শেষ প্রান্তিকে জিডিপি প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৪.৬০ শতাংশ
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিসাবে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের চতুর্থ ও শেষ প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) জিডিপি প্রবৃদ্ধি আগের অর্থবছরের একই সময়ের ২ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ থেকে বেড়ে ৪ দশমিক ৬০ শতাংশে উঠেছে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিসাবে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের চতুর্থ ও শেষ প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) জিডিপি প্রবৃদ্ধি আগের অর্থবছরের একই সময়ের ২ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ থেকে বেড়ে ৪ দশমিক ৬০ শতাংশে উঠেছে।
বিবিএসের হিসাবে সেপ্টেম্বরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৩৪ শতাংশে, আগস্টে যা ছিল ৮ দশমিক ২৬ শতাংশ; খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ২২ এবং খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৩০ শতাংশ।
বিবিএসের হিসাবে আগস্টে সার্বিক মূল্যস্ফীতি টানা তৃতীয় মাসে কমে ৮.২৬ শতাংশে নেমেছে; খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৭.০২ শতাংশ, যা গত বছরের একই মাসের চেয়েও কম।
বাংলাদেশের কৃষিজমির বিশাল অংশ এখনো টেকসই চাষের বাইরে রয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)। প্রায় ৫৬ শতাংশ জমি টেকসই চাষের আওতায় আনতে আরও চেষ্টা প্রয়োজন বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
দেশের ১০টি ফসলের উৎপাদন খরচ খুঁজতে ২৭ কোটি ৯৮ লাখ টাকা চায় বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)। এর মধ্যে ১০ কোটি ৪৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা বা ৩৭ দশমিক ৪৭ শতাংশ অর্থই ব্যয় হবে ভ্রমণ খাতে। এই টাকায় দেশজুড়ে ভ্রমণ করবেন চার হাজার ৭৯৫ জন।
ভরা মৌসুমে এবার আমের বাজার কিছুটা অস্বাভাবিক। দাম গত বছরের দ্বিগুণ। হিমসাগর, ল্যাংড়া, আম্রপালি, ফজলিসহ কোনো জাতের আমই মিলছে না প্রতি কেজি ১২০ টাকার নিচে। ভালোমানের হলে খুচরায় গুনতে হচ্ছে আরও বেশি। এবার আম প্যাকেজিং ও উড়োজাহাজ ভাড়াও বাড়তি। দেশে চড়া দামের কারণে মুনাফা কমেছে রপ্তানিকারকদের। শঙ্কায় রপ্ত
বর্তমানে প্রতিনিয়তেই খাদ্য গ্রহণে বৈচিত্র্য দেখা গেছে। বর্তমানে ভাত খাওয়ার পরিমাণ কমছে, বেড়েছে সবজি ও ফলমূল খাওয়ার প্রবণতা। একই সঙ্গে রুটি, ডিম ও দুধ খাওয়ার পরিমাণও বেড়েছে।
দেশে গরু, ছাগল, মহিষ ও হাঁস-মুরগির সংখ্যা বেড়েছে। জমির মালিকানা, জমির ব্যবহার, ফসল, কৃষিতে কর্মসংস্থান, কৃষি যন্ত্রপাতির সংখ্যা ও প্রাণিসম্পদের তথ্য জরিপে উঠে এসেছে এ তথ্য। ২০১৮ সালের ১৪ এপ্রিল থেকে ২০১৯ সালের ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত এ জরিপ করা হয়।