সুনামগঞ্জে গরমে মারা যাচ্ছে মুরগি, দিশেহারা খামারিরা
টানা লোডশেডিংয়ের মধ্যে অতিরিক্ত গরমে সুনামগঞ্জে মারা যাচ্ছে পোলট্রি মুরগি। এতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন খামারিরা। লোডশেডিং সমস্যার সমাধান না হলে ব্যবসা টিকিয়ে রাখা অসম্ভব বলে জানিয়েছেন তারা।
টানা লোডশেডিংয়ের মধ্যে অতিরিক্ত গরমে সুনামগঞ্জে মারা যাচ্ছে পোলট্রি মুরগি। এতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন খামারিরা। লোডশেডিং সমস্যার সমাধান না হলে ব্যবসা টিকিয়ে রাখা অসম্ভব বলে জানিয়েছেন তারা।
সুনাগঞ্জে বন্যার প্রভাব পড়েছে পশুহাটে। রাত পোহালেই ঈদ, অথচ এখনো জমেনি হাটগুলো। মাঠভর্তি কোরবানির পশু থাকলেও নেই ক্রেতার দেখা। ফলে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন খামারি ও গৃহস্থরা।
সুনামগঞ্জে বন্যার পানিতে ডুবে ৩ লাখ ৮৭ হাজার ৫২৮টি গৃহপালিত পশু-পাখির মৃত্যু হয়েছে। দিশেহারা হয়ে পড়েছেন এসব পশুর মালিকরা।
সীমান্তবর্তী এলাকা সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের উত্তর বড়দল ইউনিয়ন। এখানে বড় সমস্যা বন্য হাতি। এসব হাতি লোকালয়ে এসে নষ্ট করছে ফসল, ভাঙছে ঘরবাড়ি। এমনকি হাতির হামলায় আহতও হয়েছে মানুষ। তারপরও দীর্ঘদিন ধরে বেঁচে থাকার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে এ অঞ্চলের লোকজন। কিন্তু হাতির সঙ্গে লড়াই বন্ধে স্থায়ী কোনো সমাধান এখনো মেল
ভারতীয় সীমানা অতিক্রম করে যাদুকাটা নদী পার হয়ে পাঁচটি বন্যহাতি সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বড়গোপ টিলা (বারেক টিলা) এলাকায় প্রবেশ করেছে।
প্রাণীটি দেখতে অনেকটা বিড়ালের মতো। নিমিষেই মানুষকে আক্রমণ করে লাপাত্তা হয়ে যায়। মুহূর্তেই বনের ঝোপে আত্মগোপন করা প্রাণীটির নাম মেছোবাঘ। ওই প্রাণীর ভয়ে একটি গ্রামের মানুষ সন্ধ্যা হওয়ার আগে ছেলেমেয়েদের নিয়ে আতংকে ঘরের দরজা লাগিয়ে দিচ্ছেন। বলছিলাম সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার সদরগড় গ্রামের কথা। এরই মধ্যে মেছ
সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের টাঙ্গুয়ার হাওরের সংরক্ষিত বন থেকে একটি মেছোবাঘকে বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে ও পিটিয়ে হত্যা করেছে স্থানীয়রা। এরপর এটিকে হাওরে ফেলে দেয়া হয়। মেছোবাঘটি দৈর্ঘ্যে তিন ফুট ও প্রস্থে দুই ফুটের বেশি ছিল।
পরিবেশসরকারি উদ্যোগে তাৎক্ষণিক খাদ্য সহায়তায় তৎপরতা চলছে গোটা হাওরাঞ্চল জুড়ে। এই সহায়তায় চালু থাকলে দিনে দিনে গুছিয়ে ওঠা যাবে, আশা দুর্গত হাওরবাসীর। তবে কিছু অনিয়মের অভিযোগও রয়েছে। তাদের দাবি এমন স্থায়ী সমাধান, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্যোগে আর পড়তে না হয়।