লোগো পদ্ধতি ধান চাষে ফলন বাড়ে
'লোগো' পদ্ধতি ধান চাষের নতুন একটি প্রযুক্তি। এ পদ্ধতিতে ধান চাষ করলে পোকামাকড়ের আক্রমণ কমে যায়, আগাছা দমন হয় ও সঠিকভাবে সার প্রয়োগ করতে সহজ হয়। পাশাপাশি ধানের ফলনও বাড়ে বলে জানিয়েছে কৃষি তথ্য সার্ভিস।
'লোগো' পদ্ধতি ধান চাষের নতুন একটি প্রযুক্তি। এ পদ্ধতিতে ধান চাষ করলে পোকামাকড়ের আক্রমণ কমে যায়, আগাছা দমন হয় ও সঠিকভাবে সার প্রয়োগ করতে সহজ হয়। পাশাপাশি ধানের ফলনও বাড়ে বলে জানিয়েছে কৃষি তথ্য সার্ভিস।
বোরো মৌসুমে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি উভয় ধানের জাত চাষ করে চাষিরা। সেক্ষেত্রে ধানের সঠিক সার ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত তথ্য জানিয়েছে কৃষি তথ্য সার্ভিস।
গত আমন মৌসুমটা ভালো কাটেনি কৃষকদের। বাড়তি দাম দিয়েও কোনো কোনো জেলায় চাহিদামতো মেলেনি সার। পরিবেশকদের কাছে রীতিমতো ধরনা দিতে হয়েছে। তারপরও যে পরিমাণ সার পেয়েছেন, তা চাহিদার তুলনায় অনেক কম। যার প্রভাব পড়ে উৎপাদনেও। তবে চলতি বোরো মৌসুমে সে শঙ্কা নেই। দেশে এখন পর্যাপ্ত ইউরিয়া সারের মজুত রয়েছে বলে জানিয়ে
চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে সার বিক্রেতাদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছেন কৃষকরা। বিসিআইসি, বিএডিসি এবং খুচরা সার ডিলাররা সরকার নির্ধারিত দামের তোয়াক্কা না করে বেশি দামে সার বিক্রি করছেন। ন্যায্যমূল্যে সার না পেয়ে প্রতিনিয়ত বেশি টাকা গুনতে হচ্ছে কৃষকদের। উপজেলা কৃষি অফিসে অভিযোগ দিয়েও কোনো প্রতিকার মিলছে না বলে দ
খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে কৃষিখাতকে বরাবরই অগ্রাধিকার দিয়ে আসছে সরকার। এর সুফলও মিলেছে। দেশ এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। কৃষিখাতে ভর্তুকিসহ আছে নানান সুবিধা। উৎপাদন অব্যাহত রাখতে ভর্তুকি দিয়ে কমমূল্যে কৃষকদের সারও সরবরাহ করা হয়। ভর্তুকির সারের মধ্যে টিএসপি (ট্রিপল সুপার ফসফেট) অন্যতম। সরকারের এই সু
দেশের সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে নিজেদের স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করে নিয়েছে পোল্ট্রি শিল্প। বর্তমানে এ শিল্পে বিনিয়োগ প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা। অর্ধকোটি লোকের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থান এ শিল্পে। সস্তায় প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণের উৎস। সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এই শিল্পের বড় চ্যালেঞ্জ। তবে পোল্ট্রির বর
কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেডের (কাফকো) কাছ থেকে এবং কাতার ও সৌদি আরব থেকে ৯০ হাজার মেট্রিক টন ব্যাগড গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে সরকারি ক্রয় সংক
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলায় নকল সার মজুত ও বিক্রির অপরাধে নয়ন আহম্মেদ (৪০) নামের এক ব্যবসায়ীকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। রোববার জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী
ফসল উৎপাদনের জন্য বিভিন্ন রাসায়নিক সার ব্যবহার করা হয়। কিন্তু সারে ভেজাল দ্রব্য মিশিয়ে তৈরি ও বিক্রি করছে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী। তাই আসল সার চেনা জরুরি। তবে একটু সতর্ক হলেই আসল ও