মিরসরাইয়ে ১ মণ ধান ১৪০০ টাকা
# ৯০ হাজার ৪৪০ মেট্রিক টন ধান উৎপাদন# ৬০ হাজার ৪২৭ মেট্রিক টন চাল উৎপাদন# প্রতি মণ ধান বিক্রি হচ্ছে ১৪০০ টাকা
# ৯০ হাজার ৪৪০ মেট্রিক টন ধান উৎপাদন# ৬০ হাজার ৪২৭ মেট্রিক টন চাল উৎপাদন# প্রতি মণ ধান বিক্রি হচ্ছে ১৪০০ টাকা
রাজশাহীর বিভিন্ন অঞ্চলে আমগাছে দেখা দিয়েছে মুকুল। আগাম জাতের গাছগুলোতে মুকুল আসতে শুরু করেছে। আর সব গাছে মুকুল আসতে সময় লাগবে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত। এখন পর্যন্ত তীব্র শীতে মুকুলের ক্ষতি না হলেও শঙ্কায় রয়েছেন কৃষকরা।
সারাদেশে ধান-চাল মজুতবিরোধী অভিযান পরিচালনা করেছে খাদ্য মন্ত্রণালয়। অভিযানে অবৈধভাবে ধান-চাল মজুতের অপরাধে শতাধিক প্রতিষ্ঠানকে ৫ লাখ ৮ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
ফাল্গুন এখনো আসেনি। চলছে শীতের ভরা মৌসুম। অথচ এরমধ্যেই দিনাজপুরের কিছু আমগাছে আসতে শুরু করেছে মুকুল। বেশকিছু এলাকায় গাছে উঁকি দিচ্ছে আমের মুকুল। মুকুলের পরিমাণ কম হলেও এর সৌরভ ছড়িয়ে পড়ছে বাতাসে।
ছোটবেলায় রংপুরে এক বাসায় বেড়াতে গিয়ে দেখেছিলাম বাঘের চামড়া সাজিয়ে রাখা হয়েছে বসবার ঘরের টেবিলের উপর। খুলনায় আরেকটি বাড়িতে গিয়ে দেখেছি শিকারির পোশাকপরা একদল মানুষ বাঘের মৃতদেহর উপর পা রেখে ছবি তুলেছেন। ওনারা সেই পরিবারের পূর্বপুরুষ। একসময় তাদের বনেদিয়ানা ছিল কিন্তু এখন তারা সাধারণ চাকুরিজীবী মানুষ। স
ঢাকাসহ সারাদেশে ধান-চাল মজুতবিরোধী অভিযান পরিচালনা করেছে খাদ্য মন্ত্রণালয়। অভিযানে অবৈধভাবে ধান-চাল মজুতের অপরাধে শতাধিক প্রতিষ্ঠানকে ৮ লাখ ৯৩ হাজার ১৫০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
দেশে সারের পর্যাপ্ত মজুত আছে। বোরো মৌসুমে কোনো সংকট হবে না বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুস শহীদ।
নওগাঁর সীমান্তবর্তী উপজেলাগুলোর মধ্যে একটি সাপাহার। তিন বছর আগেও এ উপজেলার পরিচিতি কেবল নওগাঁ ও আশপাশের দুই-একটি জেলার মানুষের মাঝেই সীমাবদ্ধ ছিল। তবে আমের বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে সুখ্যাতি ছড়ানোয় এখন সেই পরিচিতির গন্ডি ছড়িয়েছে দেশজুড়ে। সেটিকে আরও সম্প্রসারিত করতে সাপাহার উপজেলা পরিষদ চত্বরের সামনে
উদয়ন প্লাস জাতের টমেটো চাষে ব্যাপক লাভের আশা করছেন কৃষক। বাজারদর ভালো, পরিশ্রম ও খরচ তুলনামূলক কম হয় বলে উচ্চফলনশীল জাতের এ টমেটো চাষে ঝুঁকছেন অনেক কৃষক। ফেনী জেলার বিভিন্ন উপজেলার মাঠ ঘুরে এমন চিত্রই দেখা গেছে।
চালের বাজার স্বাভাবিক রাখতে বড় শিল্পগ্রুপগুলোর লাগাম টানার কথা বলছেন এক শ্রেণির ব্যবসায়ী। অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির জন্য অভিযোগ দেওয়া হচ্ছে বড় গ্রুপগুলোর বিরুদ্ধে। খাদ্যমন্ত্রীও তাতে সায় দিয়ে সত্যতা যাচাইয়ে ডেকে বৈঠক করেছেন। অথচ উৎপাদন সক্ষমতা বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, দেশের বাজারে বিক্রিত চালের মধ্যে বড়
