সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

খাদ্য মূল্যস্ফীতি নেমেছে ৭.০২ শতাংশে, আগস্টে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ১০ মাসের সর্বনিম্ন

বিবিএসের হিসাবে আগস্টে সার্বিক মূল্যস্ফীতি টানা তৃতীয় মাসে কমে ৮.২৬ শতাংশে নেমেছে; খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৭.০২ শতাংশ, যা গত বছরের একই মাসের চেয়েও কম।

কয়েক মাসের উচ্চ মূল্যস্ফীতির পর দেশে মূল্যচাপ কমার ধারা অব্যাহত আছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ হিসাবে আগস্টে সার্বিক মূল্যস্ফীতি টানা তৃতীয় মাসে কমে ৮ দশমিক ২৬ শতাংশে নেমেছে, যা গত ১০ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। একই সময়ে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৭ শতাংশের ঘরে নেমে আসায় নিত্যপণ্যের বাজারে চাপ কমার আশা তৈরি হয়েছে।

জুলাইয়ে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৩২ শতাংশ; এক মাসে কমেছে শূন্য দশমিক ০৬ শতাংশীয় পয়েন্ট। এর আগে জুনে ৯ দশমিক ১৬ এবং মে মাসে ৯ দশমিক ৪২ শতাংশ ছিল। অর্থাৎ মে মাসের সর্বোচ্চ হারের পর তিন মাসে মূল্যস্ফীতি কমেছে এক দশমিক ১৬ শতাংশীয় পয়েন্ট।

গত বছরের নভেম্বর থেকে হারটি ছিল যথাক্রমে ৮ দশমিক ২৯, ডিসেম্বরে ৮ দশমিক ৪৯, জানুয়ারিতে ৮ দশমিক ৫৮, ফেব্রুয়ারিতে ৯ দশমিক ১৩, মার্চে ৮ দশমিক ৭১, এপ্রিলে ৯ দশমিক ০৪ এবং মে মাসে ৯ দশমিক ৪২ শতাংশ; এরপর জুন, জুলাই ও আগস্টে ধারাবাহিকভাবে কমেছে।

মূল্যস্ফীতি কমায় বড় ভূমিকা রেখেছে খাদ্যপণ্যের দাম বাড়ার গতি কমে আসা। আগস্টে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ০২ শতাংশে নেমেছে, জুলাইয়ে যা ছিল ৭ দশমিক ১৬ শতাংশ এবং গত বছরের আগস্টে ৭ দশমিক ৬০ শতাংশ। ফলে খাদ্য মূল্যস্ফীতি টানা দ্বিতীয় মাসে কমার পাশাপাশি গত বছরের একই সময়ের চেয়েও নিচে। গ্রামে সার্বিক মূল্যস্ফীতি জুলাইয়ের ৮ দশমিক ৩৬ থেকে কমে ৮ দশমিক ৩১ শতাংশ এবং শহরে ৮ দশমিক ২৪ থেকে ৮ দশমিক ২০ শতাংশ হয়েছে।

সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতির পাশাপাশি সরকারের নীতিগত উদ্যোগও চাপ কমাতে সহায়ক হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ৬০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে উৎসে কর কমানো হয়েছে; কম আয়ের মানুষের জন্য খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি ও ওএমএস সম্প্রসারিত হয়েছে; টিসিবির কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে এবং কম দামে আমদানি করা কিছু নিত্যপণ্য ভর্তুকি ছাড়াই বাজারে বিক্রির নতুন উদ্যোগ নিচ্ছে সংস্থাটি।

সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামানোর লক্ষ্য ঠিক করেছে; আগস্টের হার সেই লক্ষ্যের দিকে অগ্রগতির ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে মূল্যস্ফীতি কমা মানে পণ্যের দাম কমে যাওয়া নয়, দাম বাড়ার গতি আগের চেয়ে কমেছে মাত্র। কৃষক ও ভোক্তা উভয়ের জন্যই তাই খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত দুই খাতে এই নিম্নমুখী ধারা ধরে রাখাই এখন মূল বিষয়।

বাসসের প্রতিবেদন অবলম্বনে।

সূত্র: সমকাল

সমকালসূত্র

বাজার ব্যবস্থাপনা

সম্পর্কিত খবর

এগ্রোটেক

স্যাটেলাইটে ফসলের ফলন পূর্বাভাস এখন পণ্যবাজারের ব্যবসায়ীদের হাতে

যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রাজিলের ফসলের ফলন, উৎপাদন ও আবাদি জমির মৌসুমকালীন স্যাটেলাইটভিত্তিক হিসাব এখন জেমা গ্লোবালের প্ল্যাটফর্মে দেবে স্যাটইল্ড। সরকারি হিসাব আসার আগেই ব্যবসায়ীরা ফসলের অবস্থার স্বাধীন চিত্র পাবেন।

PrecisionAg১৫ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
বাজার ব্যবস্থাপনা

পেঁয়াজের দামে ভারতে সেপ্টেম্বরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৭.৭%

ক্রিসিল ইন্টেলিজেন্সের হিসাবে ভারতে খুচরা মূল্যস্ফীতি আগস্টের ৪.৮% থেকে সেপ্টেম্বরে ৫.৫% এবং খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৬.০% থেকে ৭.৭% হয়েছে। রবি মৌসুমে কম উৎপাদনে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ১০৮.১%।

অ্যাগ্রোস্পেকট্রাম১৪ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

সংসারের টানাটানি সত্ত্বেও গরুর মাংসে বেশি দাম দিতে রাজি মার্কিন ক্রেতারা

কানসাস স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের মিট ডিমান্ড মনিটর বলছে, সেপ্টেম্বরে রিবআই স্টেকে ক্রেতারা পাউন্ডপ্রতি ২০.৭১ ডলার আর কিমায় ১২.১১ ডলার দিতে রাজি ছিলেন, যদিও ৩৭ শতাংশ বলেছেন সংসারের অবস্থা আগের চেয়ে খারাপ।

All Ag News৯ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)