ফল৯৫ বছর বয়সে দেড় একরে পেঁপে বাগান, সপ্তাহে লাভ দুই হাজার টাকা
বরগুনা সদরের আমতলী-নিমতলী এলাকায় চুক্তিতে নেওয়া দেড় একর জমিতে সাড়ে ৩৫০টি দেশি শাহী পেঁপের গাছ লাগিয়ে নিজেই বাজারে ফল বেচছেন ৯৫ বছরের রুস্তম আলী।
ফলবরগুনা সদরের আমতলী-নিমতলী এলাকায় চুক্তিতে নেওয়া দেড় একর জমিতে সাড়ে ৩৫০টি দেশি শাহী পেঁপের গাছ লাগিয়ে নিজেই বাজারে ফল বেচছেন ৯৫ বছরের রুস্তম আলী।
ফলবিশ্বে ড্রাগন ফলের চাহিদা বাড়লেও দক্ষিণ আফ্রিকার চাষিরা বেশি প্রাথমিক খরচ, আগ্রাসী প্রজাতির অনুমতিপত্র, ভেজা গ্রীষ্ম এবং স্বাদহীন ফলে অভ্যস্ত ক্রেতাদের নিয়ে সমস্যায় আছেন।
ফলরাজবাড়ীর গোয়ালন্দের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক জহির রায়হান দুই বিঘায় শাহী জাতের পেঁপের ২২০টি চারা লাগিয়েছেন; খরচ প্রায় দুই লাখ টাকা, বিক্রি পাঁচ লাখ টাকার আশা।
ফলযুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়ায় এবার বেশির ভাগ পিচ নষ্ট, চেরি ও অ্যাপ্রিকট প্রায় হয়নি; আপেলের ফলন কোথাও স্বাভাবিকের ৭০ শতাংশ, কোথাও তার চেয়ে অনেক কম, ক্ষতি ছড়িয়েছে কর্মসংস্থান ও খামারবাজারেও।
ফলআইল্যান্ড এগ্রো ফার্মের উদ্যোক্তারা বলছেন, দুই লাখ টাকার মতো খরচে সাত-আট লাখ টাকার পেঁপে বিক্রির আশা; গাছপ্রতি গড়ে ৫০-৬০ কেজি।
ফলবছরব্যাপী ফল উৎপাদন প্রকল্পে আনা সিয়াম গ্রিন ও সিয়াম ব্লু জাতের নারকেল বৈজ্ঞানিক পরিচর্যা ও পর্যাপ্ত পানিতে ভালো ফলন দিলেও, চারা লাগিয়ে ফেলে রাখা কৃষকেরা আশানুরূপ ফল পাননি।
ফলজীবননগরে সাড়ে তিন বিঘার আঙুর বাগানের চারা বিক্রি হচ্ছে ৩৫০-৪০০ টাকায়; চায়না কমলার অভিজ্ঞতার পর জাত নিশ্চিত না হয়ে হুজুগে নামার ঝুঁকির কথা বলছেন কৃষকেরা।
পাবনার চাটমোহরের হোগলবাড়িয়া গ্রামের শারমিন খাতুন লিজ নেওয়া দুই বিঘা অনাবাদি জমিতে ভিয়েতনামী ও বারি-১ জাতের মাল্টার বাগান করে গত বছর দুই লাখ টাকার বেশি লাভ করেছেন; এবার সব খরচ বাদে অন্তত চার লাখ টাকা লাভের আশা তাঁর।
জেমস হাটন ইনস্টিটিউট ও অ্যাগ্রিসাউন্ড স্ট্রবেরি, ব্লুবেরি, রাস্পবেরি, ব্ল্যাকবেরি ও চেরিতে পরাগবাহী পতঙ্গের শব্দ পর্যবেক্ষণকে ফল ধরা, ফলন ও মানের সঙ্গে যুক্ত করবে।
ফলবসন্তের তুষারে ফলন ২.৩৬ কোটি বাক্স থেকে কমেছে; পাউন্ডপ্রতি ৭০-৮০ সেন্টের দাম ৬৫-৭০ সেন্ট উৎপাদন খরচ কষ্টে পেরিয়েছে, আর ছোট জৈব চাষিদের ফল আর নিচ্ছে না প্যাকিং হাউস।
জয়পুরহাটের পাঁচবিবির বাগজানা কুড়িপাড়ার হেদায়েত হোসেন শিপলু ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে শাহী, হাইব্রিড ও নাসি কিং জাতের চারা লাগিয়ে জুন থেকে ফল তুলছেন; গাছপ্রতি ৪০-৬০ কেজি, পাকা পেঁপে কেজি ৪০-৬০ টাকা; জেলা কৃষি বিভাগ পরামর্শ দিচ্ছে, প্রতিবেশীরা পরিত্যক্ত জমিতে পেঁপে লাগাতে আসছেন।
ফলছাদ, বারান্দা বা উঠোনে ড্রামে লাগানো একটি আমগাছও বছরের পর বছর ফল দিতে পারে। টবের মাটি, হাফ ড্রাম, আম্রপালিসহ জাত বাছাই, জ্যৈষ্ঠ-আষাঢ়ে রোপণ, সার, মুকুল ঝরা ও পোকা দমন, আর প্রথম বছরের মুকুল কেন ভেঙে দিতে হয়, তার পুরো নিয়ম।
ফলআম নামানোর পর বাগান নিরিবিলি হলেও আগামী মৌসুমের ফলন ঠিক হয় এখনই। ছাঁটাই ও বোর্দো মিশ্রণ, মাটির পিএইচ পরীক্ষা, গাছপ্রতি ১৫ কেজি জৈব সার ও ১ কেজি চুন, মাপা সেচ, মালচিং আর ফুলের সময় বাড়তি পটাশ, মুকুল আসার আগের এই যত্নেই বাড়ে আমের ফলন ও মান।