উগান্ডায় প্রবাসী বাংলাদেশির উদ্যোগে মাছ চাষ
পূর্ব আফ্রিকার দেশ উগান্ডায় মাছ চাষ করে সাড়া ফেলেছেন প্রবাসী কয়েকজন বাংলাদেশি। একসময়ের পতিত জঙ্গলে মাছ চাষ করে তারা উন্মোচন করেছেন নতুন এক অর্থনৈতিক সম্ভাবনা। এর ফলে এতে আগ্রহী হচ্ছেন অনেকেই।
পূর্ব আফ্রিকার দেশ উগান্ডায় মাছ চাষ করে সাড়া ফেলেছেন প্রবাসী কয়েকজন বাংলাদেশি। একসময়ের পতিত জঙ্গলে মাছ চাষ করে তারা উন্মোচন করেছেন নতুন এক অর্থনৈতিক সম্ভাবনা। এর ফলে এতে আগ্রহী হচ্ছেন অনেকেই।
মাছের হরমোন প্রক্রিয়াজাত ও রপ্তানি করে সাফল্যের নজির গড়েছেন যশোরের এক উদ্যোক্তা। ইতোমধ্যেই তিনি পরীক্ষামূলক পৃথিবীর ২০টি দেশে রপ্তানি করেছেন পিটুইটারি গ্লান্ড নামের প্রাকৃতিক হরমোন। এই খাতে অনেক সম্ভাবনার কথাও জানাচ্ছেন ওই উদ্যোক্তা।
পর পর কয়েক বছর নদীতে মাতৃমাছ ও জাটকা রক্ষা কর্মসূচি সফল হওয়ার ইলিশের ভরা মৌসুমগুলোর বাইরে আরেকেটি নতুন মৌসুমের আবির্ভাব হয়েছে। তবে ইলিশের প্রাচুর্য বাড়লেও এই অবস্থা ধরে রাখা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে বিজ্ঞানীদের।
সরকারের ‘ওয়ান ডিস্ট্রিক্ট ওয়ান প্রোডাক্ট’ কার্যক্রমের আওতায় শুরু হচ্ছে জেলার ঐতিহ্য ও স্বতন্ত্র পরিচয় তুলে ধরার কর্মসূচি। এ কার্যক্রমে এগিয়ে আছে চাঁদপুর জেলা। আজ শুক্রবার নানান আনুষ্ঠানিকতায় এই জেলা তুলে ধরবে তার পরিচয় ও গর্বের যত কথা। তারা বলছে, ‘ইলিশের বাড়ি চাঁদপুর’।
মাছ উৎপাদনে পৃথিবীর চার নম্বর আসনটি বাংলাদেশের। এ অর্জনের প্রমাণ দেয় ময়মনসিংহের গত বিশ বছরের মাছ চাষ বিপ্লব। এখানে অসংখ্য চাষী তৈরি হলেও মাছ বাজারজাত করার প্রশ্নে ক’দিন আগেও বাজার আর পাইকারদের মুখাপেক্ষী ছিলেন চাষীরা।
কৈ মাছে মড়ক দেখা দেওয়ায় চরম আর্থিক ক্ষতির শিকার হয়েছেন দেশের শত শত খামারি। এই ক্ষতির জন্য তারা দায়ী করছেন হ্যাচারি, খাদ্য কোম্পানি থেকে শুরু করে বিভিন্ন পক্ষকে। এটি ব্যাকটেরিয়া না ভাইরাসজনিত রোগ তা ক্ষতিয়ে দেখার জন্য কাজ করছেন বিজ্ঞানীরা।
বাংলাদেশের দেশী বিলুপ্তপ্রায় মাছ গাং মাগুরের পোনা উৎপাদন গবেষণায় সফল হয়েছেন ময়মনসিংহের হ্যাচারি উদ্যোক্তা নূরুল হক। এক বছর টানা ব্যবহারিক গবেষণার পর এই সাফল্য অর্জন করেন তিনি।