সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৫%বাতাস ৪ কিমি/ঘ

মেহেরপুরে বিঘার পাট ৩০ হাজার টাকা, পাটখড়ি আরও ১০-১৫ হাজার: উপজাত থেকে আয়ের নতুন উৎস

বিঘায় ২০-২৬ হাজার টাকা খরচে ১০ মণ পাট মণপ্রতি প্রায় ৩ হাজার টাকায় বিকোলেও লাভ সামান্য; একই জমির পাটখড়ি মানভেদে ১০-১৫ হাজার টাকায় কিনছেন ব্যবসায়ীরা, জ্বালানি, বেড়া ও গোয়ালঘর ছাড়িয়ে শহরেও ফেরি হচ্ছে।

একসময় পাট চাষের পর পড়ে থাকা অবহেলিত উপজাত পাটখড়ি এখন মেহেরপুরের কৃষকের কাছে আঁশের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ কৃষিপণ্য। পাটের দর নিয়ে প্রত্যাশা সব সময় পূরণ না হলেও পাটখড়ি বিক্রি করে উৎপাদন খরচের বড় অংশ তুলে আনছেন চাষিরা; কোনো কোনো ক্ষেত্রে পাটের চেয়ে পাটখড়িতেই বেশি টাকা মিলছে, ফলে গত কয়েক বছরের লোকসানের পরও নতুন করে পাটে আগ্রহ বাড়ছে।

মেহেরপুরে এক বিঘায় পাট উৎপাদনে খরচ প্রায় ২০-২৫ হাজার টাকা, ফলন গড়ে ১০ মণ; মণ প্রায় ৩ হাজার টাকায় বিঘার পাট বিক্রি হয় প্রায় ৩০ হাজার টাকায়। একই জমির পাটখড়ি মানভেদে ১০-১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। সদর উপজেলার পাটচাষি মাহাতাব হোসেন বাসসকে বলেন, বিঘায় প্রায় ২৬ হাজার টাকা খরচের পর পাট বেচে খুব বেশি লাভ থাকে না, কিন্তু পাটখড়ির বাড়তি টাকায় খরচ অনেকটাই উঠে আসে।

পাটখড়ির পুরোনো ব্যবহার মাটির চুলার জ্বালানি; এখন বাড়ির বেড়া, গোয়ালঘর, অস্থায়ী ঘের এবং সবজি বা অন্য ফসলের জমি পশু থেকে বাঁচাতে বেড়া তৈরিতেও লাগছে। পিরোজপুর গ্রামের কৃষক আবুল হাসানের কথায়, পাটখড়ি এখন আর ফেলে রাখার জিনিস নয়। মাঠ থেকে তুলে রাস্তার পাশে, মাঠে বা উঠানে রোদে শুকিয়ে ছোট আঁটিতে সংরক্ষণ করা সহজ; শুক্রবার কালাচাঁদপুর গ্রামের পিচরাস্তার দুই পাশে পাটখড়ি শুকানোর দৃশ্য চোখে পড়ে।

চাহিদা এখন গ্রামে সীমাবদ্ধ নেই, মেহেরপুর শহরেও ফেরি করে পাটখড়ি বিক্রি হচ্ছে। পাঁচ বছর ধরে এ ব্যবসা করা জাহিদুল ইসলাম বলেন, আগে এত ব্যবসা ছিল না; নানা কাজে ব্যবহার বাড়ায় চাহিদা বেড়েছে, কৃষকের কাছ থেকে মানভেদে বিঘার পাটখড়ি ১০-১৫ হাজার টাকায় কিনে গ্রাম ও শহরে ফেরি করে বিক্রি করেন তিনি।

বাসসের মেহেরপুর বিশেষ প্রতিবেদন অবলম্বনে। সূত্র: বাসস

বাসসসূত্র

ফসল

সম্পর্কিত খবর

এগ্রোবিজ

খরিফে ধাক্কার পর রবি মৌসুমেও এল নিনোর শঙ্কা, ভারতের কৃষি জিডিপি সংকোচনের মুখে

বর্ষায় ১৩ শতাংশ কম বৃষ্টিতে খরিফ উৎপাদন কমেছে, মহারাষ্ট্র ও কর্ণাটকের ৪৯১টি তালুকে খরা ঘোষণা হয়েছে, ট্রাক্টর বিক্রি কমছে আর ছোলার দাম কেজিতে ১০০ রুপির দিকে। কৃষকেরা এখনও ত্রাণের অপেক্ষায়, লিখেছে রুরাল ভয়েস।

Rural Voice১৭ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

আগাম জাতের ধানে আকস্মিক বন্যার ক্ষতি কমছে সুনামগঞ্জের হাওরের ৩,০০০ পরিবারের

হাওর অঞ্চলে ইরির জলবায়ু-সহনশীল ধান মূল্যশৃঙ্খল প্রকল্প সরাসরি ৩,০০০ কৃষক পরিবারের কাছে পৌঁছেছে। নারীদের পরিচালিত পাঁচটি কমিউনিটি বীজ ব্যাংক হয়েছে, কৃষি উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ পেয়েছেন দুই হাজারের বেশি কৃষক।

IRRI১৭ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

খাবার পানি বাঁচাতে কৃষকদের এক মৌসুম ধান না লাগানোর অনুরোধ তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রীর

বৃষ্টির ঘাটতি প্রায় ২৮ শতাংশ, জলাধারে স্বাভাবিক ৪৬২ টিএমসির জায়গায় পানি মাত্র ২০০ টিএমসি ফুট। মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডি বলছেন, আগামী বর্ষা পর্যন্ত খাবার পানি নিশ্চিত করতে কৃষিকে এক মৌসুম ছাড় দিতে হবে।

ডাউন টু আর্থ১৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)