ইলিশ মাছে ক্ষতিকর উপাদানের উপস্থিতি পাওয়া যাচ্ছে: মৎস্য উপদেষ্টা
ইলিশ মাছে ক্ষতিকর উপাদানের উপস্থিতি পাওয়া যাচ্ছে বলে এক গবেষণার বরাত দিয়ে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।
ইলিশ মাছে ক্ষতিকর উপাদানের উপস্থিতি পাওয়া যাচ্ছে বলে এক গবেষণার বরাত দিয়ে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, দেশের মানুষের খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা সরকারের দায়িত্ব হলেও সরকার একা এটি কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করতে পারবে না। এজন্য প্রাণিস্বাস্থ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তায় সরকারি-বেসরকারি খাতের সমন্বয় দরকার।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, চিড়িয়াখানায় থাকা প্রাণীগুলোর যত্ন নেওয়া আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। তিনি প্রাণীদের প্রতি মানবিক আচরণের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, চিড়িয়াখানার প্রাণীগুলোর যথাযথ যত্ন ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। বিলুপ্তপ্রায় প্রাণীদের সংরক্ষণের মাধ্যমে প্রাণিজগতে ইতিবাচক অবদান
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, মহিষের দই বাংলাদেশের জিআই পণ্য হিসেবে বিশেষ পরিচিতি পেয়েছে। মহিষ দেশের সম্পদ, কিন্তু দীর্ঘদিন অবহেলিত থেকেছে। এ অবহেলা যেন আর না হয়, সরকারের পক্ষ থেকে সে বিষয়ে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে।
দেশে ইলিশ আহরণ ২০২০-২১ অর্থবছরের আগে ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও এরপর তা ক্রমাগত হ্রাস পাচ্ছে। গত চার বছরের ব্যবধানে মাছটির উৎপাদন কমেছে নয় শতাংশের বেশি। যে কারণে এবারও বাজারে ইলিশের দাম কমছে না।
আগামী ৪ থেকে ২৫ অক্টোবর মা ইলিশ রক্ষায় বিশেষ অভিযান শুরু হচ্ছে। এবার আশ্বিনী পূর্ণিমার পূর্বের ৪ দিন এবং অমাবস্যার পরের ৩ দিনকে অন্তর্ভুক্ত করে মোট ২২ দিন এই অভিযান চলবে।
বছরজুড়েই ইলিশ মাছের দাম অনেকটাই বেশি। এবার ইলিশের মৌসুম শুরু হলেও দাম কমেনি। বরং দিনকে দিন দাম আরও বাড়ছে। কেন এই পরিস্থিতি? এবছর কি আদৌ দাম কমবে?
অস্বাভাবিক কোনো কারণে যেন ইলিশের দাম না বাড়ে তা নিশ্চিত করতে হবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। তিনি বলেন, ইলিশের মূল্য দেশের সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে ধরে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, গরিবের জন্য অনিরাপদ খাদ্য আর মধ্যবিত্তদের জন্য নিরাপদ খাদ্য- এ ধরনের বৈষম্য দূর করতে হবে। এটা কিছুতেই হতে দেওয়া যাবে না। সব মানুষের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে হবে।
অন্য বছরের মতো এবারও কোরবানির পশু পরিবহনের জন্য বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।
সোমবার (৫ মে) থেকে সীমান্ত দিয়ে গবাদিপশুর অবৈধ অনুপ্রবেশ সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, যারা সত্যিকারের মৎস্যজীবী তারা আইন ভঙ্গ করে না, জাটকা ধরে না। জাটকা ধরে দুষ্ট ব্যবসায়ীরা। যারা দাদন দিয়ে ব্যবসা করে, জেলেদের আটক করে রাখে- তারাই মূলত দুষ্ট ব্যবসায়ী।
ইলিশকে গ্লোবাল ফিস উল্লেখ করে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, যে ১১টা দেশে ইলিশ পাওয়া যায় তারমধ্যে বাংলাদেশ প্রথম। ইলিশ বিশ্বের মধ্যে একটা সম্পদ যা বাংলাদেশে আছে। ইলিশের ব্যবস্থাপনা ঠিক মতো করতে পারলে বিশ্বের কাছে তা পরিচয় করিয়ে দেওয়া সম্ভব। তাই ইলিশকে আন্তর্জাতিকভাবে তুলে ধরতে হবে।