সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

বাগেরহাট বিল: পাখির নিরাপদ আশ্রয়স্থল এখন মরণফাঁদ

শিকারীরা পাখি ধরার জন্য নাইলন সুতার তৈরি এমন ফাঁদ ব্যবহার করছে যা দূর থেকে দেখলে মনে হয় বিল জুড়ে বিদ্যুতের লাইন দেওয়া হয়েছে

শিকারীরা পাখি ধরার জন্য নাইলন সুতার তৈরি এমন ফাঁদ ব্যবহার করছে যা দূর থেকে দেখলে মনে হয় বিল জুড়ে বিদ্যুতের লাইন দেওয়া হয়েছে

পাখি শিকার একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ তা কম-বেশি সবাই জানে। কিন্তু কিছু অসাধু ব্যবসায়ী মূল্যবান পালক এবং মাংসের জন্য পাখিদের শিকার করা থেকে বিরত থাকছে না।

বাগেরহাট বিলে পাখি শিকারের ঘটনা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। শিকারীরা ডাহুক (হোয়াইট ব্রেস্টেড ওয়াটারহেন), বক (হেরনস), কোরা (ওয়াটারকক), জলপিপি (ব্রোঞ্জ উইংড জাকানা), মাছরাঙা (কিংফিশার)-সহ বিভিন্ন জাতের পাখি শিকারের জন্য নতুন ধরনের সব পদ্ধতি ব্যবহার করছে।

বাগেরহাটের চিতলমারী, ফকিরহাট এবং মোল্লাহাট উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে কোদালিয়া-কালশিরা বিল অবস্থিত।

“জয় খান জলমহল” নামে পরিচিত এই বিলটি বিভিন্ন প্রজাতির পাখির আবাসস্থল। কিন্তু একসময় পাখিদের নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে পরিচিত হলেও বর্তমানে জলাভূমিটি পাখিদের মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।

শিকারীরা পাখি ধরার জন্য নাইলন সুতার তৈরি এমন ফাঁদ ব্যবহার করছে যা দূর থেকে দেখলে মনে হয় বিল জুড়ে বিদ্যুতের লাইন দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে সেগুলো পাখি শিকারের জন্য শিকারীদের পাতা ফাঁদ।

এছাড়া, জলাশয়ে সৌর প্যানেল এবং স্পিকার স্থাপন করা হয়েছে। জলাশয়জুড়ে মোবাইল ডিভাইসের সাহায্যে বিভিন্ন পাখির ডাক বাজানো হয়। শব্দ শুনে পাখির ঝাঁক ফাঁদের দিকে ছুটে আসলেই তারা শিকারীর হাতে ধরা পড়ে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, পাখির আবাসস্থল সুরক্ষিত না হলে পাখির জীবন ও প্রজনন হুমকির মুখে পড়বে। এ ব্যাপারে দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা না নিলে পাখিদের বেঁচে থাকা অসম্ভব। যা এ অঞ্চলের জীববৈচিত্র্যের উপর বিরূপ প্রভাব ফেলবে।

প্রতিবছর উত্তর গোলার্ধের শীত মৌসুমে সাইবেরিয়া এবং হিমালয়সহ প্রতিকূল এবং ঠান্ডা জলবায়ুর বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পরিযায়ী পাখিরা আশ্রয় ও খাদ্যের সন্ধানে বাংলাদেশের বিভিন্ন হাওর, বিল এবং পুকুরে আশ্রয় নেয়।

এই পাখিগুলো আমাদের দেশিয় প্রজাতি না হলেও এরা আমাদের বাস্তুতন্ত্রের অংশ। যা আমাদের বাঁচিয়ে রাখতে সহায়তা করছে। তাই শিকারীদের হাত থেকে পাখিদের সুরক্ষা করার অনুরোধ বিশেষজ্ঞদের।

সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জয় খান জলমহল মোল্লাহাট-চিতলমারী এলাকার ৩৬ একর জুড়ে অবস্থিত। শীতের মৌসুমে প্রায় ২০০ প্রজাতির পাখি এখানে আসে।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক আজিজুর রহমান জানান, পাখি শিকারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে শিগগিরই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে বিল এলাকায় অভিযান চালানো হবে।

ঢাকা ট্রিবিউনসূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

শব্দদূষণ ভারতের শহরে স্বাস্থ্যঝুঁকি, কিন্তু মাপাই কঠিন

মুম্বাইয়ে বাইরের শব্দের মাত্রা গড়ে ৬৫ থেকে ৮৫ ডেসিবেল, যেখানে সড়কের শব্দে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা ৫৪ ডেসিবেল। গবেষকেরা বলছেন, তথ্যের ঘাটতি ও ব্যয়বহুল শব্দ-মডেলের কারণে ভারতে এর স্বাস্থ্যপ্রভাব নিয়ে গবেষণা কঠিন।

Mongabay India১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

ব্যাংকক বাঁচাতে প্রতিবছর ডুবছে থাইল্যান্ডের গ্রাম

২০১১ সালের বন্যার পর থাইল্যান্ডে তৈরি বাঁধ ও জলকপাট ব্যাংকক ও শিল্পাঞ্চল থেকে পানি সরিয়ে দেয়, কিন্তু আয়ুথায়ার নদীতীরের গ্রামগুলো এখন মাসের পর মাস মাথার ওপর পানিতে ডুবে থাকে; ঘর উঁচু করতে সঞ্চয় খরচ করছেন বাসিন্দারা।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সুস্থ যমজের ছোঁয়ায় কয়েক সপ্তাহে প্রাণ ফিরে পেল বিবর্ণ প্রবাল

স্ট্যানফোর্ডের বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, একই কলোনির সুস্থ প্রবালের গায়ে বিবর্ণ প্রবালের টুকরা লাগিয়ে রাখলে দুটি জুড়ে যায় এবং বিবর্ণ প্রবাল আবার শৈবাল ফিরে পায়; পাঁচটি টুকরার সবকটি সাত সপ্তাহে সেরে উঠেছে।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)