দুই মণের ‘টাইগার’ ও ‘লাল্টু’র দাম দুই লাখ
রাজশাহীর হাটে উঠেছে দুই মণ ওজনের 'টাইগার' ও 'লাল্টু' নামের দুই ছাগল। একেকটির দাম হাঁকা হচ্ছে লাখ টাকা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রাজশাহীর হাটে এই প্রথম এত বড় ছাগলের দেখা মিলেছে। ছাগল দুটি দেখতে অনেকে ভিড় করছেন।
রাজশাহীর হাটে উঠেছে দুই মণ ওজনের 'টাইগার' ও 'লাল্টু' নামের দুই ছাগল। একেকটির দাম হাঁকা হচ্ছে লাখ টাকা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রাজশাহীর হাটে এই প্রথম এত বড় ছাগলের দেখা মিলেছে। ছাগল দুটি দেখতে অনেকে ভিড় করছেন।
ফরিদপুরের সুলতান। পবিত্র ঈদ-উল আজহাকে সামনে রেখে সবার নজর কেড়েছে ৩২ মণ ওজনের ষাড়টি। হলেস্টিয়ান ফ্রিজিয়ান জাতের ষাড় সুলতানকে বিক্রির জন্য দাম চাওয়া হচ্ছে ২৫ লাখ টাকা। এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ দাম উঠেছে ১৮ লাখ টাকা। জেলার মধ্যে বড় গরুগুলোর একটি এই সুলতান।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার একমাত্র কোরবানির পশুর হাটের দরপত্র ডেকে কাঙ্ক্ষিত ইজারামূল্য পাওয়া যায়নি। ফলে পৌরসভা নিজেই পরিচালনা করবে জেলা শহরের ভাদুঘর বাস টার্মিনালের এই পশুর হাট। আগামী ১৩ জুন থেকে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত বসবে এই পশুর হাট।
আসন্ন ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে চুয়াডাঙ্গায় জমে উঠেছে ১১টি পশুর হাট। হাটগুলোতে বাড়ছে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের ভিড়। কোরবানির পশুর দামও ভালো বলে জানাচ্ছেন ব্যবসায়ী ও খামারিরা। চুয়াডাঙ্গার শিয়ালমারী পশুহাট, ডুগডুগি পশুহাট, মুন্সিগঞ্জ পশুহাট এবং আলমডাঙ্গা পশুহাট ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
ব্রাহমা জাতের ষাঁড়। ওজন আনুমানিক ৩০ মণ। কপালে চাঁদের মতো একটি দাগ থাকায় এর মালিক আদর করে নাম রেখেছেন 'কালা চাঁন'। ষাঁড়টির দাম হাঁকা হচ্ছে ১২ লাখ টাকা।
মাদারীপুরের একটি খামারে কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা একটি ষাঁড়ের নাম রাখা হয়েছে 'প্রিন্স মামুন'। এর ওজন আনুমানিক ২৫ মণ। দাম হাঁকা হচ্ছে ১৫ লাখ টাকা। ষাঁড়টি দেখতে ভিড় করছেন অনেকে।
দরজায় কড়া নাড়ছে কোরবানির ঈদ। হাতে সময় আছে আর এক সপ্তাহের মতো। এরই মধ্যে ঢাকার পশুর হাটগুলো বসে গেছে। সেখানে আসা শুরু করেছে কোরবানির পশু। প্রতি ঈদুল আজহায় বিত্তবানরা বড় গরুর পাশাপাশি উট-দুম্বা কোরবানি দিয়ে থাকেন। তাদের জন্য এবারও গাবতলী পশুর হাটে ভারতের রাজস্থানের পুষ্কর থেকে আনা উট-দুম্বা তোলা হয়েছে
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মো. আব্দুর রহমান বলেছেন, দেশে উৎপাদিত পশু দিয়েই কোরবানি হবে। দেশে কোরবানির জন্য পশুর চাহিদা আছে এক কোটি ৭০ লাখের। আর প্রস্তুত আছে এক কোটি ৩০ লাখ, যা চাহিদার চেয়ে অনেক বেশি।
আগামী ১৭ জুন উদযাপিত হবে পবিত্র ঈদুল আজহা। ঈদের বাকি আর মাত্র সপ্তাহখানেক। এরই মধ্যে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ব্যাপারীরা রাজধানীর স্থায়ী ও অস্থায়ী হাটগুলোতে কোরবানির পশু নিয়ে আসতে শুরু করেছেন। এসব হাটে কেনাবেচাও শুরু হয়েছে, তবে খুব সীমিত পরিসরে। মূলত হাটে ক্রেতা আসছেন, পশু দেখছেন, দাম জিজ্ঞাসা করে
ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানীর হাটগুলোতে কোরবানির পশু তোলা শুরু হয়েছে। এতে ক্রেতা-দর্শনার্থীর আগমনও বেড়েছে। বিক্রি না হলেও গরু যাচাই-বাছাই করছেন ক্রেতারা। এদিকে কয়েকটি হাটে এখনো চলছে শেষ সময়ের প্রস্তুতি। রোববার (৯ জুন) সরেজমিন রাজধানীর শাহজাহানপুর ও মেরাদিয়া পশুর হাট ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।
ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানীতে ১৬টি অস্থায়ী পশুর হাটের ইজারা চূড়ান্ত করেছে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে পশু নিয়ে এসব হাটে আসতে শুরু করেছেন খামারি ও কারবারিরা। তবে এখনো হাটগুলোতে বেচাকেনা জমে ওঠেনি। অনেকে এখন হাটে গিয়ে ঘুরে পশু দেখছেন ও দরদাম করছেন।
গাইবান্ধায় জমে উঠছে কোরবানির পশুরহাট। প্রচুর লোক সমাগম হয়েছে। হাটে পর্যাপ্ত পরিমাণে দেশি গরু-ছাগল উঠতে শুরু করেছে। তবে বেচাকেনা কম।
লালমনিহাটের হাতীবান্ধায় কোরবানির ঈদে বিক্রির জন্য প্রস্তুত রাজাবাবু। হলেস্টিয়ান ফ্রিজিয়ান জাতের গরুটি কৃষক শামিম হোসেন তার বাড়িতেই লালন-পালন করছেন গত তিন বছর ধরে। রাজাবাবু নামের ষাঁড়টির ওজন প্রায় ১৬-১৭ মণ। এর দাম ধরা হয়েছে ৮ থেকে ৯ লাখ টাকা।