কবে-কোথায় শৈত্যপ্রবাহ, জানালো আবহাওয়া অফিস
চলছে জানুয়ারি মাসের শেষ দশক। মাস শেষ হতে বাকি মাত্র ৭ দিন। জানুয়ারি মাসে শীতের যে চিরায়ত রূপ, সেটি এবার দেখা যাচ্ছে না। আবহাওয়াবিদদের মতে কিছু কিছু জায়গায় এবার শীতের প্রকৃত চরিত্র নেই।
চলছে জানুয়ারি মাসের শেষ দশক। মাস শেষ হতে বাকি মাত্র ৭ দিন। জানুয়ারি মাসে শীতের যে চিরায়ত রূপ, সেটি এবার দেখা যাচ্ছে না। আবহাওয়াবিদদের মতে কিছু কিছু জায়গায় এবার শীতের প্রকৃত চরিত্র নেই।
আগামী তিনদিন সারাদেশে তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রবণতা থাকতে পারে। তবে এসময় দেশজুড়ে মধ্যরাত থেকে দুপুর পর্যন্ত ঘন কুয়াশা থাকার সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।
শুরু হয়েছে মাঘ মাস। পৌষ মাস শেষ হলেও এখনও দেশে তীব্র শীত পড়েনি। চলতি মৌসুমে তিন ধাপে শৈত্যপ্রবাহ এলেও তীব্র শৈত্যপ্রবাহ এখনো হয়নি। দেশের অধিকাংশ জায়গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ থেকে ১৭ ডিগ্রির ঘরে।
চলমান দাবদাহ প্রশমিত করতে ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (SDG) অর্জনের প্রয়াসে বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ দশ দিনে ৫ লাখ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।
হবিগঞ্জে এ বছর বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হওয়ায় ধানও ঠিকঠাক তুলতে পারছেন কৃষকরা। এতে আনন্দে উদ্বেলিত হাওরাঞ্চলের চাষিরা।
হাওর-বাঁওড়ের জেলা সুনামগঞ্জ। এ অঞ্চলের একটিমাত্র বোরো ফসল ঘরে তুলতে পারলে বছরটা নিশ্চিন্তে চলে যায় কৃষক পরিবারের। তবে অন্যান্য বছরের মতো এবারও হাওরের ধান ঘরে তোলা নিয়ে শঙ্কায় ছিলেন কৃষকরা। কিন্তু আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় চলতি মৌসুমে সুনামগঞ্জের বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। এতে হাসি ফুটেছে কৃষকদের মুখে
আফ্রিকা মহাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে ভয়াবহ খরা দেখা দিয়েছে। আবহাওয়ার এল নিনো ধরনের কারণে এই অঞ্চলের দেশগুলোর প্রকৃতি বাজেভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ও ফসল উৎপাদনে বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সংকটের মধ্যে পড়েছে এই অঞ্চলের জীববৈচিত্রও।
দেশজুড়ে বয়ে যাচ্ছে মৃদু থেকে তীব্র তাপপ্রবাহ। জনজীবনের পাশাপাশি যা আক্রান্ত করছে ফসলও। চলতি বোরো মৌসুমে ভাবাচ্ছে ধানের হিটস্ট্রোক বা হিটশক। সবশেষ ২০২১ সালে দেশে বড় ধরনের হিটশক হয়। এতে প্রায় অর্ধলাখ হেক্টর জমির ধান তাপে চিটা হয়ে যায়। ক্ষতির পরিমাণ ছিল কয়েকশ কোটি টাকা। চলমান তাপপ্রবাহ শিগগির না কমলে এ
তীব্র খরায় পুড়ছে রাজশাহী অঞ্চল। আমের শহরে দিনের তাপমাত্রা ক্রমশ বাড়ছে। এতে বোঁটার রস শুকিয়ে ঝরে পড়ছে আমের গুটি। পানি সেচ ও নানা পদ্ধতি অবলম্বন করেও গুটি ঝরে পড়া ঠেকানো যাচ্ছে না। ফলে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন আমচাষিরা। আম উৎপাদনে বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন তারা।
#শীত কম হওয়ায় ভালো অগ্রগতি#বীজতলার অগ্রগতি ৯২ শতাংশ#গত বছর একই সময়ে ছিল ৫২ শতাংশ
# সেচ বাবদ বাড়তি খরচ হবে প্রায় ২৩৩ কোটি # বীজতলাও তৈরি করতে পারেননি অনেক কৃষক # বিলম্বে রোপণে ফসলে রোগবালাইয়ের আক্রমণ ও ফলন কমার আশঙ্কা
আবহাওয়া পরিস্থিতি বিবেচনায় নির্দিষ্ট সময়ের ১০ দিন আগেই আম পাড়া শুরু করেছেন চাষিরা। সেই সুবাধেই শনিবার (১০ জুন) থেকে বাজারে পাওয়া যাচ্ছে রংপুরের ঐতিহ্যবাহী হাঁড়িভাঙা আম।
আবহাওয়া পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে নির্দিষ্ট সময়ের ১০ দিন আগেই বাজারে আসছে রংপুরের ঐতিহ্যবাহী হাঁড়িভাঙা আম। ২০ জুনের পরিবর্তে শনিবার (১০ জুন) থেকে আম পাড়া শুরু হবে।