সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৮ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৫°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৭২%বাতাস ৯ কিমি/ঘ

সাড়ে তিন লাখের গরু এখন আড়াই লাখ

রোজার ঈদের আগে ব্যাপারীরা সাড়ে তিন লাখ টাকা দাম বলেছিলেন। তিন মাস পর এখন সেই গরুর দাম উঠেছে দুই লাখ ৭০ হাজার টাকা। অথচ এই তিন মাসে গরুর ওজন বেড়েছে তিন মণের ওপরে।

রোজার ঈদের আগে ব্যাপারীরা সাড়ে তিন লাখ টাকা দাম বলেছিলেন। তিন মাস পর এখন সেই গরুর দাম উঠেছে দুই লাখ ৭০ হাজার টাকা। অথচ এই তিন মাসে গরুর ওজন বেড়েছে তিন মণের ওপরে।

ওজন বাড়ার পরও দাম এমন পড়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন গরুটির মালিক আসাদুল ইসলাম। অথচ অনেক আশা নিয়ে সন্তানের মতো গরুটি লালন-পালন করেছেন তিনি।

তার আশা ছিল ঈদুল আজহায় পাঁচ লাখ টাকায় বিক্রি করবেন। কিন্তু মহামারি করোনাভাইরাস তার সেই আশা ধূলিসাৎ করে দিয়েছে। এখন তিনি তিন লাখ টাকা হলেই গরুটি বিক্রি করবেন।

ঝিনাইদহের মহেশপুর থানার রাখালভোগা গ্রামের বাসিন্দা আসাদুল ইসলাম বলেন, আমার এক আত্মীয় গরুর ব্যবসা করেন। গত বছর তারা চট্টগ্রামে গরু নিয়ে যান। আমার গরুর মতো গরু গত বছর গাড়ি থেকে নামাতে না নামাতেই সাড়ে পাঁচ লাখ টাকায় বিক্রি হয়ে যায়।

‘এবারও আমার ওই আত্মীয় চট্টগ্রামে গরু নিয়ে গেছেন। আমার গরুটি নিয়ে যেতে বলেছিলাম। তিনি জানান, এত বড় গরু নিয়ে যেতে ভয় করছে। আপনি সঙ্গে গেলে নিয়ে যেতে পারি। কিন্তু আমি কখনও বাইরে গরু নিয়ে যাইনি। তাই তার প্রস্তাবে রাজি হইনি’ বলেন আসাদুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ব্যাপারীরা রোজার ঈদের আগে এই গরুর দাম সাড়ে তিন লাখ টাকা বলেছিলেন। এখন দুই লাখ ৭০ হাজার টাকা দাম উঠেছে। অথচ এই সময়ের মধ্যে গরুর ওজন তিন মণের মতো বেড়েছে। আবার এই তিন মাসে লালন-পালনেও মোটা অঙ্কের টাকা খরচ হয়েছে। এখন এই গরুর মাংস সাড়ে ১৬ মণের ওপর হবে।

আসাদুল ইসলাম বলেন, এখন সময় খারাপ। এ কারণে দাম পাচ্ছি না। তারপরও তিন লাখ টাকা পেলে গরুটি বিক্রি করে দেব। এর নিচে বিক্রি করা সম্ভব নয়। এবার যদি বিক্রি করতে না পারি, যত কষ্টই হোক আরও এক বছর গরুটি লালন-পালন করব। আগামী কোরবানির ঈদে ভালো দাম পাব বলে আশা করি।

এদিকে গরুটি দেখে মহেশপুর থানার ফতেপুর ইউনিয়নের গরুর ব্যবসায়ী রশিদ বলেন, গত বছর এ ধরনের গরু আমরাই পাঁচ লাখ টাকা করে কিনেছি। বাজারে নিয়ে গিয়ে সাড়ে পাঁচ লাখ টাকার ওপরে বিক্রি হয়েছে। কিন্তু এবার বাজারের অবস্থা খারাপ। বড় গরুর চাহিদা নেই। তাই বড় গরু নিতে ভয় পাচ্ছি।

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

লাইভস্টক

সম্পর্কিত খবর

লাইভস্টক

শিল্পকারখানা ছেড়ে যাযাবর পশুপালকদের দুয়ারে: প্রথাগত পনিরের খোঁজে ট্রেভর

সিয়াটলের পনির কারখানার কর্মী ট্রেভর ওয়ারমেডাহল ছয় বছরে ২০টির বেশি দেশ ঘুরে মঙ্গোলিয়ার আরুল থেকে জর্জিয়ার তুশুরি গুদা পর্যন্ত প্রথাগত পনির আর পশুপালনের জ্ঞান খুঁজেছেন।

আজকের পত্রিকা১৮ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
দৈনন্দিন

দুধে ডিটারজেন্ট আছে কি না, ঘরে ঝাঁকিয়ে প্রাথমিক ধারণা; নিশ্চিত হতে লাগবে পরীক্ষাগার

ভারতের খাদ্য নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ এফএসএসএআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, দুধ ঝাঁকিয়ে ফেনা কতক্ষণ থাকে দেখে ডিটারজেন্টের সম্ভাবনা আঁচ করা যায়; তবে এ পরীক্ষায় দুধ খাঁটি না ভেজাল, তা নিশ্চিত হয় না।

ইত্তেফাক১৮ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

খামারের পাথরেই গরুর রাস্তা: খরচ কমবে, খুরের চিকিৎসাও

নিজের জমির পাথুরে স্তূপ খুঁড়ে পাওয়া শেল পাথর দিয়ে ৩.৫ হেক্টরের চারণভূমি পর্যন্ত ৩৭০ মিটার গরুর রাস্তা বানাচ্ছেন দুগ্ধ খামারি ইওয়ান ম্যাকক্র্যাকেন, খুরের প্রতিটি সংক্রমণের আসল খরচ হিসাব করার পর।

Farmers Weekly১৮ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)