ভোক্তাদের স্বার্থবিরোধী বিভিন্ন অপরাধ প্রতিরোধে ঢাকাসহ সারাদেশে মজুতবিরোধী অভিযান পরিচালনা করেছে খাদ্য মন্ত্রণালয়। অভিযানে অবৈধভাবে ধান-চাল মজুতের অপরাধে শতাধিক প্রতিষ্ঠানকে ২১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর উদ্দেশে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, বাজারে প্রতিযোগিতা করে ধান কেনা থেকে বিরত থাকতে হবে। ক্যাপাসিটির বেশি অবৈধ মজুত করলে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে বরই চাষে সফল হয়েছেন মো. মুসলিম উদ্দিন। প্রথমবারই সফলতার মুখ দেখেছেন তিনি। প্রতিদিন বিক্রি করছেন বাগানের বরই। কোনো ধরনের কেমিক্যাল ছাড়া উৎপাদিত এ বরইয়ের বেশ চাহিদা আছে। তিনি উপজেলার কাটাছড়া ইউনিয়নের পূর্ব কাটাছড়া গ্রামের মরহুম মৌলভী মাঈন উদ্দিনের ছেলে। তিনি এইচএসসি পাস করার পর ক
ঈশ্বরদীর মাঠে মাঠে চলছে মধু সংগ্রহের কাজ। ফুলে ফুলে মধু আহরণে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে মৌমাছিরা। সরিষা ক্ষেতের পাশে সারি সারি মৌবক্স। স্থানীয় কৃষি বিভাগ বলছে, সরিষা ক্ষেতের পাশে মৌবক্স স্থাপন করলে মৌমাছি মধু সংগ্রহের ফলে পরাগায়ন বৃদ্ধি পেয়ে ফলন বেশি হয়। অন্যদিকে মধু বিক্রি করে বিপুল অর্থ উপার্জন হয়। এর আ
নোয়াখালীর প্রত্যন্ত অঞ্চলে ইরিবোরো চাষের ধুম পড়েছে। তবে এবার সার-শ্রমিকসহ প্রয়োজনীয় উপকরণের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিতে দিশাহারা হয়ে পড়েছেন চাষিরা।
আমের জন্য সেরা চাঁপাইনবাবগঞ্জ। এ জেলার আম দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্ববাজারে সুনাম কুড়িয়েছে বহুবার। তবে এসব কার্যক্রম শুধু আমের সিজনে দেখা যায়। কিন্তু এবার ঘটল ভিন্ন ঘটনা। মুকুল আসার আগেই নিরাপদ, রাসায়নিকমুক্ত ও রপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদনের লক্ষ্যে চাষিদের সঙ্গে চুক্তি করে বাগান লিজ নিচ্ছে মেসার্স ফার্মইমা
রফিক শেখ রাজবাড়ী সদর উপজেলার বরাটের নয়নসুখ এলাকার কৃষক। এবছর তিনি ৫ বিঘা জমিতে হাইব্রিড টমেটোর চাষ করেছেন। ফলন ও দাম ভালো হওয়ায় লাভের আশাও করছেন। তার মতো আনোয়ার শেখ, সুলতানা বেগম, সামছুল সরদার, সাত্তার মোল্লাসহ অনেক টমেটো চাষি লাভের আশা করছেন। বর্তমান যেভাবে ২০-২৭ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন, শেষ
নোয়াখালীর মো. দেলোয়ার হোসেন রাজধানীর বুকে ১৭ বছর ধরে করছেন নার্সারির ব্যবসা। বৃক্ষের প্রতি ভালোবাসা থেকেই তার এ পেশায় আগমন। বর্তমানে রাজধানীর ইস্কাটন রোড এবং আশিয়ান সিটিতে সুসজ্জিত ভাবে পরিচালনা করছেন নিজের নার্সারি।
বিলজুড়ে দেখা মেলে নানা রঙের পাখি। শোনা যায় কিচিরমিচির। দেখে সব কয়টির নাম বলা একটু কঠিন। বিলের স্বচ্ছ জলের ওপর দিয়ে ডানা ঝাপটে উড়ে বেড়াচ্ছে তারা। বগুড়ার গাবতলী উপজেলার নেপালতলী ইউনিয়নের ফসলের মাঠের বুকে বুরুঙ্গি বিলে দেখা যাচ্ছে এমন দৃশ্য।
