গ্যাস ফিরেছে, অ্যামোনিয়া উৎপাদন শুরু: শিগগির ইউরিয়ায় ফিরছে সিইউএফএল
চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস পাওয়ায় ৯ সেপ্টেম্বর অ্যামোনিয়া উৎপাদনে ফিরেছে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড; যান্ত্রিক ত্রুটি সারলেই দিনে এক হাজার টন ইউরিয়া উৎপাদনের আশা।
চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস পাওয়ায় ৯ সেপ্টেম্বর অ্যামোনিয়া উৎপাদনে ফিরেছে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড; যান্ত্রিক ত্রুটি সারলেই দিনে এক হাজার টন ইউরিয়া উৎপাদনের আশা।
সার নিয়ে অস্থিরতার মধ্যে কৃষি বিজ্ঞানীরা বলছেন, ন্যানো ফার্টিলাইজারের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের সার আমদানি ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে আনা সম্ভব।
এক মাসে অন্তত ১৫টি কর্মসূচি, ২০৪টি মোবাইল কোর্ট ও ১৭০০ বস্তা সার উদ্ধার, মজুত থাকার পরও কেন কৃষকের হাতে সার পৌঁছাচ্ছে না।
বাঁশবাড়িয়া ঘাটে ট্রাক থেকে কার্গো বোটে তোলার সময় কোস্ট গার্ড পূর্ব জোন ৭০০ বস্তা কাফকোর ইউরিয়া ও তিনটি ট্রাক জব্দ করেছে; এক সপ্তাহে এটি দ্বিতীয় বড় চালান।
সার সংকটের অভিযোগে সংসদে জরুরি আলোচনায় সরকার জানিয়েছে, চাহিদা ৩৫ লাখ ৮৭ হাজার টনের বিপরীতে মজুত ৫১ লাখ ৭১ হাজার টন; ৬৪ জেলায় মনিটরিং সেল কাজ করছে, আর পালিয়ে যাওয়া ৩,৭৫৯ ডিলারের জায়গায় ইউনিয়ন পর্যায়ে ৪,৯১৮ নতুন ডিলার নিয়োগ হবে।
কুড়িগ্রাম থেকে যশোর পর্যন্ত কৃষকেরা বলছেন টাকা দিয়েও সার মিলছে না, অথচ কৃষি মন্ত্রণালয়ের হিসাবে মজুত গত বছরের চেয়ে বেশি।
রৌমারী ও ভূরুঙ্গামারীতে বিতরণের সময় বিশৃঙ্খলার চেষ্টার পর কুড়িগ্রাম কৃষি বিভাগ জানাল: আগস্টে ইউরিয়া ৫,৮৭৫ টন (গত বছর ৩,২৫৩), ডিএপি ১,৫৭২, এমওপি ১,৬৪৮, টিএসপি ৯২৪ টন; সেপ্টেম্বরেও পূর্ণ বরাদ্দ, প্রতিটি পয়েন্টে ট্যাগ অফিসার; আমনে সার প্রয়োগ প্রায় শেষ, রবির বরাদ্দ অক্টোবর-নভেম্বরে বাড়বে।
আমন মৌসুমের শুরুতে রাজশাহী, ঝিনাইদহ ও কুড়িগ্রামের কৃষকেরা ডিলারের কাছে সার না পেয়ে বেশি দামে কিনছেন, অথচ সরকারের হিসাবে ১৩ দশমিক ৬৫ লাখ টন সার মজুত আছে; কৃষি অর্থনীতিবিদরা বলছেন দুই হিসাব মেলে না।
এগ্রোবিজ২০২৬ সালের মার্চে গ্যাস সাশ্রয়ে চারটি রাষ্ট্রায়ত্ত সার কারখানা ও কাফকো বন্ধ ছিল; কৃষিমন্ত্রী বলেন মজুতে এক বছর চলবে, আর কৃষি অর্থনীতিবিদরা বিকল্প উৎস থেকে দ্রুত আমদানির তাগিদ দেন।
ধান চাষে সার একটি অত্যাবশকীয় বস্তু। সার ছাড়া ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি অসম্ভব হয়ে পড়ে। এমনকী ধান চাষে সারের সুষম, পরিমিত, সময়মত ও নিয়মমাফিক ব্যবহারও অতীব গুরুত্বপূর্ণ। ধান চাষে গুট
জীবাণু সার একটি অনুজীবঘটিত সার। এ সার ডাল ও তেল জাতীয় ফসল যেমন- মসুর, ছোলা, মুগ, মাসকলাই, বরবটি, সয়াবিন, চীনাবাদাম প্রভৃতিতে নাইট্রোজেন তথা ইউরিয়ার প্রয়োজন মেটায়। ইউরিয়ার বিক
ধান চাষে সার একটি অত্যাবশকীয় বস্তু। সার ছাড়া ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি অসম্ভব হয়ে পড়ে। এমনকী ধান চাষে সারের সুষম, পরিমিত, সময়মত ও নিয়মমাফিক ব্যবহারও অতীব গুরুত্বপূর্ণ। ধান চাষে গুট