জার্মান কৃষিযন্ত্র নির্মাতা আমাজোন (Amazone) তাদের ভারী মাউন্টেড লাঙল টেরেস ৩০০-এর সামনের অংশ নতুন করে নকশা করেছে, ফলে এটি নালির ভেতরে ছাড়াও নালির বাইরে (অন-ল্যান্ড) চলতে পারবে, জানিয়েছে ফার্মার্স উইকলি। এতে পাঁচ-ছয় ফলার এই রিভার্সিবল লাঙল বড় টায়ারের উচ্চক্ষমতার ট্র্যাক ও চাকার ট্রাক্টর দিয়েও টানা যাবে, আবার নালিতে টায়ার আঁটে এমন ছোট ট্রাক্টর দিয়েও।
নালির বাইরে চললে ট্রাক্টরের চাকা বা ট্র্যাক নালির তলায় পড়ে না, যা চওড়া টায়ারের ভারী যন্ত্রের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। টেরেস ৩০০ অনল্যান্ডে কেবিন থেকেই প্যারালেলোগ্রাম সংযোগ ও সিলিন্ডারের মাধ্যমে হাইড্রলিকভাবে মোড বদলানো যায়, আর আমাজোনের অটোঅ্যাডাপ্ট ব্যবস্থা সামনের ফলার প্রস্থ মিলিয়ে দেয়, যাতে প্রতিটি চাষের সারি আগেরটির সঙ্গে ঠিকঠাক মেলে।
লাঙলটি সর্বোচ্চ ৩০০ হর্সপাওয়ারের ট্রাক্টরের জন্য তৈরি। এর প্রধান বিম ১৫০ মিলিমিটার বর্গাকার, ৮.৮ মিলিমিটার পুরু ইস্পাতের; হেডস্টকে আছে বিয়ারিংয়ে বসানো ক্রস-শ্যাফট, যাতে ট্রাক্টরের নিচের লিংকে সহজে জোড়া যায়। সাধারণ মডেলে ফলার প্রস্থ হাতে বদলাতে হয়; ‘ভি’ সংস্করণ ও অনল্যান্ড মডেলে তা হাইড্রলিক, পরিসর ৩০-৫০ সেন্টিমিটার বা ৩৩-৫৫ সেন্টিমিটার।
আমাজোন বলছে, চওড়া সেটিংয়েও লাঙল আগে গুটিয়ে না এনেই উল্টানোর মতো জায়গা থাকে। উল্টানোর সময় শুধু বিম ঘোরানোর সিলিন্ডার কাজ করে, ফলে প্রতিবার আইলে গুটিয়ে আবার মেলে দিতে হয় এমন লাঙলের তুলনায় কবজায় ক্ষয় কম হয় বলে কোম্পানির দাবি।
অনল্যান্ড সংস্করণে আছে আমাজোনের স্পিডব্লেড বডি, যেখানে ক্ষয়ের বড় অংশ নেয় পেটেন্ট করা অতিরিক্ত বড় সামনের অংশ (শিন), ফলে দ্রুতগতিতে চাষেও মোল্ডবোর্ড বেশি দিন টিকবে। ক্রেতারা যান্ত্রিক বা হাইড্রলিক ব্রেক-ব্যাক সুরক্ষা বেছে নিতে পারবেন।
ছবি: Guilhem Vellut / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.0)
সূত্র: Farmers Weekly





মন্তব্য
(০)