সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৩%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

ভরা মৌসুমেও ইটনার হাওরে মাছের আকাল: আড়তদারদের হিসাবে সরবরাহ ১১ কোটি থেকে নেমে ৩ কোটি টাকায়, দাম কেজিতে ২০০-৩০০ টাকা বেশি

কিশোরগঞ্জের ইটনা মৎস্য অফিসের হিসাবে প্রাকৃতিক জলাশয়ের উৎপাদন ২০২২-২৩-এর ৯,০১৪ টন থেকে বেড়ে ২০২৫-২৬-এ ১৪,৫৩৬ টন হলেও জেলেরা বলছেন গলদা, কাজলি, রুই, বাতাসি, বাছা, রিটা ও আইড় আগের ২৫ শতাংশও মিলছে না; নিষিদ্ধ জাল, ডুবুবাঁধ, নাব্যতা হ্রাস ও কীটনাশককে দুষছেন তাঁরা।

মৎস্যভান্ডার বলে পরিচিত কিশোরগঞ্জের ইটনার হাওরে ভরা মৌসুমেও পর্যাপ্ত মাছ মিলছে না; মাছের অভাবে জেলেদের আয় কমে গেছে। অথচ ইটনা উপজেলা মৎস্য অফিসের হিসাবে নদ-নদী ও প্রাকৃতিক জলাশয়ে মাছ উৎপাদন ২০২২-২৩ অর্থবছরের ৯ হাজার ১৪ দশমিক ৮৯ টন থেকে বেড়ে ২০২৪-২৫-এ ১৩ হাজার ৩৮২ দশমিক ৯৮ এবং ২০২৫-২৬-এ ১৪ হাজার ৫৩৬ দশমিক ৩২ টনে দাঁড়িয়েছে; উন্মুক্ত জলাশয়ে সরকারিভাবে পোনা ছাড়া হয়েছে যথাক্রমে ০.৪৭৫, ০.৫৫ ও ১.০৯ টন।

দপ্তরের হিসাবের সঙ্গে মাঠের চিত্র মিলছে না। ঢাকার যাত্রাবাড়ী আড়তে মাছ সরবরাহকারী নিখিল বর্মন (৬০) ও গোপেশ বর্মন (৩৫) জানান, ২০২৫ সালের মে থেকে ২০২৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত তাঁরা প্রায় ১১ কোটি টাকার মাছ পাঠিয়েছেন, আর চলতি বছরের মে থেকে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত মাত্র ৩ কোটি টাকার, যদিও আগস্ট থেকে অক্টোবরেই সারা বছরের প্রায় অর্ধেক মাছ যাওয়ার কথা। তাঁদের দাবি, সারেং (গলদা) চিংড়ি, ডিমা চিংড়ি, কাজলি, রুই, বাতাসি, বাছা, রিটা ও আইড় আগের তুলনায় ২৫ শতাংশও পাওয়া যাচ্ছে না, আর প্রজাতিভেদে কেজিতে দাম বেড়েছে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা।

মৎস্যজীবীদের মতে নিষিদ্ধ জাল, অপরিকল্পিত অবকাঠামো, ডুবুবাঁধ, জলাশয়ের নাব্যতা কমা, কৃষিতে অতিরিক্ত কীটনাশক ও জলবায়ু পরিবর্তনের সম্মিলিত প্রভাবে হাওরের মৎস্যসম্পদ সংকটে। এক যুগ আগেও বিদেশের বাজারে চাহিদা ছিল হাওরের মিঠাপানির গলদার; এখন সেই চিংড়িসহ নানা প্রজাতি বিলুপ্তির পথে। প্রাকৃতিক মাছের ঘাটতিতে স্থানীয় বাজারে চাষের মাছের ওপর নির্ভরতা বেড়েছে, দাম যাচ্ছে নিম্নমধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে।

হাওরের মানুষ শুকনো মৌসুমে ধান আর বর্ষায় মাছের ওপর নির্ভরশীল। গত বোরো মৌসুমে অতিবৃষ্টি ও অকাল বন্যায় বড় ক্ষতির পর বর্ষায় মাছ ধরে তা পুষিয়ে নেওয়ার আশা ছিল, সেটিও পূরণ হয়নি। ইটনা সদরের জেলেপল্লির বিশ্বজিৎ বর্মন (৪৫) বলেন, চার-পাঁচ বছর আগেও দিনে ৫-৬ হাজার টাকার মাছ ধরে বিক্রি করতে পারতেন। জেলে ও স্থানীয়রা নিষিদ্ধ জাল বন্ধ, প্রজনন মৌসুমে কঠোর নজরদারি ও জলাশয়ের স্বাভাবিক পরিবেশ ফেরানোর দাবি জানিয়েছেন।

কৃষি সময়ের কিশোরগঞ্জ সংবাদদাতার প্রতিবেদন অবলম্বনে। সূত্র: কৃষি সময়

কৃষি সময়সূত্র

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

কেরালার উপকূলীয় নারীদের ৮৪টি মাছের ব্যবসা, পারিবারিক আয় বেড়েছে ৩০-৩৫ শতাংশ

আইসিএআর-সিএমএফআরআইয়ের এক কর্মসূচির সহায়তায় ২০২২ থেকে ২০২৬ সালে কেরালার আট জেলায় ৮৪টি মৎস্যভিত্তিক ক্ষুদ্র উদ্যোগ গড়ে উঠেছে; সরাসরি উপকৃত ৪৬৯ জন, যাঁদের বেশির ভাগ তফসিলি জাতিভুক্ত।

আইসিএআর১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মৎস্য

সৌরশক্তির রিসার্কুলেটিং ট্যাংকে পাহাড়ে ট্রাউট চাষ, পানি লাগবে ৮০ শতাংশ কম

ভারতের উত্তরাখণ্ডের এক খামারে সৌরশক্তিচালিত হাইব্রিড রিসার্কুলেটিং অ্যাকুয়াকালচার সিস্টেম চালু করেছে আইসিএআর-সিআইসিএফআর; প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এতে পানি প্রায় ৮০ শতাংশ কম লাগে এবং একজন ট্রাউটচাষি বছরে ৪ থেকে ৫ লাখ রুপি উদ্বৃত্ত পেতে পারেন।

আইসিএআর১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মৎস্য

আট পদের পাঁচটিই শূন্য, তিনজনে চলছে শায়েস্তাগঞ্জের সরকারি মৎস্য বীজ খামার

১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ সরকারি মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারে ১২টি পুকুরে পোনা উৎপাদন চললেও আট পদের পাঁচটি শূন্য, নৈশপ্রহরী নেই, বরাদ্দ না থাকায় চাষি প্রশিক্ষণও বন্ধ।

মানবজমিন১৫ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)