রাসায়নিক সারের সংকটে চুয়াডাঙ্গার কৃষকের ভরসা কেরুর ‘সোনার দানা’ জৈব সার
চিনিকলের প্রেসমাড থেকে তৈরি কেরুর জৈব সারের ৫০ কেজির বস্তা ৯০০ টাকা, যেখানে রাসায়নিক সারের বস্তা কিনতে কৃষকের লাগছে ২,৫০০ থেকে ৩,০০০ টাকা।
চিনিকলের প্রেসমাড থেকে তৈরি কেরুর জৈব সারের ৫০ কেজির বস্তা ৯০০ টাকা, যেখানে রাসায়নিক সারের বস্তা কিনতে কৃষকের লাগছে ২,৫০০ থেকে ৩,০০০ টাকা।
শাকসবজিজর্জিয়ায় দুই বছরের মাঠ গবেষণায় দেখা গেছে, মুরগির বিষ্ঠাভিত্তিক সার ও চরম আবহাওয়া পেঁয়াজের জমির মাটিতে ই. কোলাই কত দিন বাঁচবে তা প্রভাবিত করে।
ছাদকৃষিবাগান, বারান্দা বা ছাদের টবেই জৈব পদ্ধতিতে রসুন ফলানো যায়; অক্টোবর-নভেম্বরে কোয়া পুঁতে, মালচিং ও পরিমিত পানিতে যত্ন নিয়ে গ্রীষ্মের শেষে তোলা যায় টাটকা রসুন।
এগ্রোটেকলন্ডনের ওয়ার্ল্ড এগ্রি-টেক ইনোভেশন সামিটে বক্তারা বলেছেন, জৈব বালাইনাশক ও জৈব সার সফল হবে প্রচলিত ফসল ব্যবস্থাপনার সঙ্গে নির্ভরযোগ্যভাবে কাজ করে; ইউরোপে অনুমোদনের দীর্ঘসূত্রতা বড় বাধা।
ফসল‘কভার ক্রপস: ইমপ্রুভিং সয়েল হেলথ, স্টুয়ার্ডশিপ অ্যান্ড প্রফিটেবিলিটি অন দ্য ফার্ম’ নির্দেশিকার দ্বিতীয় সংস্করণে নতুন অধ্যায় আর ১২ কৃষকের অভিজ্ঞতা যোগ হয়েছে; অনলাইনে বিনা মূল্যে পড়া যাবে।
জৈবক্যালিফোর্নিয়ার চিকো স্টেট ইউনিভার্সিটি ফার্মে তৈরি কম্পোস্ট বাতাস দেওয়া পানিতে নেড়ে নির্যাস বানানো হয়, তারপর ড্রিপ সেচে জমিতে দেওয়া হয় মাটির ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়ার জন্য।
ফসলসিঙ্গাপুরের আইসিস-ইউসুফ ইসহাক ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক পল টেং বলেছেন, আসিয়ানের পুনরুৎপাদনশীল কৃষির কাঠামো আছে, কিন্তু ১০ কোটি কৃষকের ফসলহানি, বিমা ও অর্থায়ন এক সুতোয় গাঁথার ব্যবস্থা নেই।
জাব পোকা, সাদা মাছি ও শোষক পোকা দমনে হলুদ ও নীল আঠালো ফাঁদ একটি অবিষাক্ত পদ্ধতি; কৃষি সংশ্লিষ্টদের হিসাবে কীটনাশকে হেক্টরে ৩০-৪০ হাজার টাকার বদলে ফাঁদে খরচ ৭-৮ হাজার টাকা।
জৈবকানাডার ম্যানিটোবার রেড রিভার মেটিস খামারি টাইলার লি ২০১৯ সালে শূন্য চাষ ও শিমজাতীয় ফসলনির্ভর পুনরুৎপাদনশীল পদ্ধতিতে যান; যে মাঠে আগে ছয় বেল খড় হতো, গত বছর সেখানে হয়েছে প্রায় ১৯০ বেল।
ফসলকর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্রের ১৩টি স্থানে ছয় প্রজাতির আচ্ছাদন ফসলের বাণিজ্যিক জাত তুলনা করা হয়েছে; নিউইয়র্কে সিরিয়াল রাইয়ের এনডি গার্ডনার জাতে বসন্তে সবচেয়ে বেশি জৈববস্তু মিলেছে।
জৈবহোল আর্থ ফার্মিং বইয়ে হিউ লক প্রস্তাব করেছেন, ২৪ কোটি ক্ষুদ্র কৃষক পরিবারকে পুনরুৎপাদনশীল কৃষি ও কৃষিবনায়নে সহায়তা দিলে ২০৫০ সাল পর্যন্ত বাড়তি খাদ্যচাহিদা মেটানো সম্ভব; হাইতিতে তাঁর সংগঠনের সদস্যদের ফলন বেড়েছে প্রায় ৪০ শতাংশ।
জৈবগাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে বছরে প্রায় ৪ লাখ ৪৭ হাজার টন গোবর হলেও প্রক্রিয়াজাত জৈব সার হচ্ছে মাত্র ৭০ হাজার টন; ঘাটতি মেটাতে বছরে বাড়তি ১,২০০ টন রাসায়নিক সার লাগছে, দাম প্রায় ২ কোটি ৭৯ লাখ টাকা।
জৈবশস্য ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানটির চতুর্থ বার্ষিক প্রতিবেদন বলছে, ২০২৫ সালে ১১ দেশের ১০ ফসলে কর্মসূচিগুলো আঞ্চলিক মানদণ্ডের তুলনায় প্রায় ৯ লাখ ৪৬ হাজার টন কার্বন-সমতুল্য নিঃসরণ কমিয়েছে।