পাখ-পাখালি সংরক্ষণে গণসচেতনতা বাড়াতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) অনুষ্ঠিত হচ্ছে দিনব্যাপী পাখিমেলা।
কিশোরগঞ্জের হাওর এলাকায় বিনা চাষে মাসকলাই উৎপাদনে সফল হয়েছে কিশোরগঞ্জ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএআরআই) সরেজমিন গবেষণা বিভাগ। ৮০-৮৫ দিনে কৃষক এ মাসকলাই ঘরে তুলতে পারবেন। এতে আমিষের পরিমাণ ২১-২৪ শতাংশ। ফলন হেক্টর প্রতি ১৫০০-১৬০০ কেজি। এ মাসকলাইয়ের জাত হলদে মোজাইক রোগ প্রতিরোধী।
সবজি চারার গ্রাম হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে যশোর সদর উপজেলার আব্দুলপুর ও বাগডাঙ্গা গ্রাম। এ দুই গ্রামের দেড় শতাধিক কৃষক প্রতি মৌসুমের আট মাসে বিভিন্ন সবজির প্রায় ১২ কোটি চারা উৎপাদন করেন। যা বিক্রি করেন প্রায় ১৫ কোটিতে। এসব চারা ছড়িয়ে পড়েছে সারাদেশে।
তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশার কারণে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে আবাদ করা শিম গাছের ফুল ঝরে পড়েছে। এতে ফলন বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন কৃষকেরা। প্রতি বছর এ সময়ে ফলন বাজারে এলেও ফুল ঝরে যাওয়ায় এখনো ফলন আসছে না। ফলন বিপর্যয় হলে লোকসানে পড়তে পারেন তারা।
সারিবদ্ধভাবে রাখা হয়েছে ৪৮টি লাভবার্ডসের খাঁচা। খাঁচাগুলোর সম্মুখভাগে যুক্ত করা হয়েছে খড়কুটোযুক্ত ছোট ছোট কাঠের বাক্স। প্রতিটি বাক্সের মধ্যে এখন চলছে লাভবার্ডসগুলোর ডিমে তা দেওয়ার প্রস্তুতি। ডিম ফোটার ১৫ দিনের মাথায় এসব খাঁচা থেকে বের করে আনা হবে বিভিন্ন প্রজাতির ফুটফুটে লাভবার্ডসের ছানা।
কোনো প্রকার চাষ ছাড়াই লবণাক্ত এলাকায় মাছের ঘেরে সরিষা চাষ করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন খুলনার পাইকগাছা উপজেলার হারুন গাজী। পানি সেচে মাছ ধরার পর সেই ঘেরে কোনো চাষ ছাড়াই ৮০ বিঘা জমিতে সরিষা চাষ করেছেন তিনি।
চট্টগ্রামে ক্রেতা সেজে ১২টি সুন্দি প্রজাতির কচ্ছপসহ দুই বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বনবিভাগ। বুধবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুরে নগরীর কোতোয়ালি থানার লালদিঘীর পশ্চিমপাড় এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
বহুমুখী প্রয়োজনেই ছাদকৃষি এখন সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠছে। রাজধানী, শহর, উপশহর থেকে গ্রাম সবখানেই ছাদকৃষি অনুশীলনের প্রমাণ মিলছে। গণমাধ্যমের অব্যাহত প্রচারণার প্রভাব আর কৃষির প্রতি ভালোবাসার টানে এবার ছাদকৃষি গড়ে তোলার দৃষ্টান্ত পাওয়া গেল প্রত্যন্ত গ্রামের এক প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবনের ছাদে।
দেশে কৃষিপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে মধ্যস্বত্বভোগীদের ধ্বংস করে দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুস শহীদ।
