সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৩%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

পেশা শিক্ষকতা, নেশা বৃক্ষরোপণ-মানবসেবা

ফরিদপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের শিক্ষক নুরুল ইসলাম (৪৬)। তবে তিনি কেবল একজন শিক্ষক নন, মানবিক মানুষ হিসেবেও পরিচিতি রয়েছে তার। শিক্ষকতা পেশা হলেও সমাজসেবা যেন তার নেশা হয়ে উঠেছে।

ফরিদপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের শিক্ষক নুরুল ইসলাম (৪৬)। তবে তিনি কেবল একজন শিক্ষক নন, মানবিক মানুষ হিসেবেও পরিচিতি রয়েছে তার। শিক্ষকতা পেশা হলেও সমাজসেবা যেন তার নেশা হয়ে উঠেছে।

নুরুল ইসলাম দরিদ্রদের জন্য কেনাকাটা করেন, ভিক্ষুক-অসহায়দের করেন সহায়তা। আর সবই করেন নিজের টাকা খরচ করে। যদিও দেশ-বিদেশ থেকে অনেকে আর্থিক সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছেন, তবে তিনি তা গ্রহণ করেননি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নুরুল ইসলাম ছোটকাল থেকেই প্রতি মাসে কমপক্ষে একটি ভালো কাজ করার অনুশীলন করেন। যা তার বাবা-মায়ের কাছ থেকে শিক্ষা পাওয়া। ২০১৯ সাল থেকে সামাজিক উদ্যোগগুলো আরও নিয়মিতভাবে করা শুরু করেন তিনি।

শিক্ষক নুরুল ইসলাম নিজ অর্থায়নে গত আট বছরে বিভিন্ন স্কুল, সড়ক, রেললাইনের পাশে কৃষ্ণচূড়া, রাধাচূড়া, শিমুল, নারিকেল, সুপারি, তাল ও বিভিন্ন ফল-ফুলের কমপক্ষে ৬০ হাজার গাছের চারা লাগিয়েছেন। এর মধ্যে তালগাছের বীজ রয়েছে ২৫ হাজার। পাশাপাশি দরিদ্রদের মধ্যে খাবার বিতরণ এবং ঈদের সময় সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নতুন পোশাক উপহার দিতে বেতনের একটি অংশ আলাদা করে রাখেন মানবিক এই শিক্ষক।

নুরুল ইসলাম ২০০০ সালে রসায়নে স্নাতক এবং ২০০১ সালে মাস্টার্স শেষ করেন। এরপর ২০০৬ সালে ফরিদপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে যোগদান করেন। তিনি ফরিদপুর শহরের কমলাপুর মহল্লার বাসিন্দা। বাবা আবদুর রহমান ফকির একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও স্বাস্থ্য সহকারী। মা নূর বেগম একজন গৃহবধূ ছিলেন।

আরও পড়ুন: শিক্ষকতা পেশাকে আমি উপভোগ করছি: ড. দেলোয়ার'গুণী শিক্ষক' সম্মাননা পেলেন ১২ জন

ছয় ভাইবোনের মধ্যে সবার বড় নুরুল ইসলাম। স্ত্রী শামীমা নাসরিন একজন গৃহবধূ। তার এক ছেলে (১২) ও এক মেয়ে (১৪) রয়েছে।

সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী রাইমা আক্তার। শিক্ষক নুরুল ইসলামের বিষয়ে তার ভাষ্য, "স্যার ক্লাসে একবার আমাদের বলেছিলেন, তুমি যদি একজন ভালো ব্যক্তি হতে পারো, তবে তা হলো বাস্তব শিক্ষা। এ কথাটি আমি সবসময় স্মরণে রাখি। এটি আমার জীবনের সবচেয়ে বড় পাঠ। স্যার কেবল রসায়ন শেখান না, কীভাবে ভালো মানুষ হতে হবে তাও শেখান তিনি।"

এ বিষয়ে শিক্ষক নুরুল ইসলাম বলেন, 'আমি কেবল গাছ লাগাই না, তাদের যত্নও নিই। এর পাশাপাশি নিজ অর্থ দিয়ে সমাজসেবা করি। এটি আমাকে তৃপ্তি দেয়। যদি আমার অবসর গ্রহণের পরে বা আমার মৃত্যুর পরেও লোকেরা বলে, তিনি অন্যের জন্য বেঁচে ছিলেন। এটি আমার সবচেয়ে বড় অর্জন হবে।'

'ওরা এগারো জন' নামের সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে ২০২৩ সালে সংবর্ধনা দেওয়া হয় শিক্ষক নুরুল ইসলামকে। সেখানে তাকে 'বৃক্ষবন্ধু' হিসেবে উপাধি দেওয়া হয়। সংগঠনটির সভাপতি মাহবুব হোসেন পিয়াল জাগো নিউজকে বলেন, 'আমরা ছোটবেলা থেকেই নুরুল ইসলাম ভাইকে দেখেছি। তিনি একজন শিক্ষকের চেয়েও বেশিকিছু, তিনি এই সম্প্রদায়ের একজন অভিভাবক।'

ফরিদপুর নাগরিক মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক প্রবীর কান্তি পান্না বালা জাগো নিউজকে বলেন, 'সমাজ নিঃস্বার্থ মানুষের সংখ্যা সঙ্কুচিত হচ্ছে। সেক্ষেত্রে শিক্ষক নুরুল ইসলাম একজন আলোকিত ও বিরল মানুষ।'

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

শব্দদূষণ ভারতের শহরে স্বাস্থ্যঝুঁকি, কিন্তু মাপাই কঠিন

মুম্বাইয়ে বাইরের শব্দের মাত্রা গড়ে ৬৫ থেকে ৮৫ ডেসিবেল, যেখানে সড়কের শব্দে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা ৫৪ ডেসিবেল। গবেষকেরা বলছেন, তথ্যের ঘাটতি ও ব্যয়বহুল শব্দ-মডেলের কারণে ভারতে এর স্বাস্থ্যপ্রভাব নিয়ে গবেষণা কঠিন।

Mongabay India১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

ব্যাংকক বাঁচাতে প্রতিবছর ডুবছে থাইল্যান্ডের গ্রাম

২০১১ সালের বন্যার পর থাইল্যান্ডে তৈরি বাঁধ ও জলকপাট ব্যাংকক ও শিল্পাঞ্চল থেকে পানি সরিয়ে দেয়, কিন্তু আয়ুথায়ার নদীতীরের গ্রামগুলো এখন মাসের পর মাস মাথার ওপর পানিতে ডুবে থাকে; ঘর উঁচু করতে সঞ্চয় খরচ করছেন বাসিন্দারা।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সুস্থ যমজের ছোঁয়ায় কয়েক সপ্তাহে প্রাণ ফিরে পেল বিবর্ণ প্রবাল

স্ট্যানফোর্ডের বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, একই কলোনির সুস্থ প্রবালের গায়ে বিবর্ণ প্রবালের টুকরা লাগিয়ে রাখলে দুটি জুড়ে যায় এবং বিবর্ণ প্রবাল আবার শৈবাল ফিরে পায়; পাঁচটি টুকরার সবকটি সাত সপ্তাহে সেরে উঠেছে।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)