মাত্র ১ হাজার ২০০ টাকা পুঁজিতে তিন জোড়া কবুতর কিনে শুরু করা এক খামারির বাড়ির খামারে এখন প্রায় ৮০টি কবুতর। দিনাজপুর টিভির কৃষি ডেস্ক জানিয়েছে, মাসে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা খরচ করে গত সেপ্টেম্বরে খামার থেকে প্রায় ৫০ হাজার টাকার কবুতর ও বাচ্চা বিক্রি হয়েছে।
খামারির হিসাবে, দিনে খাবারে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা, মাসে নয় থেকে ১০ হাজার; সঙ্গে রোগ প্রতিরোধ ও চিকিৎসার ওষুধে মাসে আরও এক থেকে দুই হাজার টাকা। শুরুতে কেনা বাচ্চাগুলো ছয় মাস পর ডিম দিতে শুরু করে; প্রথম দিকের বাচ্চা বিক্রি না করে রেখে বংশবৃদ্ধি করা হয়, খামার বড় হওয়ার পর বিক্রি শুরু।
বর্ষার এক-দুই মাসের বিশ্রাম বাদে এক জোড়া কবুতর থেকে বছরে নয় থেকে ১০ জোড়া বাচ্চা মেলে; বাচ্চা বড় হওয়ার আগেই আবার ডিম পাড়ে। দেশি কবুতরের মাংসের চাহিদা সবচেয়ে বেশি, এলাকায় প্রতি জোড়া দেশি বাচ্চা প্রায় ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খামারে দেশির পাশাপাশি গিরিবাজ, ঘেয়াচুন্নি ও কিং কবুতর, ১১ জাতের সৌখিন মুরগি এবং জায়ান্ট কটনিক্স কোয়েলও আছে।
খামারটির পরিচিতি হওয়ায় বিক্রির জন্য হাটে যেতে হয় না; ক্রেতারা বাড়ি থেকেই কিনে নেন, অনেক সময় বাচ্চা বড় হওয়ার আগেই আগাম বায়না আসে।
ঝুঁকিও আছে। খামারি জানান, শীতে ঠান্ডাজনিত সংক্রমণ ও চুন পায়খানায় কবুতর মারা যায়; গত শীতে প্রায় ২০ থেকে ২২টি কবুতর ঠান্ডা ও ভাইরাসজনিত অসুস্থতায় মারা গেছে। এখন অসুস্থ কবুতর দ্রুত আলাদা করে পর্যবেক্ষণ ও চিকিৎসা দেওয়া হয়, আর নিয়মিত ঠান্ডা প্রতিরোধক ও কৃমিনাশক ওষুধের কোর্স করানো হয়।
ছবি: Lewis Hulbert / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: দিনাজপুর টিভি





মন্তব্য
(০)