চাঁপাইনবাবগঞ্জে গাছে পাকলেই বাজারজাত করা যাবে আম
আমের রাজধানীখ্যাত জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জে গত দুবছরের মতো এবারও থাকছে না আম পাড়ার সময়সূচি। গাছে পাকলেই আম বাজারজাত করতে পারবেন চাষিরা।
আমের রাজধানীখ্যাত জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জে গত দুবছরের মতো এবারও থাকছে না আম পাড়ার সময়সূচি। গাছে পাকলেই আম বাজারজাত করতে পারবেন চাষিরা।
ঈদের আগে বেড়ে যাওয়া ব্রয়লার মুরগি, গরুর মাংস ও চিনির দাম এখনো কমেনি। বরং ঈদের পরের কয়েক দিনে নতুন করে বেড়েছে আলু ও পেঁয়াজের দাম। পাশাপাশি ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে নানা পদের সবজির দামও।
যেসব অসাধু ব্যবসায়ী ব্রয়লার মুরগির বাজারে সিন্ডিকেট তৈরি করে কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে তাদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছে কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)। অন্যথায় সারাদেশে মানববন্ধন এবং প্রতিবাদ সভা করা হবে বলেও জানিয়েছে তারা।
রমজান শুরুর আগ মুহূর্তে ব্রয়লার মুরগির বাজারে আগুন লাগলেও স্বস্তি ফিরতে বেশি সময় লাগেনি। গত এক সপ্তাহ ধরে ধারাবাহিকভাবে কমছে ব্রয়লারের দাম। গত তিনদিনে এ দাম কমেছে কেজিপ্রতি ৫০ থেকে ৬০ টাকা পর্যন্ত। তবে এর উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে ডিমের দামে। বাজারে গত তিনদিনে ডিমের দাম ডজনপ্রতি ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে
সরকারি তদারকি না থাকায় হরিলুট চলছে দেশের পোলট্রি খাতে- এমন অভিযোগ করেছে প্রান্তিক খামারিদের সংগঠন বাংলাদেশ পোলট্রি অ্যাসোসিয়েশন। সংগঠনটির দাবি, এই খাতের করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো গত ৫২ দিনে মুরগি ও বাচ্চার দাম বাড়িয়ে ৯৩৬ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।
ব্রয়লার মুরগির দাম ২০০ টাকার বেশি হওয়ার কোনো যৌক্তিকতা নেই বলে জানিয়েছেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) এ এইচ এম সফিকুজ্জামান।
সারাদেশের মতো রংপুরেও মুরগির বাজারে অস্থিরতা বিরাজ করছে। সেইসঙ্গে বেড়েছে ডিমের দামও। এতে বিপাকে পড়েছেন নিম্নআয়ের লোকজন।
বাজারে যে দামে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে তা অযৌক্তিক বলে জানিয়েছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। সংস্থাটি জানিয়েছে, এখন প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগির উৎপাদন খরচ করপোরেট প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকা। আর প্রান্তিক খামারি পর্যায়ে খরচ ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা। আর বাজারে তা ২০০ টাকা কেজির বেশি বিক্
দ্রব্যমূল্য বাড়ছেই। রমজান মাস সামনে রেখেও বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরছে না। সাধারণ ব্যবসায়ীরা মনে করেন, একশ্রেণির অসাধু চক্র বা বাজার সিন্ডিকেট এর জন্য অনেকাংশে দায়ী। তবে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বারবারই বলছে, রমজানে সব পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা হবে। দেশে খাদ্যপণ্যের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। নিয়মিত বাজা
রমজানের আগে বেড়েছে সবজির দাম। এছাড়া নতুন করে ব্রয়লার মুরগির দাম না বাড়লেও গত সপ্তাহের মতো ২৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে পাকিস্তানি কর্ক ও দেশি মুরগির দাম কিছুটা বেড়েছে। এদিকে দাম কমার মধ্যে শুধু রয়েছে ছোলা। শুক্রবার (১৭ মার্চ) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে এ চিত্র।
রংপুরে সপ্তাহের ব্যবধানে আরও বেড়েছে মুরগির দাম। ধনেপাতা, ফুলকপি ও মটরশুঁটিসহ কিছু সবজির দামও ঊর্ধ্বমুখী। তবে কমেছে রসুন ও সজনে ডাঁটার দাম। মাছ, চাল, ডাল ও তেলের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
ব্রয়লার মুরগির কেজি ২৫০ টাকা কেন তা খতিয়ে দেখতে বলেছেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) এ.এইচ.এম. সফিকুজ্জামান। তিনি জানান, অসাধু ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট মুরগির অযৌক্তিক মূল্য নির্ধারণ করছে। এ ক্ষেত্রে গোয়েন্দা সংস্থার নজরদারি বাড়ানোর দরকার। একই সঙ্গে তিনি জানান, প্রত্যেক দোকান
দেশের বাজারে পণ্যের দামের ঊর্ধ্বগতি থামার কোনো লক্ষণ নেই। উল্টো দফায় দফায় বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম। এরমধ্যে ভালো খাবার তো এখন নাগালের বাইরে। অবস্থা এমন যে, মাছ-মাংস ছুঁয়ে দেখতে পারছেন না মধ্য ও নিম্নবিত্তরা। এসবের বাইরে সবজির দামও ঊর্ধ্বমুখী। আর চিনি, আটা, ময়দা বাড়তি দামে আটকে রয়েছে। এরমধ্যে নতুন করে