যশোরের শার্শা উপজেলায় কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় রকমারি সবজি চাষি মনজুরুল আহসান স্কোয়াস চাষ করে সফল হয়েছেন। শীত মৌসুমে অন্য সবজির পাশাপাশি এক বিঘা জমিতে স্কোয়াস চাষ করে একদিকে যেমন সফল হয়েছেন, অন্যদিকে লাভবানও হয়েছেন।
চট্টগ্রামের রাউজানে ৪০ কেজি ওজনের ১৫ ফুট লম্বা একটি অজগর সাপ উদ্ধার করেছে ‌'স্নেক রেসকিউ বাংলাদেশ'। মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে রাউজান থানাধীন ৯ নম্বর পাহাড়তলী ইউনিয়নের ঊনসত্তরপাড়া গ্রামের বশির মোহাম্মাদ শাহ পাড়া এলাকা থেকে সাপটি উদ্ধার করা হয়।
তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশার কারণে নষ্ট হচ্ছে বোরোর বীজতলা। নষ্ট হচ্ছে কৃষকের শিম, লাউ, করলা, মিষ্টি কুমড়া, আলু, শাক-সবজিসহ বিভিন্ন কৃষি ক্ষেত। উল্লেখ্য, মৌসুমের এ সময়ে মাঠে শীতকালীন ফসল আলু, টমেটো, বেগুন, মরিচ, সরিষা, শিমসহ বিভিন্ন জাতের সবজি রয়েছে। এছাড়া কোথাও কোথাও বোরোর বীজতলা রয়েছে আবার কোথাও বোরো
পটুয়াখালী জেলায় বাড়ছে শসার চাষ। কৃষকেরা সারাবছরই শসা চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন। চাহিদা ও দাম ভালো পাওয়ায় অনেক কৃষক শসা চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। ফলে এলাকার কৃষকদের আর্থসামাজিক অবস্থার যেমন উন্নতি হচ্ছে; পাশপাশি জেলার বাইরেও পটুয়াখালীর উৎপাদিত শসা সরবরাহ করা হচ্ছে।
সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার তামাই ফকির পাড়া গ্রাম থেকে দুটি মেছো বাঘ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুরে ওই গ্রামের একটি গভীর পরিত্যক্ত সেপটিক ট্যাংক থেকে প্রাণী দুটিকে উদ্ধার করা হয়।
কুড়িগ্রামে ঘন কুয়াশা আর শীতের প্রকোপ দিন দিন বেড়েই চলেছে। রাতভর বৃষ্টি মতো কুয়াশা আর দিনের বেলা হিম বাতাসে জনজীবন বিপর্যস্ত। তীব্র শীতে বোরো আবাদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা। শিশির থেকে রক্ষা পেতে অনেকে সাদা পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখছেন বীজতলা। আবহাওয়ার এমন পরিস্থিতিতে জমিতে চারা রোপণের সাহস পাচ্ছেন ন
কয়েকদিন ধরেই দেশজুড়ে জেঁকে রয়েছে শীত। দু-এক দিনে শীতের এ তীব্রতা কমে আসার সম্ভাবনাও নেই। দেশের বিভিন্ন এলাকায় কুয়াশার কারণে রোদের দেখা পাওয়া যাচ্ছে না। তীব্র শীতে মানুষ যেমন দুর্ভোগে পড়েছে, তেমন উরাঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার ফসল উৎপাদনেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। একই সঙ্গে বিপাকে পড়েছেন খামারিরা।
জয়পুরহাটের চারপাশ মৌমাছির গুঞ্জন আর সরিষা ফুলে সেজেছে নতুন রূপে। শীত মৌসুমে জেলার প্রায় প্রতিটি ফসলের মাঠ এখন সরিষা ফুলের দখলে। অন্যের সরিষা ক্ষেতকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন স্থানে মৌবাক্স স্থাপন করে মধু আহরণ করছেন অনেক মৌচাষি। মৌচাষে একদিকে লাভবান হচ্ছেন মৌয়াল, অপরদিকে ফুলের কৃত্রিম পরাগায়নে ফলন বাড়ছে চ