আখের অভাবে বন্ধ হয়ে গেল ঠাকুরগাঁও চিনিকল
এতে গত কয়েক বছরের মতো এবারও চিনিকলটিকে কোটি কোটি টাকা লোকসান গুণতে হবে
এই সূত্রের খবর আমরা সংক্ষেপ, পুনর্লিখন বা অনুবাদ করে তাদের নামেই প্রকাশ করি · ৭৭টি প্রতিবেদন
এতে গত কয়েক বছরের মতো এবারও চিনিকলটিকে কোটি কোটি টাকা লোকসান গুণতে হবে
কৃষি উপকরণের মূল্য বৃদ্ধি এবং উৎপাদিত ধানের যথাযথ মূল্য না পাওয়ায় প্রতি বিঘা জমি ১২ হাজার টাকার বিনিময়ে ৫ থেকে ১০ বছর মেয়াদের চুক্তিনামা করে ফসলি জমিতে পুকুর তৈরি করা হচ্ছে
‘চাষিরা বাজারে মধুর দাম পাচ্ছে না। গত বছর মধু অনেক চাষিই এখন পর্যন্ত পুরোটা বিক্রি করতে পারেনি। এর কারণে অনেকেই পেশা পরিবর্তন করেছে’
উৎপাদন খরচের চেয়ে লাভ বেশি হওয়ায় বিগত বছরের তুলনায় কালীগঞ্জ উপজেলায় এবার সবচেয়ে বেশি ভুট্টার আবাদ হয়েছে। তাছাড়া ভুট্টা মানুষের জন্য যেমন পুষ্টিকর তেমনই এটি এখন পোল্ট্রি ও ম
চিনির বিকল্প বেছে নিতে গিয়ে হিমশিম খেয়ে যান অনেকেই
কুল চাষে বিঘা প্রতি খরচ হয় ২০ থেকে ২২ হাজার টাকা। প্রতি কেজি কুলের পাইকারি মূল্য ৪০ থেকে ৫০ টাকা। সব খরচ বাদে বিঘা প্রতি ৯০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত লাভ করা সম্ভব
শ্রমিক দিয়ে ধানের চারা রোপণ করতে বিঘাপ্রতি ১ হাজার টাকা খরচ হলে সেখানে ‘রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের’ মাধ্যমে খরচ হয় মাত্র ২০০ টাকা
বছরের পর বছর ধরে এমন ক্ষতির মুখে পড়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকেরা
৩ শতাংশ জমিতে সবজির পরিচর্যা, বীজ ও সার ক্রয়সহ এখন পর্যন্ত সৌরভের প্রায় ৩-৪ চারশত টাকা খরচ হয়েছে। কিন্তু সে তুলনায় লাভ অনেক বেশি
ইটভাটা মালিকরা খেজুর গাছ ক্রয় করে পুড়িয়ে ফেলছেন। আবার অনেক গাছিরা গাছ কাটা বন্ধও করে দিয়েছেন। তাই এখন আর আগের মত হাটে গুড় আসছে না। হয়তো আগামীতে কালীগঞ্জের খেজুর গুড়ের হাট তা
সৌরশক্তি ব্যবহার করায় বিদ্যুৎ বা ডিজেলের ব্যবহারও নেই এবং পলি হাউজে নিয়ন্ত্রিত তাপমাত্রা ও পানি সরবরাহের কারণে অপচয়ও নেই। পোকামাকড়ের আক্রমণ না থাকায় কীটনাশকের ব্যবহারও তেমন এক
বাড়িতে বাড়িতে চলছে গুড় ও পাটালি বানানোর কাজ। এ অঞ্চলের গাছিরা শীতের শুরুতেই খেজুর গাছ কেটে ‘ঠিলে’ ঝুলিয়ে রস সংগ্রহ করছেন
শ্রমিকের মজুরি, বীজ, সার, ওষুধ ও জমির লগ্নিসহ সব মিলিয়ে ৩ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। তিনি এরইমধ্যে ৭ লাখ টাকার সবজি বিক্রি করেছেন। আরও ৫ লাখ টাকা বিক্রি করতে পারবেন বলে আশা প্রকাশ করেছে