সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৫%বাতাস ৪ কিমি/ঘ

সেচের অভাবে মাস পেরোলেও রোপণ হয়নি বোরোর চারা

দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মেঘনা ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের পানি সেচ কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার (২০ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার কালীপুর ও উদামদী পাম্প চালু করা হয়। তবে ফটোসেশন শেষে পাম্পের সুইচ বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। সেচ উদ্বোধন হলেও কৃষক পানি পাবেন আগামী ২৫ জানুয়ারি থেকে।

দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মেঘনা ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের পানি সেচ কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার (২০ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার কালীপুর ও উদামদী পাম্প চালু করা হয়। তবে ফটোসেশন শেষে পাম্পের সুইচ বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। সেচ উদ্বোধন হলেও কৃষক পানি পাবেন আগামী ২৫ জানুয়ারি থেকে।

সোমবার বেলা ১১টায় মেঘনা ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের কালীপুর পাম্প হাউজে সেচ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন মেঘনা ধনাগোদা পওর বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী (সিভিল) মো. সালাউদ্দিন। মেঘনা ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের সভাপতি রাসেল ফয়েজ আহমেদ শাহীন চৌধুরীর সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জাফরিল চৌধুরী, ব্যবসায়ী লিয়াকত আলী খোকা চৌধুরী, মেঘনা ধনাগোদা পওর বিভাগ শাখা কর্মকর্তা ঋষি ভৌমিক, অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার সিয়াম আলী, সম্প্রসারণ উপদর্শক মো. জহিরুল হক চৌধুরী, মো. মোসলেহ উদ্দিন সরকার, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আল মামুন, উপজেলা যুবদলের সদস্য ফয়েজ মেম্বারসহ বিভিন্ন গ্রুপের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ।

সেচ প্রকল্পের উদামদী পাম্প হাউজেও একই সময়ে পানি উদ্বোধন করা হয়। তবে উদামদী পাম্প হাউজে পানি উদ্বোধন করার পর ১০ মিনিট চললেও কালীপুর পাম্প হাউজে উদ্বোধনের ১৩ সেকেন্ড পরই সুইচ বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। এতে কৃষকরা আরও দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।

জানা যায়, মেঘনা-ধনাগোদা দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সেচ প্রকল্প। উপজেলার ১৭ হাজার ৫৮৪ হেক্টর জমিতে কৃষিপণ্যের উৎপাদন বাড়াতে ১৯৭৯-৮০ অর্থবছরে এ প্রকল্প নির্মাণ শুরু হয়। কাজ শেষ হয় ১৯৮৭-৮৮ অর্থবছরে। সেচ সুবিধার মাধ্যমে বোরো ধান উৎপাদনই ছিল মূল লক্ষ্য। কিন্তু বোরো মৌসুমের শুরুতে কখনও সেচ সুবিধা পাননি কৃষকরা। ফলে সেচ প্রকল্প নির্মাণের পর অধিকাংশ মৌসুমে বোরো উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে জানা যায়, ১৫ নভেম্বর থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত বীজতলা করার উপযুক্ত সময়। ১৫ ডিসেম্বর থেকে জমিতে বোরো ধানের চারা রোপণ করতে হয়। চারার বয়স ২১ দিন থেকে ৪০ দিনের মধ্যে জমিতে রোপণ করতে হবে। ৪০ দিনের বেশি হলে উৎপাদন কমতে থাকবে।

সেই হিসাবে ১৫ নভেম্বর থেকে বীজতলা করা হলে চারার বয়স ৪০ দিন হয় ২৫ ডিসেম্বর। কিন্তু তারও প্রায় এক মাস হতে চললেও সেচের অভাবে এখনও চারা রোপণ করতে পারেননি কৃষকরা।

আরও জানা যায়, মতলব উত্তর উপজেলায় এবার বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ৯ হাজার ৯৮৪ হেক্টর জমি। কৃষকরা এ লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে বীজতলা তৈরি করলেও সেচ পাননি। এরইমধ্যে চারার বয়স বেড়ে চলেছে। অনেকের চারার বয়স ৬০ দিন পার হয়ে গেছে। সঠিক সময়ে পানি না দেওয়ায় বোরো উৎপাদনে বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন কৃষকরা।

