সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

আর্জেন্টিনা ফ্যানস ফর নেচারের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ

বিশ্বকাপ ফুটবলকে ঘিরে যখন দেশের নানা প্রান্তে চলছে প্রিয় দলের পতাকা ও উচ্ছ্বাসের প্রতিযোগিতা, তখন সেই আবেগকে পরিবেশ রক্ষার আন্দোলনে রূপ দিয়েছেন একদল তরুণ। তাদের উদ্যোগে মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার সবুজে ঘেরা কৌড়ি গ্রামে রোপণ ও বিতরণ করা হয়েছে ৫০০ দেশীয় ফলদ, বনজ ও ওষুধি গাছের চারা।

বিশ্বকাপ ফুটবলকে ঘিরে যখন দেশের নানা প্রান্তে চলছে প্রিয় দলের পতাকা ও উচ্ছ্বাসের প্রতিযোগিতা, তখন সেই আবেগকে পরিবেশ রক্ষার আন্দোলনে রূপ দিয়েছেন একদল তরুণ। তাদের উদ্যোগে মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার সবুজে ঘেরা কৌড়ি গ্রামে রোপণ ও বিতরণ করা হয়েছে ৫০০ দেশীয় ফলদ, বনজ ও ওষুধি গাছের চারা।

শনিবার (৪ জুলাই) আর্জেন্টিনা ফ্যানস ফর নেচারের উদ্যোগে এবং স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কৌড়ি বহুমুখী উন্নয়ন সংস্থার সহযোগিতায় আয়োজিত এ কর্মসূচিতে গ্রামের বিভিন্ন পরিবারের হাতে চারা তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্মারক বৃক্ষ রোপণ করা হয়।

বিশ্বকাপ উপলক্ষে পরিবেশ সংরক্ষণের বার্তা ছড়িয়ে দিতে গত ৭ জুন দেশব্যাপী ৪ হাজার গাছের চারা রোপণ ও বিতরণের ঘোষণা দেয় 'আর্জেন্টিনা ফ্যানস ফর নেচার'। সে লক্ষ্যে শনিবার কক্সবাজারে পূরণ হয়। কৌড়ি গ্রামের আজকের ৫০০ চারাসহ সংগঠনটির উদ্যোগে এ পর্যন্ত মোট চার হাজার ৭০০ গাছের চারা রোপণ ও বিতরণ করা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন জেলায় এসব গাছের পরিচর্যার দায়িত্বও স্বেচ্ছাসেবীরা গ্রহণ করেছেন।

কৌড়ি শুধু একটি গ্রাম নয়, এটি বাংলাদেশের বৃক্ষপ্রেমীদের কাছে একটি অনুপ্রেরণার নাম। প্রয়াত বৃক্ষপ্রেমী শাহজাহান বিশ্বাস নিজের উদ্যোগে প্রায় ৬০ হাজার গাছ লাগিয়ে পুরো গ্রামকে সবুজের আবরণে ঢেকে দিয়েছিলেন। ২০২২ সালে তিনি মারা গেলেও তার সৃষ্টি আজও জীবন্ত। গ্রামের রাস্তা, বাড়ির আঙিনা এবং খোলা জায়গাজুড়ে ছড়িয়ে থাকা গাছগুলো যেন তার নীরব স্মৃতিচিহ্ন।

শাহজাহান বিশ্বাসের সবুজ বিপ্লবের নেপথ্যে ছিলেন ইউনিসেফের সাবেক কর্মকর্তা এ কে এম কামাল উদ্দিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা সালাহউদ্দিন মুরাদ, অ্যাসেট ডেভেলপমেন্টের পরিচালক আশরাফুজ্জামান টিটু, আবু বকর সিদ্দিকসহ কয়েকজন পরিবেশপ্রেমী। তাদের উৎসাহ, পরিকল্পনা ও সহযোগিতায় কৌড়ি আজ একটি অনুকরণীয় সবুজ গ্রামে পরিণত হয়েছে।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা সালাহউদ্দিন মুরাদ, কৌড়ি বহুমুখী উন্নয়ন সংস্থার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক সালাহ উদ্দিন রাজীব, চন্দ্রকলি ফাউন্ডেশনের সভাপতি ও আর্জেন্টিনা ফ্যানস ফর নেচার-এর প্রতিষ্ঠাতা শাখাওয়াত উল্লাহ, চন্দ্রকলি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট দেলোয়ার হোসেনসহ স্থানীয় পরিবেশপ্রেমী, স্বেচ্ছাসেবী ও ফুটবল সমর্থকরা।

সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা শাখাওয়াত উল্লাহ বলেন, 'বিশ্বকাপের আনন্দ কয়েক সপ্তাহ স্থায়ী হয়, কিন্তু একটি গাছ কয়েক দশক ধরে মানুষকে ছায়া, অক্সিজেন, ফল এবং নিরাপদ পরিবেশ উপহার দেয়। আমরা চাই, ফুটবলের প্রতি ভালোবাসা যেন দেশের প্রতি, প্রকৃতির প্রতি এবং আগামী প্রজন্মের প্রতিও দায়িত্ববোধ তৈরি করে।'

মো. সজল আলী/এএইচ/এএসএম

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

শব্দদূষণ ভারতের শহরে স্বাস্থ্যঝুঁকি, কিন্তু মাপাই কঠিন

মুম্বাইয়ে বাইরের শব্দের মাত্রা গড়ে ৬৫ থেকে ৮৫ ডেসিবেল, যেখানে সড়কের শব্দে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা ৫৪ ডেসিবেল। গবেষকেরা বলছেন, তথ্যের ঘাটতি ও ব্যয়বহুল শব্দ-মডেলের কারণে ভারতে এর স্বাস্থ্যপ্রভাব নিয়ে গবেষণা কঠিন।

Mongabay India১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

ব্যাংকক বাঁচাতে প্রতিবছর ডুবছে থাইল্যান্ডের গ্রাম

২০১১ সালের বন্যার পর থাইল্যান্ডে তৈরি বাঁধ ও জলকপাট ব্যাংকক ও শিল্পাঞ্চল থেকে পানি সরিয়ে দেয়, কিন্তু আয়ুথায়ার নদীতীরের গ্রামগুলো এখন মাসের পর মাস মাথার ওপর পানিতে ডুবে থাকে; ঘর উঁচু করতে সঞ্চয় খরচ করছেন বাসিন্দারা।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সুস্থ যমজের ছোঁয়ায় কয়েক সপ্তাহে প্রাণ ফিরে পেল বিবর্ণ প্রবাল

স্ট্যানফোর্ডের বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, একই কলোনির সুস্থ প্রবালের গায়ে বিবর্ণ প্রবালের টুকরা লাগিয়ে রাখলে দুটি জুড়ে যায় এবং বিবর্ণ প্রবাল আবার শৈবাল ফিরে পায়; পাঁচটি টুকরার সবকটি সাত সপ্তাহে সেরে উঠেছে।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)