মিরসরাইয়ে ১ মণ ধান ১৪০০ টাকা
# ৯০ হাজার ৪৪০ মেট্রিক টন ধান উৎপাদন# ৬০ হাজার ৪২৭ মেট্রিক টন চাল উৎপাদন# প্রতি মণ ধান বিক্রি হচ্ছে ১৪০০ টাকা
# ৯০ হাজার ৪৪০ মেট্রিক টন ধান উৎপাদন# ৬০ হাজার ৪২৭ মেট্রিক টন চাল উৎপাদন# প্রতি মণ ধান বিক্রি হচ্ছে ১৪০০ টাকা
উদয়ন প্লাস জাতের টমেটো চাষে ব্যাপক লাভের আশা করছেন কৃষক। বাজারদর ভালো, পরিশ্রম ও খরচ তুলনামূলক কম হয় বলে উচ্চফলনশীল জাতের এ টমেটো চাষে ঝুঁকছেন অনেক কৃষক। ফেনী জেলার বিভিন্ন উপজেলার মাঠ ঘুরে এমন চিত্রই দেখা গেছে।
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে বরই চাষে সফল হয়েছেন মো. মুসলিম উদ্দিন। প্রথমবারই সফলতার মুখ দেখেছেন তিনি। প্রতিদিন বিক্রি করছেন বাগানের বরই। কোনো ধরনের কেমিক্যাল ছাড়া উৎপাদিত এ বরইয়ের বেশ চাহিদা আছে। তিনি উপজেলার কাটাছড়া ইউনিয়নের পূর্ব কাটাছড়া গ্রামের মরহুম মৌলভী মাঈন উদ্দিনের ছেলে। তিনি এইচএসসি পাস করার পর ক
ঈশ্বরদীর মাঠে মাঠে চলছে মধু সংগ্রহের কাজ। ফুলে ফুলে মধু আহরণে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে মৌমাছিরা। সরিষা ক্ষেতের পাশে সারি সারি মৌবক্স। স্থানীয় কৃষি বিভাগ বলছে, সরিষা ক্ষেতের পাশে মৌবক্স স্থাপন করলে মৌমাছি মধু সংগ্রহের ফলে পরাগায়ন বৃদ্ধি পেয়ে ফলন বেশি হয়। অন্যদিকে মধু বিক্রি করে বিপুল অর্থ উপার্জন হয়। এর আ
রফিক শেখ রাজবাড়ী সদর উপজেলার বরাটের নয়নসুখ এলাকার কৃষক। এবছর তিনি ৫ বিঘা জমিতে হাইব্রিড টমেটোর চাষ করেছেন। ফলন ও দাম ভালো হওয়ায় লাভের আশাও করছেন। তার মতো আনোয়ার শেখ, সুলতানা বেগম, সামছুল সরদার, সাত্তার মোল্লাসহ অনেক টমেটো চাষি লাভের আশা করছেন। বর্তমান যেভাবে ২০-২৭ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন, শেষ
কিশোরগঞ্জের হাওর এলাকায় বিনা চাষে মাসকলাই উৎপাদনে সফল হয়েছে কিশোরগঞ্জ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএআরআই) সরেজমিন গবেষণা বিভাগ। ৮০-৮৫ দিনে কৃষক এ মাসকলাই ঘরে তুলতে পারবেন। এতে আমিষের পরিমাণ ২১-২৪ শতাংশ। ফলন হেক্টর প্রতি ১৫০০-১৬০০ কেজি। এ মাসকলাইয়ের জাত হলদে মোজাইক রোগ প্রতিরোধী।
সবজি চারার গ্রাম হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে যশোর সদর উপজেলার আব্দুলপুর ও বাগডাঙ্গা গ্রাম। এ দুই গ্রামের দেড় শতাধিক কৃষক প্রতি মৌসুমের আট মাসে বিভিন্ন সবজির প্রায় ১২ কোটি চারা উৎপাদন করেন। যা বিক্রি করেন প্রায় ১৫ কোটিতে। এসব চারা ছড়িয়ে পড়েছে সারাদেশে।
তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশার কারণে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে আবাদ করা শিম গাছের ফুল ঝরে পড়েছে। এতে ফলন বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন কৃষকেরা। প্রতি বছর এ সময়ে ফলন বাজারে এলেও ফুল ঝরে যাওয়ায় এখনো ফলন আসছে না। ফলন বিপর্যয় হলে লোকসানে পড়তে পারেন তারা।
কোনো প্রকার চাষ ছাড়াই লবণাক্ত এলাকায় মাছের ঘেরে সরিষা চাষ করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন খুলনার পাইকগাছা উপজেলার হারুন গাজী। পানি সেচে মাছ ধরার পর সেই ঘেরে কোনো চাষ ছাড়াই ৮০ বিঘা জমিতে সরিষা চাষ করেছেন তিনি।
যশোরের শার্শা উপজেলায় কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় রকমারি সবজি চাষি মনজুরুল আহসান স্কোয়াস চাষ করে সফল হয়েছেন। শীত মৌসুমে অন্য সবজির পাশাপাশি এক বিঘা জমিতে স্কোয়াস চাষ করে একদিকে যেমন সফল হয়েছেন, অন্যদিকে লাভবানও হয়েছেন।
তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশার কারণে নষ্ট হচ্ছে বোরোর বীজতলা। নষ্ট হচ্ছে কৃষকের শিম, লাউ, করলা, মিষ্টি কুমড়া, আলু, শাক-সবজিসহ বিভিন্ন কৃষি ক্ষেত। উল্লেখ্য, মৌসুমের এ সময়ে মাঠে শীতকালীন ফসল আলু, টমেটো, বেগুন, মরিচ, সরিষা, শিমসহ বিভিন্ন জাতের সবজি রয়েছে। এছাড়া কোথাও কোথাও বোরোর বীজতলা রয়েছে আবার কোথাও বোরো
পটুয়াখালী জেলায় বাড়ছে শসার চাষ। কৃষকেরা সারাবছরই শসা চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন। চাহিদা ও দাম ভালো পাওয়ায় অনেক কৃষক শসা চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। ফলে এলাকার কৃষকদের আর্থসামাজিক অবস্থার যেমন উন্নতি হচ্ছে; পাশপাশি জেলার বাইরেও পটুয়াখালীর উৎপাদিত শসা সরবরাহ করা হচ্ছে।
জয়পুরহাটের চারপাশ মৌমাছির গুঞ্জন আর সরিষা ফুলে সেজেছে নতুন রূপে। শীত মৌসুমে জেলার প্রায় প্রতিটি ফসলের মাঠ এখন সরিষা ফুলের দখলে। অন্যের সরিষা ক্ষেতকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন স্থানে মৌবাক্স স্থাপন করে মধু আহরণ করছেন অনেক মৌচাষি। মৌচাষে একদিকে লাভবান হচ্ছেন মৌয়াল, অপরদিকে ফুলের কৃত্রিম পরাগায়নে ফলন বাড়ছে চ