এক সপ্তাহে ভারত গেলো ৪১১ টন ইলিশ
বেনাপোল বন্দর দিয়ে এক সপ্তাহে ১৩১ ট্রাকে ৪১১ টন ৩০০ কেজি ইলিশ ভারতে রপ্তানি হয়েছে। শনিবার (৫ অক্টোবর) ১৩ ট্রাকে করে ৪২ টন ইলিশ ভারতে রপ্তানি হয়েছে বলে বেনাপোল স্থলবন্দরের উপ-পরিচালক (ট্রাফিক) রাশেদুল সজিব নাজির।
বেনাপোল বন্দর দিয়ে এক সপ্তাহে ১৩১ ট্রাকে ৪১১ টন ৩০০ কেজি ইলিশ ভারতে রপ্তানি হয়েছে। শনিবার (৫ অক্টোবর) ১৩ ট্রাকে করে ৪২ টন ইলিশ ভারতে রপ্তানি হয়েছে বলে বেনাপোল স্থলবন্দরের উপ-পরিচালক (ট্রাফিক) রাশেদুল সজিব নাজির।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, ইলিশ আমাদের সম্পদ। অথচ ইলিশের দাম বেশি হওয়ায় সাধারণ মানুষ সেটি খেতে পারে না। এটা বড় ধরনের অন্যায়। এ অন্যায় থেকে আমরা কীভাবে পরিত্রাণ পেতে পারি সে চেষ্টা করতে হবে।
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে ধানের চারা ও মৎস্য চাষীদের মাঝে মাছ বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত শতাধিক পরিবাররে মাঝে সার ও খাদ্যসহ মুরগী, সিমের চারাসহ বিভিন্ন সবজির বীজ বিতরণ করা হয়।
দিনাজপুরে ৪০০ থেকে দুই হাজার ২০০ টাকা কেজি দরে ইলিশ বিক্রি হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) শহরের বাহাদুর বাজার ঘুরে এ চিত্র জানা গেছে।
চাঁদপুরে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন বলেছেন, অন্য যে কোনো সময়ের তুলনায় এবারের অভিযান কঠোরভাবে পরিচালনা করা হবে। অন্য বছরের তুলনায় এ বছর মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে আমরা কঠোরভাবে মনিটরিং করবো। অভিযান চলাকালে আমরা কোনো জেলেকে নদীতে নামতে দিবো না। যদি কেউ আইন অমান্য করে, তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্য
যশোরের বেনাপোল বন্দর দিয়ে গত পাঁচদিনে ৯১ ট্রাকে করে ভারতে ২৭৭ টন ৩০০ কেজি ইলিশ রপ্তানি হয়েছে। বুধবার (২ অক্টোবর) বিকেলে বেনাপোল স্থলবন্দরের উপ-পরিচালক রাশেদুল সজিব নাজির এ তথ্য জানান।
ইলিশ মাছের স্বাদ ও গন্ধ সবাইকে মুগ্ধ করে। এই মাছে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও খনিজ উপাদান। যা স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী। এখনই সময় ইলিশ খাওয়ার।
বর্ষা এলেই ইলিশ মাছের চাহিদা বেড়ে যায়। এ সময় সহজলভ্য হয়ে ওঠে জাতীয় এই মাছ। শুধু স্বাদেই নয়, স্বাস্থ্যের জন্যও অনেক উপকারী এই মাছ। বর্ষায় প্রায় প্রতিদিনই সবার ঘরে ইলিশের বাহারি পদ রান্না হয়। তবে দৈনিক ইলিশ মাছ খেলে কী হয় তা হয়তো অনেকেরই অজানা।
বর্তমানে কৃষিকাজে নতুন নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে কৃষকেরা খুব সহজে চাষ করতে পারছেন। একই সঙ্গে ভালো আয় করছেন। এর মধ্যে অ্যাকোয়াপনিক্স কৌশল অন্যতম। পানি সংকটের কারণে অ্যাকোয়াপনিক্স প্রযুক্তি ব্যবহার করে চাষ করা খুবই লাভজনক। এ পদ্ধতিতে চাষ করলে প্রায় ৯০ শতাংশ পানি সাশ্রয় করা যায়।
ইলিশ পছন্দ করেন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়াও দুষ্কর। এখনই সময় মন ভরে ইলিশ খাওয়ার। তবে ইলিশ মাছ কিনতে গেলে কমবেশি সবাই দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। কোনটি নদীর আর কোনটি সমুদ্রের, কোন মাছটি সুস্বাদু কিংবা কোনটিতে ডিম আছে তা বুঝে উঠতে পারেন না অনেকেই।
দেশে প্রতি কেজি ইলিশের সর্বোচ্চ দাম ৭০০ টাকা নির্ধারণ চেয়ে সংশ্লিষ্টদের আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী খন্দকার হাসান শাহরিয়ার এ আইনি নোটিশ পাঠান।
যশোরের বেনাপোল বন্দর দিয়ে আরও ৪৫ টন ২০০ কেজি ইলিশ ভারতে রপ্তানি হয়েছে। শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে মান যাচাই শেষে ছাড়পত্র দেয় বন্দর কর্তৃপক্ষ।
ভারতে রপ্তানির খবরে ঢাকার বাজারে ইলিশের দাম কেজিতে বেড়েছে ২০০ টাকা। চলতি মৌসুমের শুরু থেকেই ইলিশের দাম ছিল চড়া। এরমধ্যে নতুন করে দাম বাড়ার ফলে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তের নাগালের বাইরে চলে গেছে জাতীয় মাছ ইলিশ।