রাতের আঁধারে ৩৫২ মাল্টা গাছ কাটলো দুর্বৃত্তরা
লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে রাতের আঁধারে কৃষকের ৬ বিঘা মাল্টা বাগানের ৩৫২টি গাছ কেটে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে রাতের আঁধারে কৃষকের ৬ বিঘা মাল্টা বাগানের ৩৫২টি গাছ কেটে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
বিশাল দেহ। চাল-চলনও বাদশাহর মতো। এজন্য শখ করে নাম রাখা হয়েছে 'সুলতান'। সাড়ে তিন বছর বয়সী 'সুলতান'র ওজন প্রায় ৩৭ মণ। দাম হাঁকা হচ্ছে ১২ লাখ টাকা। ষাঁড়টি ঈদুল আজহা উপলক্ষে প্রস্তুত করা হয়েছে।
মনের প্রশান্তি আর পারিবারিক চাহিদা পূরণের চিন্তা থেকে ঢাকার আদাবরের সাথী চক্রবর্তী এবং ডাক্তার এস চক্রবর্তী দম্পত্তি নিজের বাসভবন সাজিয়েছেন। সাড়ে ছয়কাঠা জায়গার উপরে নির্মাণ করা বাড়ির নানাদিকে সমৃদ্ধ কৃষির মতোই গড়েছেন ফল বাগান।
করোনা মহামারির কারণে গত দুই বছর রাজধানীতে বৃক্ষমেলার আয়োজন করা হয়নি। তবে করোনা সংক্রমণ কমে যাওয়ায় দুই বছর পর রাজধানীতে বসেছে বৃক্ষমেলা। আগারগাঁওয়ের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলেন কেন্দ্র সংলগ্ন মাঠে গত ৫ জুন থেকে শুরু হয়েছে মাসব্যাপী বৃক্ষমেলা, যা চলবে ৪ জুলাই পর্যন্ত। এরইমধ্যে প্রকৃতিপ্রেমীদের মিলন
রাজশাহীর পবা উপজেলার পারিলা ইউনিয়নের মোসলেমের মোড় এলাকার চাষি রওনাফ জাহান (৬৫)। বাড়ির পাশেই রয়েছে দুবিঘা আবাদী জমি। গত বছরে তাতে কলা চাষ করেছিলেন। তবে এবার ১৫ কাঠা জমিতে লাগিয়েছেন দেশি জাতের উচ্চ ফলনশীল পেঁপে। 'রেড লেডি' জাতের মতোই ফলন হওয়ায় মাত্র ১৫ কাঠায় দেড় লাখ টাকার পেঁপে বিক্রি আশা করছেন এ পেঁপ
সমন্বিত মাছ চাষ পদ্ধতিতে ঝুঁকছেন সিরাজগঞ্জের তাড়াশের চাষিরা। কয়েকবছর আগেও এই এলাকার পুকুরের পাশের জায়গা ফাঁকা পড়ে থাকত। বর্তমানে পুকুর পাড়ের সেই ফাঁকা জায়গায় গড়ে তুলছেন কলাবাগান। মাছ চাষের পাশাপাশি বাড়তি আয় যোগাচ্ছে কলা চাষ।
শসা, ধুন্দল, চিচিঙ্গা, টমেটো, মরিচ, করলা, বেগুন, তরমুজ, স্কোয়াস ইত্যাদি ফসলে মালচিং পদ্ধতি ব্যবহারে সুফল পাওয়া যাচ্ছে। এর ধারাবাহিকতায় উদ্যান ফসলের মালচিং পদ্ধতি এখন ব্যবহার হচ্ছে মাঠ ফসলেও।
গাজীপুরের শ্রীপুরে গড়ে উঠেছে ত্বীন ফলের বাণিজ্যিক বাগান। ৫ বিঘা জমির বাগানটি এখন ফলে পূর্ণ। উদ্যোক্তারা বলছেন, দেশে দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে ত্বীন ফলের বাগান।
কংক্রিটের শহর থেকে দ্রুতই হারিয়ে যাচ্ছে ফুল ফলের গাছ। কিন্তু মানুষ তার শিকড়কে সহজে ভুলতে পারে না। কিছু মানুষের সখের ছাদবাগানে পরশ মেলে সবুজ প্রকৃতির। তেমনই সৌখিন এক ব্যক্তি মো. আব্দুল ওয়াহাব। জনতা ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র অফিসার মো. আব্দুল ওয়াহাবের ছাদবাগানে দেখা মেলে ভিন্ন এক প্রকৃতির। যেখানে গে
খেজুর রস থেকে তৈরি অমৃত স্বাদের হাজারি গুড় নিয়ে বহুদূর যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে মানিকগঞ্জ জেলার ঐতিহ্যবাহী হাজারি পরিবার। জেলা ব্র্যান্ডিং-এ ওই গুড়ের নাম স্থায়ীভাবে যুক্ত হওয়ার পর এখন সুনির্দিষ্ট ২০টি পরিবার তৈরি করছে হাজারি গুড়। উৎপাদন ও বাজার পর্যায়ে সতর্কতার সঙ্গে অনুসরণ করা হচ্ছে শুদ্ধতা।
সারিবদ্ধভাবে রোপণ করা হয়েছে মাল্টা গাছ। মাল্টা গাছের এ বাগানটি দেখলে যে কারো চোখজুড়িয়ে যাবে। বাগানের মাঝখানে গমের ক্ষেত। এর সঙ্গে লাউ, পেঁয়াজ ও শিমসহ ১১ ধরনের ফসল আবাদ করা হয়েছে। একই জমিতে ১১ ধরনের ফসল আবাদ করে এলাকাজুড়ে চমক সৃষ্টি করেছেন কৃষক আমিরুল ইসলাম।
মাত্র ১০ শতাংশের আবাসিক প্লটে উৎপাদিত ফল-ফসলে মিটতে পারে চার সদস্যের পরিবারের সারা বছরের খাদ্য ও পুষ্টি চাহিদা। এমনি একটি সমন্বিত প্রকল্পের মডেল প্রস্তুত করেছেন মিজানুর রহমান বিজয় নামের এক তরুণ উদ্যোক্তা।
রংপুরে জমে উঠেছে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত গ্রিন মাল্টার বেচাকেনা। অল্প জমিতে এ ফলের উৎপাদন করে লাভবান হওয়ায় ব্যাপকহারে মাল্টা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন এখানকার কৃষকরা। ফলে রংপুর অঞ্চলে