সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৫%বাতাস ৪ কিমি/ঘ

মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে দুর্লভ লাল সোনাইল

ফারজানা ইসলাম

ফারজানা ইসলাম

দেশে দুর্লভ ফুলের মধ্যে একটি হলো ক্যাসিয়া জাভানিকা বা লাল সোনাইল বা লাল সোনালু। সেই দুর্লভ ফুলের দেখা মিললো রাজশাহীর বিভিন্ন স্থানে। সবুজ পাতার ফাঁকে ফাঁকে ফুটে আছে গোলাপি ও গাঢ় লাল রঙের এই ফুল। যা সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

গ্রীষ্মের খরতাপের মাঝে সবুজ গাছগাছালি আর রং-বেরঙের ফুলে সেজেছে রাজশাহী শহর। কৃষ্ণচূড়া, জারুল, সোনালু ইত্যাদি নানা রঙের ফুলে ভরে গেছে চারপাশ। এসবের মধ্যে অন্যতম হলো লাল সোনাইল বা লাল সোনালু। যার বৈজ্ঞানিক নাম ক্যাসিয়া জাভানিকা।

জানা যায়, এই ফুলের আদি নিবাস দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায়। পৃথিবীতে উষ্ণমণ্ডলীয় অঞ্চলের বাগানে উদ্ভিদ হিসেবে এর জন্ম। বাংলাদেশে ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিলের মধ্যে এ ফুল ফোটে। তবে বিভিন্ন দেশে জলবায়ুভেদে এর ফোটার সময় ভিন্ন হয়ে থাকে।

ক্যাসিয়া জাভানিকা দ্রুত বর্ধনশীল গাছ। একে লাল সোনাইল বা লাল সোনালু বলা হলেও গোলাপি রঙের আভাই বেশি। নান্দনিক সৌন্দর্যের ফুলগুলো ছড়ায় মুগ্ধতা। পথচারীরা এক মুহূর্তের জন্য হলেও থমকে দাঁড়ান আর উপভোগ করেন এর অপরূপ সৌন্দর্য।

সৌন্দর্যের পাশাপাশি নানা ভেষজ উপকারিতা আছে লাল সোনাইলের। কোষ্ঠকাঠিন্য, কোলিক, ক্লোরোসিসের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হতো প্রাচীনকাল থেকেই। উদ্ভিদটির পাতা হারপিস সিমপ্লেক্সের (ভাইরাল সংক্রমণ) বিরুদ্ধে কার্যকর ভূমিকা রাখে। এর ছাল বা বাকল আয়ুর্বেদিক ও অন্য ঐতিহ্যগত ওষুধের অ্যান্টিডায়াবেটিক ফর্মুলেশনের অন্যতম উপাদান।

পাশাপাশি এর ছাল ব্যবহার হয় ট্যানারি শিল্পে। ছোটবেলা থেকে শুনে আসা প্রবাদ 'আগে দর্শনধারী পরে গুণবিচারী'। এ যেন তারই উৎকৃষ্ট উদাহরণ। আপন সৌন্দর্যে একদিকে যেমন সবার মন জয় করছে; তেমনই অন্যদিকে নানা গুণে ভরপুর এই দুর্লভ উদ্ভিদ।

লেখক: শিক্ষার্থী, রাজশাহী কলেজ, রাজশাহী।

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

২০২৫ সালে বিশ্বে বন উজাড় কমেছে ১৫ শতাংশ, তবু ২০৩০ সালের লক্ষ্য নাগালের বাইরে

ফরেস্ট ডিক্লারেশন অ্যাসেসমেন্ট ২০২৬ বলছে, ২০২৫ সালে বিশ্বে ৭০ লাখ হেক্টর বন হারিয়েছে, যা ২০১৮-২০ সালের পর সবচেয়ে বড় বার্ষিক পতন। তবে ২০৩০ সালের মধ্যে বন উজাড় বন্ধের পথ থেকে বিশ্ব ১ কোটি ৭ লাখ হেক্টর পিছিয়ে।

ডাউন টু আর্থ১৭ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

খাবার পানি বাঁচাতে কৃষকদের এক মৌসুম ধান না লাগানোর অনুরোধ তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রীর

বৃষ্টির ঘাটতি প্রায় ২৮ শতাংশ, জলাধারে স্বাভাবিক ৪৬২ টিএমসির জায়গায় পানি মাত্র ২০০ টিএমসি ফুট। মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডি বলছেন, আগামী বর্ষা পর্যন্ত খাবার পানি নিশ্চিত করতে কৃষিকে এক মৌসুম ছাড় দিতে হবে।

ডাউন টু আর্থ১৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সমুদ্র ঠান্ডা হলেও ১৫০ বছর গলতে থাকবে অ্যান্টার্কটিকার ‘ডুমসডে’ হিমবাহ

ব্রিটিশ অ্যান্টার্কটিক সার্ভের মডেলিং গবেষণা বলছে, সমুদ্রের তাপে গলন পুরো বন্ধ করে দিলেও পশ্চিম অ্যান্টার্কটিকার থোয়াইটস হিমবাহ বরফ হারাতে থাকবে। এটি পুরোপুরি ধসে পড়লে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়বে প্রায় ৬৫ সেন্টিমিটার।

ইউরোনিউজ১৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)