পার্বত্য চট্টগ্রামে ৯৮ প্রজাতির দেশীয় বৃক্ষ পুনঃস্থাপনের উদ্যোগ
রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়িতে ৯৮ প্রজাতির বিরল ও বিপন্ন দেশীয় বৃক্ষ সৃজনের উদ্যোগ নিয়েছে বন বিভাগ; ২০১২ সালের আইনে ৫৫ প্রজাতি সংরক্ষিত।
এই সূত্রের খবর আমরা সংক্ষেপ, পুনর্লিখন বা অনুবাদ করে তাদের নামেই প্রকাশ করি · ৮৮টি প্রতিবেদন
রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়িতে ৯৮ প্রজাতির বিরল ও বিপন্ন দেশীয় বৃক্ষ সৃজনের উদ্যোগ নিয়েছে বন বিভাগ; ২০১২ সালের আইনে ৫৫ প্রজাতি সংরক্ষিত।
গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর তালুক জামিরা প্রাণী কল্যাণ কেন্দ্রের দুটি পদই শূন্য থাকায় আট বছর ধরে গবাদিপশুর চিকিৎসাসেবা বন্ধ।
জয়পুরহাটের ক্ষেতলালের বাখেরা কোমলগাড়ী গ্রামে প্রায় ১৫ বছর ধরে চলা করলার পাইকারি বাজারে ভালো দাম পাচ্ছেন চাষিরা।
দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলায় ১৫০ হেক্টর জমিতে আগাম শীতকালীন সবজির লক্ষ্যমাত্রা; উৎপাদন ধরা হয়েছে প্রায় ৩ হাজার ৩৭৫ টন।
খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় দুই দফা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৩৬০ পরিবারকে ৬ হাজার টাকা করে মোট ২১ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে।
ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলায় ৪১ হেক্টর জমিতে আগাম সবজির আবাদ হয়েছে; অল্প খরচে ভালো দামে শিম বিক্রি করছেন চাষিরা।
মৎস্য চাষ, প্রাণিসম্পদ, সামুদ্রিক মৎস্য ও ব্লু ইকোনমিতে ইতালির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদার করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ।
জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে চলতি মৌসুমে ১৩০ হেক্টর জমিতে গ্রীষ্মকালীন শাকসবজির আবাদ হয়েছে, যার ৬০ হেক্টরই করলা।
চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় মোহাম্মদ নুর উদ্দিন ৮ শতক জমিতে দুই জাতের ৪০০টির বেশি চারা লাগিয়ে প্রায় এক হাজার তরমুজ পেয়েছেন।
বিএলআরআই পরিচালনা বোর্ডের ৪৯তম সভায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবনের যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে।
পদ্মা নদীবেষ্টিত তিন উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের চরাঞ্চলে ৫ হাজার তালবীজ ও বিভিন্ন প্রজাতির চারা বিতরণ করেছে ফরিদপুর জেলা পরিষদ।
শেরপুরের নালিতাবাড়ীর মধুটিলা রেঞ্জের দাওধারা-কাটাবাড়ি মৌজায় ২০১৭-১৮ সালে সৃজিত বাগানের প্রায় সব গাছ কেটে নেওয়া হয়েছে; অংশীদারেরা বলছেন বন বিভাগ চাইলে ঠেকানো যেত, রেঞ্জ কর্মকর্তা অবগত নন বলছেন, আর বিভাগীয় বন কর্মকর্তা তদন্ত কমিটির কথা জানিয়েছেন।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসাবে পঞ্চসারের ১০ হেক্টরে আগস্ট-ডিসেম্বরে ১৫-২০ কোটি টাকার চারা বিক্রি হয়; জমিতে পানি জমায় কৃষকেরা চারা লাগাতে না পারায় ক্রেতা নেই, আর ভারী বৃষ্টিতে ফুলকপি, বাঁধাকপি, ব্রকলি, টমেটো, বেগুন ও মরিচের চারা নষ্ট হচ্ছে, ৩০-৩৫ বছরে এমন মন্দা দেখেননি চাষিরা।