ঈদের দিনও চলছে কোরবানির পশু বেচাকেনা
অনেকে হয়তো ঈদের আগে কোরবানির পশু বাজেটের মধ্যে পছন্দ মতো কিনতে পারেননি। তবে রাজধানীর পশুর হাটগুলোতে ঈদের দিনও চলছে কোরবানির পশু কেনাবেচা।
অনেকে হয়তো ঈদের আগে কোরবানির পশু বাজেটের মধ্যে পছন্দ মতো কিনতে পারেননি। তবে রাজধানীর পশুর হাটগুলোতে ঈদের দিনও চলছে কোরবানির পশু কেনাবেচা।
কোরবানির বাজারের শুরু থেকে গরু মালিকরা বেশি দাম চাওয়ায় এবার অন্য বছরের তুলানায় কিছুটা ভিন্নতা দেখা গেছে পশু কেনার ক্ষেত্রে। চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে আগে বেশিরভাগ ঈদের ৫-৬ দিন আগে কেনা হলেও এবার গত দুদিনে বেশি পশু কিনেছেন ক্রেতা। বিশেষ করে শুক্রবার (১৪ জুন) থেকে পুরোদমে বেচাকেনা শুরু হয়েছে। শনি ও রোববার
মুন্সিগঞ্জে সদরের গুরুত্বপূর্ণ মুক্তারপুর-বিনোদপুর সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে গরুর হাটের কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে। এতে পথটি দিয়ে চলাচলকারীদের ব্যাপক দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে। এ নিয়ে কেউ কথা বলতে গেলে লাঠি হাতে তেড়ে আসছেন হাটের স্বেচ্ছাসেবকরা।
রাত পোহালেই ঈদুল আজহা। আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় ওইদিন সারাদেশে পশু কোরবানি করবেন ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা। এরই মধ্যে রাজধানীসহ দেশের পশুর হাটগুলোতে চলছে শেষ সময়ের কেনাবেচা। পাশাপাশি কোরবানির পশুর মাংস কাটার কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জাম হিসেবে কাঠের গুঁড়ি বা খাইট্টা এবং হোগল পাতায় বোনা হোগলা পাটির কদরও বেড়েছে।
এবারের ঈদে রাজধানীতে পশু কোরবানির ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বর্জ্য অপসারণের ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। অন্যদিকে পশু কোরবানির ছয় ঘণ্টার মধ্যে বর্জ্য অপসারণের লক্ষ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) সার্বিক প্রস্তুতি নিয়েছে বলে উত্তরের মেয়র মো.
ঝিনাইদহের শৈলকুপার ইউনুস ব্যাপারী। রাজধানীর হাটে তুলেছেন ২২টা গরু। প্রতিটা গরু মাঝারি মানের। দাম ১ লাখ ১০ থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকার মধ্যে। এর মধ্যে ১৭টি গরু বিক্রি করেছেন সীমিত লাভে। ৫টা গরুর দাম বাড়তি হাঁকছেন তিনি।
এবছর ৬ ঘণ্টায় কোরবানির বর্জ্য অপসারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। এজন্য ১০ হাজারের অধিক পরিচ্ছন্নতা কর্মী নিয়োজিত করা হবে। এছাড়া ডিএনসিসির সব কাউন্সিলর, কর্মকর্তা এবং মেয়র নিজেই মাঠে থাকবেন। বর্জ্য অপসারণের বিষয়টি কেন্দ্রীয়ভাবে মনিটরিংয়ের জন্য কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়েছে
রাজধানীতে কোরবানির পশুর হাট জমে উঠেছে। হাটগুলোতে গরু বিক্রি ভালো হলেও ছাগলের বাজার এখনো জমেনি। এতে করে যারা ছাগল নিয়ে হাটে এসেছেন তারা লোকসানের আশঙ্কা করছেন।
পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে শেষ সময়ে পাবনার ঈশ্বরদীতে জমে উঠেছে কোরবানির পশু বিক্রি। হাটে এবার গরুর দাম অন্যবারের তুলনায় কম হওয়ায় ক্রেতারা খুশি হলেও হতাশ খামারিরা। জমজমাট পশুর হাটে গরু-মহিষের প্রচুর সমাগম হলেও বেশিরভাগ ক্রেতাদের পছন্দ ছোট ও মাঝারি গরু। উপজেলার অরণকোলা ও আওতাপাড়া পশুর হাট ঘুরে গরু বে
আর মাত্র দুদিন পর ঈদুল আজহা। এরই মধ্যে সারাদেশে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর কেনাবেচা। চট্টগ্রামেও জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট। হাটে পর্যাপ্ত গরু-ছাগল পাওয়া গেলেও দাম নিয়ে সন্তুষ্ট নন ক্রেতারা।
কোরবানির পশুর হাট ও বর্জ্য অপসারণ এবং ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম তদারকির জন্য কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ প্রতিষ্ঠা করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। নগর ভবনের শীতলক্ষ্যা হলে এই নিয়ন্ত্রণ কক্ষ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
ঈদুল আজহার বাকি আর মাত্র দুদিন। এরই মধ্যে জমে উঠেছে রাজধানীর শাহজাহানপুরের কোরবানির পশুর হাট। এই হাটে বড় থেকে ছোট সব ধরনের গরু থাকলেও মাঝারি গরুর চাহিদা বেশি। তবে গরুর দাম নিয়ে রয়েছে ক্রেতা-বিক্রেতাদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া।
পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটিতে জমে উঠেছে কোরবানি পশুর হাট। হাটে ক্রেতাদের চাহিদার শীর্ষে রয়েছে পাহাড়ি গরু। পাহাড়ি গরু প্রাকৃতিক সব ধরনের লতা-পাতা খেয়ে বড় হয়। ফলে এ গরুর মাংস স্বাদে সেরা বলে জানান ক্রেতারা।