সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৪%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

বন্ধ দোকানের সামনে একজোড়া ধনেশ পাখি

করোনাভাইরাসের কারণে সব কিছুই বন্ধ। বন্ধ পাড়া-মহল্লার দোকানও। সেই দোকানের সামনে বসে আড্ডা দিচ্ছে একজোড়া ধনেশ পাখি। ভারতের শিলিগুড়িতে দেখা গেছে এমন দৃশ্য। শাটার বন্ধ দোকানের সামনে মনের আনন্দে বসে আছে পাখি দুটি।

করোনাভাইরাসের কারণে সব কিছুই বন্ধ। বন্ধ পাড়া-মহল্লার দোকানও। সেই দোকানের সামনে বসে আড্ডা দিচ্ছে একজোড়া ধনেশ পাখি। ভারতের শিলিগুড়িতে দেখা গেছে এমন দৃশ্য। শাটার বন্ধ দোকানের সামনে মনের আনন্দে বসে আছে পাখি দুটি।

অবাক হলেও ঘটনা সত্যি। গভীর বনে থাকতে পছন্দ করা এ পাখিকে জনসমক্ষে দেখাটা অবাক হওয়ারই মতো কাণ্ড। তা-ও মনের আনন্দে পাখি দুটি বসে বসে গল্প করছে। তাদের কেউ বিরক্ত করছে না। তাই মহা আনন্দে চলছে দু'জনের আড্ডা। হয়তো লকডাউনের সুফল এ ঘটনা।

পাখিবিদরা বলছেন, এটি 'পালাবান হর্নবিল'। ফিলিপিনের ভাষায় 'তালুসি' বলে ডাকা হয়। পাখিটি ২৮ ইঞ্চি লম্বা হয়। বনভূমিতে বসবাস করে এ পাখি। পাখনা সম্পূর্ণ কালো রঙের হয়, লেজ হয় সাদা। এদের ওপরের অংশে চকচকে ঘন সবুজ রং থাকে। ঠোঁট হয় ক্রিম রঙের, ঠোঁটের ওপরে শিরস্ত্রাণ থাকে। এরা খুব জোরে ডাকতে পারে।

বাংলায় এ পাখিকে 'ধনেশ' বলা হয়। এটি বিউসেরোটিডি গোত্র বা পরিবারভুক্ত পাখি। গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ও উপ-গ্রীষ্মমণ্ডলীয় আফ্রিকা, এশিয়া মহাদেশ এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জে অধিকাংশ ধনেশের প্রধান আবাস। নিচের দিকে বাঁকানো উজ্জ্বল বর্ণের বিশাল ঠোঁট ধনেশের প্রধান বৈশিষ্ট্য। ঠোঁটের উপরে অধিকাংশ সময়ে প্রবৃদ্ধি দেখা যায়।

স্ত্রী ধনেশ গাছের কোটরে ডিম পাড়ে। পরবর্তীতে পুরুষ ধনেশের সহযোগিতায় স্ত্রী ধনেশ ডিমে তা দেয় ও বাচ্চাকে বড় করে তোলে। ওই সময়ে এটি বাসা থেকে বের হয় না। পুরুষ ধনেশ খাবার সংগ্রহ করে আনে। স্ত্রী পাখির মুখে খাবার তুলে দেয়। ফলে বিভিন্ন খাদক প্রজাতির প্রাণি থেকে বাচ্চা নিরাপদ থাকে।

বাচ্চা উড়তে না শেখা পর্যন্ত এটি কাছেই থাকে। ফলমূল খাওয়া থেকে শুরু করে ছোট ছোট প্রাণিও এদের প্রধান খাবার। তবে এরা জোড়ায় জোড়ায় থাকতে ভালোবাসে। তাই তো লোকালয়েও একজোড়া ধনেশের দেখা মিলল। তবে বর্তমানে কিছুসংখ্যক ধনেশ প্রজাতি বিলুপ্তির ঝুঁকিতে রয়েছে। এদের বিপদগ্রস্ত প্রজাতি হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

শব্দদূষণ ভারতের শহরে স্বাস্থ্যঝুঁকি, কিন্তু মাপাই কঠিন

মুম্বাইয়ে বাইরের শব্দের মাত্রা গড়ে ৬৫ থেকে ৮৫ ডেসিবেল, যেখানে সড়কের শব্দে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা ৫৪ ডেসিবেল। গবেষকেরা বলছেন, তথ্যের ঘাটতি ও ব্যয়বহুল শব্দ-মডেলের কারণে ভারতে এর স্বাস্থ্যপ্রভাব নিয়ে গবেষণা কঠিন।

Mongabay India১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

ব্যাংকক বাঁচাতে প্রতিবছর ডুবছে থাইল্যান্ডের গ্রাম

২০১১ সালের বন্যার পর থাইল্যান্ডে তৈরি বাঁধ ও জলকপাট ব্যাংকক ও শিল্পাঞ্চল থেকে পানি সরিয়ে দেয়, কিন্তু আয়ুথায়ার নদীতীরের গ্রামগুলো এখন মাসের পর মাস মাথার ওপর পানিতে ডুবে থাকে; ঘর উঁচু করতে সঞ্চয় খরচ করছেন বাসিন্দারা।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সুস্থ যমজের ছোঁয়ায় কয়েক সপ্তাহে প্রাণ ফিরে পেল বিবর্ণ প্রবাল

স্ট্যানফোর্ডের বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, একই কলোনির সুস্থ প্রবালের গায়ে বিবর্ণ প্রবালের টুকরা লাগিয়ে রাখলে দুটি জুড়ে যায় এবং বিবর্ণ প্রবাল আবার শৈবাল ফিরে পায়; পাঁচটি টুকরার সবকটি সাত সপ্তাহে সেরে উঠেছে।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)