সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৫%বাতাস ৪ কিমি/ঘ

বড় খুচরা বিক্রেতার সামনে এখনও দুর্বল ইউরোপের ফল-সবজি উৎপাদক সংগঠন: নিরীক্ষা প্রতিবেদন

বছরে একশ কোটি ইউরোর বেশি ইইউ সহায়তা পেয়েও ফল ও সবজি চাষিদের উৎপাদক সংগঠনগুলো সদস্য ও বাজার হারাচ্ছে বলে জানিয়েছে ইউরোপীয় কোর্ট অব অডিটরস।

ইউরোপের ফল ও সবজি চাষিদের যে উৎপাদক সংগঠনগুলো (Producer Organisations) বড় খুচরা বিক্রেতার সঙ্গে দরকষাকষির শক্তি জোগানোর কথা, সেগুলো ক্রমেই পিছিয়ে পড়ছে। চলতি সপ্তাহে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ইউরোপীয় কোর্ট অব অডিটরস (European Court of Auditors, ইসিএ) বলেছে, দেশভেদে অসম সহায়তা, জটিল ইইউ বিধি এবং খাতটির সংকটে ইউরোপীয় কমিশনের নিষ্ক্রিয়তা এর বিকাশ আটকে রেখেছে।

এই সংগঠনগুলোর মাধ্যমে চাষিরা একসঙ্গে পণ্য বিক্রি করতে পারেন, যন্ত্রপাতি ও অবকাঠামোতে যৌথ বিনিয়োগ করতে পারেন, পণ্যের মান বাড়াতে পারেন এবং ক্রেতার সঙ্গে ভালো শর্তে চুক্তি করতে পারেন। তবু ২০১২ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে সদস্য চাষির সংখ্যা কমেছে ৩৯ শতাংশ, আর বাজার অংশও কমছে। কমিশনের হিসাবে ২০২৪ সালে ইইউতে স্বীকৃত ফল-সবজি উৎপাদক সংগঠন ছিল ১,৪৮৮টি, সদস্য ১,৮৭,৩৭২ জন।

২০২৩ সালে এই সংগঠনগুলো ইইউ থেকে ১০৬ কোটি ইউরো সহায়তা পেয়েছে। সেই অর্থে তারা যন্ত্রপাতি আধুনিক করেছে, উৎপাদন স্বয়ংক্রিয় করেছে, জ্বালানি ও পানি সাশ্রয় করেছে, মান সনদ নিয়েছে, প্যাকেজিং ও পরিবহন উন্নত করেছে। সহায়তার অঙ্ক বিক্রীত পণ্যের মূল্যের সঙ্গে যুক্ত বলে চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদন পরিকল্পনার তাগিদও তৈরি হয়।

কিন্তু নিরীক্ষকরা দেখেছেন, অধিকাংশ সদস্যরাষ্ট্রে সংগঠনগুলো এতটা বড় বা পরিচিত নয় যে শক্ত অবস্থান থেকে দরকষাকষি করতে পারে। কেবল বেলজিয়াম ও নেদারল্যান্ডসে এগুলো অর্থনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ; সেখানকার বড় সংগঠন বেশি পরিমাণ ও বৈচিত্র্যময় পণ্য দিতে পারে বলে আলোচনার টেবিলে সুবিধা পায়।

দেশে দেশে পার্থক্যও বিরাট। কোনো কোনো দেশে স্বীকৃত উৎপাদক সংগঠন একটিও নেই; বাকিদের মধ্যে এই সংগঠনের মাধ্যমে বিক্রি হওয়া উৎপাদনের হার স্লোভেনিয়ায় ০.৮ শতাংশ থেকে ডেনমার্কে ৮৬ শতাংশ পর্যন্ত। ইতিহাস ও সংস্কৃতি এর একটি কারণ, তবে জাতীয় সিদ্ধান্তও বড় ভূমিকা রাখে, কোনো দেশের কর্তৃপক্ষ সক্রিয়ভাবে পরামর্শ দেয় ও বহু কর্মসূচিতে অর্থ দেয়, কেউ কড়া শর্ত আরোপ করে বা কম সহায়তা দেয়।

নিরীক্ষার দায়িত্বে থাকা ইসিএ সদস্য Keit Pentus-Rosimannus (কেইট পেন্টুস-রোসিমানুস) বলেন, উৎপাদক সংগঠনগুলো যদি বড় ক্রেতার মুখোমুখি দাঁড়াতে চাষিদের সাহায্য করতে চায়, তবে বিধি সহজ করতে হবে, জাতীয় সহায়তা আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে হবে এবং সদস্যপদ আরও আকর্ষণীয় করতে হবে। ইসিএর মতে, এই বৈষম্য একক বাজারের ভেতরে অসম প্রতিযোগিতার ক্ষেত্র তৈরি করছে এবং চাষিদের সংগঠনে যোগ দেওয়া বা ইইউ তহবিলের আবেদন থেকে নিরুৎসাহিত করতে পারে।

নিরীক্ষকদের সিদ্ধান্ত, কমিশন কিছু সমস্যা চিহ্নিত করলেও সেগুলোর সমাধানে বা সদস্যরাষ্ট্রগুলোর বাস্তবায়ন তুলনা ও সমন্বয়ে যথেষ্ট কাজ করেনি। প্রতিবেদনটি Agriland-এর জন্য লিখেছেন Kathleen O'Sullivan (ক্যাথলিন ও'সালিভান)।

সূত্র: Agriland

Agrilandসূত্র

এগ্রোবিজ

সম্পর্কিত খবর

শাকসবজি

ঝিনাইদহে আগাম শীতের সবজিতে ভালো ফলন, উপকরণের দামে চিন্তা

ঝিনাইদহে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে প্রায় ৬ হাজার ৫০ হেক্টরে আগাম শীতের সবজি আবাদ হয়েছে; ফলন ও দাম ভালো, তবে সার, কীটনাশক আর জ্বালানির দামে খরচ বেড়েছে।

এগ্রিকেয়ার২৪১৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

৫০টি মুরগি থেকে ১,০০০ লেয়ারের খামার, রুয়ান্ডার এক শিক্ষকের উদ্যোক্তা হওয়ার গল্প

ইয়েফা কর্মসূচির উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণের পর মাসে দেড় লাখ রুয়ান্ডান ফ্রাঁ বেতনের শিক্ষকতা ছেড়ে ২৬ বছরের ফাদেলা মোদেস্ত এখন গাতসিবো জেলায় দিনে প্রায় ৮০০ ডিম উৎপাদন করেন।

এজিআরএ১৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
শাকসবজি

ঝিনুক মাশরুমে ব্যবসা, পুষ্টি আর সাহস: ঘানার বার্নিস আগবোয়াদার গল্প

অ্যালবিনিজম নিয়ে বেড়ে ওঠা ঘানার বার্নিস ইয়াও আগবোয়াদা মাশরুম জেনারেল প্রতিষ্ঠা করে ঝিনুক মাশরুম চাষ ও প্রক্রিয়াজাত করছেন, এর পুষ্টিগুণ নিয়ে সচেতনতা বাড়াচ্ছেন এবং নারী ও প্রতিবন্ধী মানুষের জন্য কৃষির দরজা খুলছেন।

এজিআরএ১৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)