাগিয়ে রাখলে দুটি জুড়ে যায় এবং বিবর্ণ প্রবাল আবার শৈবাল ফিরে পায়; পাঁচটি টুকরার সবকটি সাত সপ্তাহে সেরে উঠেছে।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)