রুয়ান্ডার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে ফাদেলা মোদেস্ত (Fadhella Modeste) মাসে পেতেন দেড় লাখ রুয়ান্ডান ফ্রাঁ। ২৬ বছরের এই তরুণ এখন গাতসিবো জেলায় ১,০০০ লেয়ার মুরগির খামার চালান, দিনে ডিম হয় প্রায় ৮০০টি, মাসে আয় প্রায় ৩৬ লাখ রুয়ান্ডান ফ্রাঁ। খবরটি দিয়েছে আফ্রিকার কৃষি উন্নয়ন সংস্থা এজিআরএ (AGRA)।
কৃষি কখনো তাঁর পরিকল্পনায় ছিল না। রুয়ান্ডার পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে আকাজি কানোজে অ্যাকসেসের পরিচালিত ইয়েফা (খাদ্য ও কৃষির ভবিষ্যতের জন্য তরুণ উদ্যোক্তা) কর্মসূচির উদ্যোক্তা ও কর্মদক্ষতা প্রশিক্ষণ তাঁর ভাবনা বদলে দেয়। প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদের নিজের এলাকার অপূর্ণ চাহিদা খুঁজে চাকরি খোঁজার বদলে চাকরি তৈরির কথা ভাবতে বলা হয়। মোদেস্ত বলেন, তিনি দেখলেন কৃষিতে একটা ফাঁক আছে, আর নিজের জেলায় সেই ফাঁক পূরণে উৎপাদন শুরু করলেন।
বড় খামার বা বড় বিনিয়োগ ছিল না, সাধ্যমতো ছোট করে শুরু করেন। মুরগি বিক্রি করে লাভ আবার খামারে খাটিয়েছেন। ৫০টি মুরগি হয়েছে ১০০টি, এক দফার আয়ে পরের দফার খরচ মিটিয়ে একসময় খামার দাঁড়িয়েছে ১,০০০ লেয়ারে।
খামারে এখন তিনজন স্থায়ী কর্মী কাজ করেন। মোদেস্ত আরও তিনজন তরুণ সাইকেল-পরিবহনকারীকে যুক্ত করেছেন, যাঁরা তাঁর এবং এলাকার অন্য কৃষকদের ডিম ও কৃষিপণ্য পৌঁছে দেন। বেতনভোগী শিক্ষক থেকে নিয়োগকর্তা হয়ে ওঠার এই পথকে তরুণদের কৃষিতে কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী করে তোলার উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেছে এজিআরএ।
ছবি: VanTucky / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 1.0)
সূত্র: এজিআরএ




মন্তব্য
(০)