যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫জেড ক্লিন ফুয়েল প্রোডাকশন ট্যাক্স ক্রেডিটের আওতায় কৃষকের মাঠের চর্চা যাতে মূল্য পায়, সে জন্য নিজের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম অপারেশনস সেন্টারে রেকর্ড রাখার সুবিধা বাড়াচ্ছে কৃষিযন্ত্র নির্মাতা জন ডিয়ার (John Deere)।
৪৫জেড কর্মসূচিতে ইথানল ও বায়োডিজেল কারখানার মতো জৈব জ্বালানি উৎপাদকেরা ভুট্টা, সয়াবিন, সরগাম ও বসন্তকালীন ক্যানোলার মতো কম কার্বনের কাঁচামাল ব্যবহার করলে কর ক্রেডিট পেতে পারেন। কম চাষ, বিনা চাষ, আচ্ছাদন ফসল ও উন্নত পুষ্টি ব্যবস্থাপনা কাঁচামালের কার্বন তীব্রতা কমাতে পারে। কৃষকের অংশগ্রহণ স্বেচ্ছামূলক; জ্বালানি উৎপাদন হতে হবে ১ জানুয়ারি ২০২৫ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৯-এর মধ্যে।
প্ল্যাটফর্মটি বায়োফুয়েল ফিডস্টক রিপোর্ট তৈরিতে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই প্রতিবেদনে প্রতিটি মাঠে কার্বন তীব্রতা কতটা কমেছে তার নথি থাকে, আর বাড়তি ক্রেডিট দাবি করতে জৈব জ্বালানি উৎপাদকদের এটি জমা দিতে হয়। জন ডিয়ার বলছে, তথ্য যাচাই, হাতে তথ্য তোলার ঝামেলা কমানো ও নির্ভুল রেকর্ড রাখার সুবিধা যোগ হচ্ছে। যেসব ইথানল উৎপাদক সরবরাহকারী কৃষকের সঙ্গে কর্মসূচির মূল্য ভাগ করতে চান, তাঁদের কয়েকজনের সঙ্গে পরীক্ষামূলকভাবে এটি চালু হবে।
জন ডিয়ারের বায়োফুয়েলস পরিচালক নেট গ্রিন বলেন, কৃষক যদি নিজের চর্চার মাধ্যমে মূল্য তৈরি করেন, তবে সেই মূল্যের ভাগ তাঁরও পাওয়া উচিত। তাঁর ভাষায়, ৪৫জেড থেকে তৈরি আয়ের ভাগ পেতে কৃষককে যন্ত্র, প্রযুক্তি ও তথ্যসেবা দিতে কোম্পানি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
কৃষক কত পাবেন, তা নির্ভর করবে প্রতিটি জৈব জ্বালানি উৎপাদকের সঙ্গে আলাদা চুক্তি ও কর্মসূচির ওপর। প্রস্তুতি হিসেবে বপন, ফসল তোলা, সার প্রয়োগ ও মাঠের কাজের রেকর্ড এক জায়গায় আনা এবং মাঠের সীমানা, বপনের তারিখ, পণ্যের নাম, প্রয়োগের হার, চালান ও রসিদ মিলিয়ে দেখার পরামর্শ দিয়েছে কোম্পানিটি।
জন ডিয়ার জানায়, তাদের ফার্মার ডেটা কমিটমেন্টের আওতায় তথ্যের নিয়ন্ত্রণ কৃষকের হাতেই থাকবে; স্বচ্ছতা, পছন্দের সুযোগ ও নিয়ন্ত্রণকে তারা এর ভিত্তি বলছে।
ছবি: Royalbroil / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: Farms.com





মন্তব্য
(০)