ফসলAEZ-০৬: নিম্ন পুনর্ভবা প্লাবনভূমি
নওগাঁর পশ্চিম প্রান্ত ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের উত্তরাংশে ছড়ানো নিম্ন পুনর্ভবা প্লাবনভূমি, ভারী অম্লীয় কাদামাটি, নিচু অববাহিকা ও মৌসুমি বন্যার এই ছোট কৃষি অঞ্চল কেন অঞ্চলভিত্তিক গড় নয়, মাঠভিত্তিক তথ্যের দাবি রাখে।
তানিয়া চৌধুরী কৃষি গবেষক ও লেখক। কৃষিপ্রযুক্তি, কৃষি উদ্ভাবন, জলবায়ু-সহনশীল কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়ন নিয়ে লেখেন। গবেষণা, কৃষি-তথ্য ও মাঠের অভিজ্ঞতাকে তিনি কৃষক ও পাঠকের জন্য সহজ, কাজের লেখায় রূপ দেন। · ৫৮টি প্রতিবেদন
ফসলনওগাঁর পশ্চিম প্রান্ত ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের উত্তরাংশে ছড়ানো নিম্ন পুনর্ভবা প্লাবনভূমি, ভারী অম্লীয় কাদামাটি, নিচু অববাহিকা ও মৌসুমি বন্যার এই ছোট কৃষি অঞ্চল কেন অঞ্চলভিত্তিক গড় নয়, মাঠভিত্তিক তথ্যের দাবি রাখে।
বাংলাদেশদেশের পঞ্চম কৃষি-পরিবেশ অঞ্চল নিম্ন আত্রাই অববাহিকা, নওগাঁ ও নাটোরের নিচু জমিজুড়ে প্রায় ৮৫ হাজার হেক্টর। অঞ্চলটির প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ নিচু জমি, মাটি ভারী, ধূসর আর অম্লীয়, আর এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে চলনবিল। বর্ষায় যে মাঠ পানির নিচে থাকে, শীতে সেখানেই বোরো ধানের চাষ হয়। ভূমির ব্যবহার দ্রুত বদলাচ্ছে। স্যাটেলাইট তথ্য আর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এই পরিবর্তন বুঝতে সাহায্য করতে পারে, যদি প্রতিটি পূর্বাভাস কৃষকের মাঠে যাচাই হয়।
বাংলাদেশদেশের চতুর্থ কৃষি-পরিবেশ অঞ্চল করতোয়া-বাঙ্গালী প্লাবনভূমি সিরাজগঞ্জ ও বগুড়ার পূর্বাঞ্চলজুড়ে প্রায় ২ লাখ ৫৭ হাজার হেক্টর। নদীর পুরোনো পলিতে গড়া এই অঞ্চলে পাশাপাশি উঁচু জমি আর নিচু বেসিন, মাটি অম্লীয়, কয়েকটি পুষ্টির ঘাটতিও আছে। ধান, পাট, আলু, সরিষার এই মাঠে গাবতলীর কৃষকের জমিতে নতুন ফসল বিন্যাসের পরীক্ষা লাভের পথ দেখাচ্ছে। স্যাটেলাইট তথ্য আর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রতিটি জমির জন্য ঠিক ফসল বাছতে সাহায্য করতে পারে, যদি প্রতিটি পূর্বাভাস আগে মাঠে যাচাই হয়।
বাংলাদেশদেশের তৃতীয় কৃষি-পরিবেশ অঞ্চল তিস্তা মিয়েন্ডার প্লাবনভূমি পঞ্চগড় থেকে বগুড়া পর্যন্ত প্রায় সাড়ে নয় লাখ হেক্টরজুড়ে। নদীর পুরোনো বাঁকে গড়া এই সমভূমিতে পাশাপাশি উঁচু জমি আর নিচু বেসিন, মাটি অম্লীয়, কয়েকটি পুষ্টির ঘাটতিও আছে। রংপুরের নতুন গবেষণা বলছে, একই জমিতে বছরে চার-পাঁচটি ফসল সম্ভব। স্যাটেলাইট তথ্য আর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রতিটি জমির জন্য সঠিক ফসল বাছতে সাহায্য করতে পারে, যদি সেই পরামর্শ আগে কৃষকের মাঠে যাচাই হয়।
বাংলাদেশতিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর সক্রিয় প্লাবনভূমি নিয়ে দেশের দ্বিতীয় কৃষি-পরিবেশ অঞ্চল। এখানে নদী নতুন জমি গড়ে, আবার পুরোনো জমি কেড়ে নেয়। সেই চরেই কৃষক ভুট্টা, আলু, মরিচ, গাজর ফলান। এই অঞ্চলকে বুঝতে দরকার গ্রাম আর মাঠের দীর্ঘমেয়াদি তথ্য; উপগ্রহচিত্র আর মেশিন লার্নিংও কাজে আসবে, যদি তা কৃষকের জমিতে যাচাই হয়।
বাংলাদেশপঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও আর দিনাজপুরের উত্তর-পশ্চিমজুড়ে দেশের প্রথম কৃষি-পরিবেশ অঞ্চল গড়ে উঠেছে তিস্তার প্রাচীন পলল পাখার ওপর। এখানকার হালকা, অম্লীয় মাটিই চাষের নিয়ম ঠিক করে দেয়। গবেষকেরা বলছেন, স্যাটেলাইট তথ্য আর মেশিন লার্নিং কৃষকের কাজে আসবে তখনই, যখন মাঠে তা যাচাই হবে।
বাংলাদেশছোট দেশ হলেও বাংলাদেশের মাটি, পানি আর আবহাওয়া জায়গাভেদে একেবারে আলাদা। বিএআরসি দেশকে ৩০টি কৃষি-পরিবেশ অঞ্চলে ভাগ করেছে। জানুন কোন অঞ্চল কেমন, আর গ্রামের তথ্য, স্যাটেলাইট ছবি ও মেশিন লার্নিং মিলিয়ে কীভাবে কৃষককে আরও নির্ভুল পরামর্শ দেওয়া যায়।
মতামতদেশে কৃষি গবেষণা কম হয় না, প্রশ্ন হলো তার কতটা কৃষকের বাস্তব সমস্যার সমাধানে পৌঁছায়। সেজন্য দরকার কৃষককেন্দ্রিক, মাঠনির্ভর, তথ্যভিত্তিক ও প্রভাবমুখী গবেষণা।
ইসলামমক্কার এই পবিত্র মসজিদ কাবা শরিফকে ঘিরে গড়ে উঠেছে এবং হজ, উমরাহ ও বিশ্বের কোটি কোটি মুসলিমের দৈনন্দিন ইবাদতের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত।
গ্যালারিরুই, কাতলা, মৃগেল থেকে শিং, মাগুর, পাবদা, চিতল, ইলিশ আর মলা: দেশের খাল বিলের আঠারোটি ঐতিহ্যবাহী দেশীয় মাছ ছবিতে। অনেকগুলো হারিয়ে যেতে বসেছে, কিছু টিকে আছে মাছচাষি ও গবেষকদের চেষ্টায়।
এগ্রোটেকজমি চাষ থেকে ফসল কাটা পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে ট্রাক্টর, কম্বাইন হারভেস্টার, রাইস ট্রান্সপ্লান্টার, ড্রিপ সেচ ও ড্রোন বাংলাদেশের কৃষির উৎপাদন বাড়াচ্ছে, খরচ কমাচ্ছে। কোন যন্ত্র কাজে লাগছে, দেশ কোথায় দাঁড়িয়ে, আর কোন বাধাগুলো এখনো রয়ে গেছে।
ছাদকৃষিএক বছরের পুরোনো কলমের চারা, সোজা করে রোপণ, দিনে ছয় ঘণ্টা রোদ, আশ্বিনে ছাঁটাই আর তার ১০ থেকে ১২ দিন আগে গোবর, টিএসপি ও পটাশ। খরায় দশ দিন পর পর সেচ, জৈব উপায়ে পোকা দমন আর জোড়ের নিচের ডাল কেটে ফেলাই টবে গোলাপ চাষের মূল নিয়ম।
ফলফল ছিদ্রকারী পোকা, লাল মাকড়, হপার, কাণ্ড ছিদ্রকারী, পাতা মোড়ানো পোকা আর ছাতরা পোকা আমবাগানের ছয় প্রধান শত্রু। কীভাবে এদের চেনা যায়, কী ক্ষতি করে, আর পরিচ্ছন্নতা, ফাঁদ, জৈব ও রাসায়নিক উপায়ে কখন কীভাবে দমন করতে হয়।