ব্ল্যাক কুইন তরমুজ চাষে ৭০ দিনে লাখ টাকা আয়
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার চণ্ডিপাশা গ্রামের তরুণ কৃষক আবু বাক্কার সিদ্দিক অসময়ে ব্ল্যাক কুইন জাতের তরমুজ চাষ করে চমক দেখিয়েছেন। মাত্র ৭০ দিনে ৪০ শতাংশ জমি থেকে এক লাখ টাকার বেশি আয় করেছেন।
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার চণ্ডিপাশা গ্রামের তরুণ কৃষক আবু বাক্কার সিদ্দিক অসময়ে ব্ল্যাক কুইন জাতের তরমুজ চাষ করে চমক দেখিয়েছেন। মাত্র ৭০ দিনে ৪০ শতাংশ জমি থেকে এক লাখ টাকার বেশি আয় করেছেন।
পাবনার ঈশ্বরদীতে শরিফা বা মেওয়া ফলের বাণিজ্যিক চাষ করে সফল হয়েছেন কৃষক শাহজাহান আলী বাদশা। তিনি ৩৩ বিঘা জমিতে এ ফলের বাগান গড়ে তুলেছেন। তার বাগানের শরিফা ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন বাজারে বিক্রি হচ্ছে। এই সফলতায় এলাকার তরুণ চাষিরা শরিফা চাষে উদ্বুদ্ধ হয়েছেন। স্থানীয় বাজারে ৩০০-৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি
ফলঝিনাইদহের মহেশপুরের যোগীহুদা গ্রামের দাওরায়ে হাদিস পড়ুয়া আবদুল্লাহ ২০২২ সালের শেষদিকে এক বিঘা জমিতে ভারতীয় ভাগওয়া জাতের আনারের চারা লাগান। দুই বছর পর সব গাছে ফল এসেছে; তাঁর ভাষ্য, স্থানীয় বাজারে কেজিপ্রতি ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ফলচট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা মো. ওমর শরীফ ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে জানান, ইন্দোনেশিয়া থেকে আনা ১০টি চারার গাছ থেকে তিনি ৫০০ কেজির বেশি অ্যাভোকাডো তুলেছেন এবং প্রতি কেজি ৮০০ টাকায় বিক্রি করছেন।
টাঙ্গাইলের মধুপুরে এবার আনারসের বাম্পার ফলন হয়েছে। মৌসুমের শুরু থেকে এ বছর দাম ভালো পাচ্ছেন চাষিরা। বাজারে আনারসের দামও বেশ ভালো। এতে খুশি চাষিরা। পাইকার ক্রেতা বেশি থাকায় বাজারে প্রচুর আনারসের আমদানি থাকলেও দাম পড়েনি। গরমের কারণে এ বছর আনারসের চাহিদা বেড়েছে। দাম ভালো পাওয়ায় পাহাড়ে আনারসের আবাদও বেড়
দিনাজপুরে প্রতি বছর কলার আবাদ বাড়ছে। ফলনও হচ্ছে বাম্পার। ভালো ফলনে কৃষক যেমন খুশি; তেমনই ভালো দাম পাওয়ার কারণে তাদের মুখে হাসি ফুটেছে। পাশাপাশি কলা বিক্রিতে কৃষকদের হয়রানিও কমেছে। কলা ব্যবসায়ীরা হাট ছাড়াও ক্ষেত থেকে কলা কিনে ট্রাকযোগে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠাচ্ছেন। প্রতিদিন কোটি টাকার কাঁ
মধুমাস (জ্যৈষ্ঠ) শেষ হয়েছে দুই মাস আগে। তবে বাজারে এখনো মিলছে আম। সরবরাহ খুব বেশি না থাকলেও মৌসুম শেষেও যা পাওয়া যাচ্ছে সেটিকে পর্যাপ্ত বলা চলে। যদিও আমের দাম এখন কয়েক সপ্তাহ আগের তুলনায় দ্বিগুণ বা তারও বেশি।
দূর থেকে দেখলে মনে হবে সবুজ পাতার ছায়ায় ঝুলছে রঙিন ফলের মালা। কাছে গেলে বোঝা যায়, এগুলো অসময়ের তরমুজ। নিচে মিঠে ও লোনা পানির মিশ্র ঘেরে মাছের খেলা। ওপরে মাচায় ঝুলছে সুপ্রিম হানি, তৃপ্তি, ব্ল্যাক বেবি, সুগারকুইন আর বাংলা লিংকের তরমুজ। এ মন ভোলানো দৃশ্য এখন সাতক্ষীরার দেবহাটার কৃষি মাঠে নতুন আলোচনার ক
গোলপাতা উপকূলীয় অঞ্চলের নোনাপানিতে অযত্নে জন্মানো একটি উদ্ভিদ। এর ফল স্থানীয়দের বাড়তি আয়ের উৎস হিসেবে কাজ করছে। বাগেরহাটের ঐতিহাসিক ষাট গম্বুজ মসজিদের সামনে বাণিজ্যিকভাবে বিক্রি হচ্ছে গোলপাতার ফল। মসজিদের সামনে বিভিন্ন স্থানে ডাবের পাশাপশি গোলফল বিক্রি করছেন অন্তত ১০ জন বিক্রেতা।
ঝালকাঠির ৩৬ গ্রামে পেয়ারার উৎপাদন গত বছরের চেয়ে কম হয়েছে। উৎপাদন কম হলেও ভালো দাম পাচ্ছেন চাষিরা। তবুও খুশি হতে পারেননি তারা। চাষিদের ভাষ্যমতে, এক বিঘা জমিতে পেয়ারা উৎপাদন হওয়ার কথা প্রতিদিন ১০ মণ। সেখানে উৎপাদন হচ্ছে আড়াই থেকে তিন মণ। যে কারণে দাম বেশি পেলেও কাঙ্ক্ষিত উপার্জন সম্ভব হচ্ছে না। আষাঢ়,
ফলশেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার পাহাড়ি গ্রাম মেঘাদলে ২০২৫ সালের আগস্টে উদ্যোক্তা মিজানুর রহমানের বাগানে ছিল প্রায় ৫০ জাতের বিদেশি আঙুরের ১৫০টি গাছ; তাঁর ভাষ্যে, সবুজ আঙুর কেজিপ্রতি ২৫০-৩০০ টাকায় স্থানীয়ভাবে বিক্রি হয়েছে।
১০-১২ দিন আগেও যে গালা আপেল বিক্রি হয়েছে ৩৮০ থেকে ৪০০ টাকা কেজি, সেই আপেল এখন বিক্রি হচ্ছে ৪২০ থেকে ৪৫০ টাকা। শুধু গালা আপেল নয়, এই কয়েকদিনের ব্যবধানে সবুজ আপেল, মাল্টাসহ প্রায় সব রকমের ফলের দামই বেড়েছে।
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে দিন দিন কমে যাচ্ছে গ্রামবাংলার অতি পরিচিত ডেউয়া ফল। একসময় উপজেলার ১৬টি ইউনিয়ন ও দুটি পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় এ ফলের গাছ দেখা যেত। তবে এখন আর খুব বেশি চোখে পড়ে না। স্থানীয় বাজারেও আগের মতো দেখা যায় না। প্রবীণদের কাছে প্রিয় ও পরিচিত হলেও নবীনদের কাছে একেবারে অপরিচিত।