মৎস্যইলিশ ধরা বন্ধের ২২ দিন: জাল সেলাই, দাদনের ঋণ আর সন্তানের সঙ্গে সময়
৮ থেকে ২৯ অক্টোবর মা ইলিশ রক্ষার নিষেধাজ্ঞায় নদীতে নামতে পারছেন না জেলেরা; কেউ দিনমজুরি, কেউ দিনে ২০০-৩০০ টাকায় জাল মেরামত করছেন, অনেকে দাদন ও এনজিও ঋণে চলছেন।
মৎস্য৮ থেকে ২৯ অক্টোবর মা ইলিশ রক্ষার নিষেধাজ্ঞায় নদীতে নামতে পারছেন না জেলেরা; কেউ দিনমজুরি, কেউ দিনে ২০০-৩০০ টাকায় জাল মেরামত করছেন, অনেকে দাদন ও এনজিও ঋণে চলছেন।
মাছ কমে যাওয়া, জ্বালানি তেলের দাম, দফায় দফায় নিষেধাজ্ঞা আর এনজিও ও মহাজনের ঋণের চাপে ভোলার চরফ্যাশন-মনপুরার জেলেদের অনেকে বিকল্প পেশা খুঁজছেন।
মৌসুমের শেষে পোনাবালিয়া, দেউরি ও নলছিটির মাটিভাঙ্গার জেলেরা জাল ফেলেও কাঙ্ক্ষিত মাছ পাচ্ছেন না; জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এনামুল হক বলছেন, জুন-সেপ্টেম্বরে আহরণ লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছায়নি, অন্য জেলায় ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ মিললেও এখানে নয়, দূষণ ও পলি কারণ হতে পারে।
মৎস্যআকাশছোঁয়া দামে লাগাম টানতে ২০২৫ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর ইলিশের আকার ও ওজন অনুযায়ী সর্বোচ্চ খুচরা দাম বেঁধে দেওয়ার সুপারিশ করে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন। সমীক্ষায় দাম বাড়ার পেছনে মধ্যস্বত্বভোগী ও দাদন ব্যবসায়ীদের ভূমিকাকেই বড় করে দেখা হয়।