সরেজমিনে দেখা যায়, মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের ক্যানেলের বিভিন্ন জায়গায় এখনও ব্লক নির্মাণের কাজ শেষ হয়নি। অনেক জায়গায় ময়লা আবর্জনা পরিষ্কারের কাজ চলছে। সেচ প্রকল্প এলাকার আমিয়াপুর, দেওয়ানজীকান্দিসহ কয়েকটি জায়গায় সেচ ক্যানেলে বাঁধ দিয়ে চলছে কালভার্ট নির্মাণের কাজ।

কৃষক খোকন সরকার ও আতাউর রহমান বলেন, পানি কবে দেবে তা আমরা জানি না। আমাদের বীজতলার ধানের চারা বড় হয়ে যাচ্ছে। সঠিক সময়ে জমিতে ধান রোপণ করতে না পারলে ভালো ফসল উৎপাদন হবে না। আমরা লোকসানে পড়ে যাবো। পানির জন্য আমরা জমিতে ধান লাগাতে পারছি না।

তারা আরও জানান, বিকল্প পদ্ধতি শ্যালো ইঞ্জিনচালিত পাম্পের মাধ্যমে জমিতে পানি দিয়ে চারা রোপণে অনেক খরচ হয়। এছাড়া খাল ও বিলের পানিও শুকিয়ে গেছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফয়সাল মোহাম্মদ আলী জানান, সঠিক সময়ে সেচ ক্যানেলে পানি দিতে না পারলে বোরো মৌসুমের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিয়ে শঙ্কা দেখা দিতে পারে।

এ বিষয়ে মেঘনা ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের সভাপতি ফয়েজ আহমেদ শাহীন চৌধুরী বলেন, কিছু বাধ্যবাধকতার কারণে পানি ছাড়া সম্ভব হচ্ছে না। তবে সেচ কার্যক্রম উদ্বোধন হয়েছে, আগামী ২৫ জানুয়ারি থেকে পুরোদমে পানি ছাড়া হবে।

মেঘনা ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের উপ-বিভাগীয় নির্বাহী কর্মকর্তা সালাউদ্দিন বলেন, আমরা সেচ উদ্বোধন করেছি। সেচ ক্যানেলের কোথাও সমস্যা আছে কি না তা দেখে ও আবাদের অবস্থা দেখে অতি তাড়াতাড়ি পূর্ণভাবে পানি দেওয়া হবে।

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

ফসল

সম্পর্কিত খবর

এগ্রোবিজ

খরিফে ধাক্কার পর রবি মৌসুমেও এল নিনোর শঙ্কা, ভারতের কৃষি জিডিপি সংকোচনের মুখে

বর্ষায় ১৩ শতাংশ কম বৃষ্টিতে খরিফ উৎপাদন কমেছে, মহারাষ্ট্র ও কর্ণাটকের ৪৯১টি তালুকে খরা ঘোষণা হয়েছে, ট্রাক্টর বিক্রি কমছে আর ছোলার দাম কেজিতে ১০০ রুপির দিকে। কৃষকেরা এখনও ত্রাণের অপেক্ষায়, লিখেছে রুরাল ভয়েস।

Rural Voice১৭ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

আগাম জাতের ধানে আকস্মিক বন্যার ক্ষতি কমছে সুনামগঞ্জের হাওরের ৩,০০০ পরিবারের

হাওর অঞ্চলে ইরির জলবায়ু-সহনশীল ধান মূল্যশৃঙ্খল প্রকল্প সরাসরি ৩,০০০ কৃষক পরিবারের কাছে পৌঁছেছে। নারীদের পরিচালিত পাঁচটি কমিউনিটি বীজ ব্যাংক হয়েছে, কৃষি উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ পেয়েছেন দুই হাজারের বেশি কৃষক।

IRRI১৭ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

খাবার পানি বাঁচাতে কৃষকদের এক মৌসুম ধান না লাগানোর অনুরোধ তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রীর

বৃষ্টির ঘাটতি প্রায় ২৮ শতাংশ, জলাধারে স্বাভাবিক ৪৬২ টিএমসির জায়গায় পানি মাত্র ২০০ টিএমসি ফুট। মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডি বলছেন, আগামী বর্ষা পর্যন্ত খাবার পানি নিশ্চিত করতে কৃষিকে এক মৌসুম ছাড় দিতে হবে।

ডাউন টু আর্থ১৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)