সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৫%বাতাস ৪ কিমি/ঘ

কাঠঠোকরা পাখির অজানা কাহিনি

সানজানা রহমান যুথী

সানজানা রহমান যুথী

আমাদের প্রকৃতিতে এমনও অনেক বিস্ময়কর পাখি আছে, যারা খুব সহজেই কঠিন কাজ করে ফেলে। বলছিলাম কাঠঠোকরা পাখির কথা। এরা মিনিটে একশ বারেরও বেশি ঠোকরাতে পারে। আর দিনে প্রায় আট থেকে দশ হাজারেরও বেশি গাছ ঠোকরায়। তবে সর্বশক্তি দিয়ে কাঠ ঠোকরালেও এদের মস্তিষ্কে কোনো ক্ষতি হয় না। ক্ষতি না হওয়ার অন্যতম কারণ হলো এদের জিহ্বা। এদের জিহ্বা অবিশ্বাস্য রকমের লম্বা হয়। কখনো কখনো ঠোঁটের প্রায় দ্বিগুণ।

সবচেয়ে চমকপ্রদ তথ্য হলো, কাঠঠোকরা পাখির জিহ্বা মস্তিষ্কের পেছনের দিকে পেঁচানো থাকে। মাথার পেছন ঘুরে আবার তা সামনে চলে আসে। মূলত এই জিহ্বাই কাঠঠোকরা পাখির মাথায় সিট বেল্টের মতো কাজ করে। অর্থাৎ যখন কাঠঠোকরা পাখি গাছে আঘাত করে; তখন তাদের মাথায় বিপরীত প্রতিক্রিয়া শুরু হয়। সেই প্রতিক্রিয়া কাঠঠোকরার জিহ্বা শোষণ করে নেয়। ঠোকরানোর সময় তার মস্তিষ্কের ওপর চাপ কমিয়ে দেয়।

কাঠঠোকরা পাখির কাঠ ঠোকরানোর অন্যতম কারণ হলো খাদ্য সংগ্রহ করা। এরা গাছের ভেতরে থাকা পোকা খেয়ে বেঁচে থাকে। এজন্যই কাঠঠোকরাকে গাছের ডাক্তার পাখি বলা হয়। কারণ এরা গাছের ভেতরে থাকা পোকামাকড় খেয়ে ফেলে, যা গাছের দীর্ঘদিন বেঁচে থাকার জন্য সহায়ক।

আরও পড়ুনকেন হারিয়ে যাচ্ছে শকুনহাঁস কেন ঘণ্টার পর ঘণ্টা পানিতে থাকে?

কাঠঠোকরা পাখি খাবারের খোঁজে গাছে ছোট ছোট করে ঠোকরায়। আর যদি বড় করে কোনো গাছে ঠোকরায়, তাহলে বুঝতে হবে এরা থাকার জন্য ঘর তৈরি করছে। মজার ব্যাপার হলো, এরা এক মৌসুমের বেশি এক বাসায় থাকে না। প্রতি মৌসুমে এরা নতুন করে ঘর তৈরি করে থাকে।

পুরাতন গাছের ঘরগুলোতে অন্য পাখি বসবাস করে। বাংলাদেশে বেশ কিছু প্রজাতির কাঠঠোকরা দেখা যায়। এদের মধ্যে বাংলা কাঠঠোকরা, বড় কাঠঠোকরা, মেটেটুপি কাঠঠোকরা, হিমালয়ী কাঠঠোকরা, হলদেচন্দি কাঠঠোকরা। কাঠঠোকরার বিভিন্ন প্রজাতির পাখির আকার বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। বর্ণিল দেহ, লম্বা ও শক্ত ঠোঁট আর পায়ের গড়ন—কাঠঠোকরাকে দিয়েছে স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য।

শহরের কোলাহল এদের কাঠ ঠোকরানোর শব্দ তেমন শোনা না গেলেও গ্রামাঞ্চলে বেশ পরিচিত কাঠঠোকরা পাখি। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো, শহরের মতো গ্রামেও গাছের পরিমাণ কমে যাওয়ায় এ পাখির সংখ্যা এখন বিলুপ্তির পথে। তাই আমাদের এখনই কাঠঠোকরাসহ বিভিন্ন প্রজাতির পাখি সংরক্ষণে বনায়ন করতে হবে। তবেই বাঁচবে পাখি, বাঁচবে প্রকৃতি।

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

২০২৫ সালে বিশ্বে বন উজাড় কমেছে ১৫ শতাংশ, তবু ২০৩০ সালের লক্ষ্য নাগালের বাইরে

ফরেস্ট ডিক্লারেশন অ্যাসেসমেন্ট ২০২৬ বলছে, ২০২৫ সালে বিশ্বে ৭০ লাখ হেক্টর বন হারিয়েছে, যা ২০১৮-২০ সালের পর সবচেয়ে বড় বার্ষিক পতন। তবে ২০৩০ সালের মধ্যে বন উজাড় বন্ধের পথ থেকে বিশ্ব ১ কোটি ৭ লাখ হেক্টর পিছিয়ে।

ডাউন টু আর্থ১৭ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

খাবার পানি বাঁচাতে কৃষকদের এক মৌসুম ধান না লাগানোর অনুরোধ তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রীর

বৃষ্টির ঘাটতি প্রায় ২৮ শতাংশ, জলাধারে স্বাভাবিক ৪৬২ টিএমসির জায়গায় পানি মাত্র ২০০ টিএমসি ফুট। মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডি বলছেন, আগামী বর্ষা পর্যন্ত খাবার পানি নিশ্চিত করতে কৃষিকে এক মৌসুম ছাড় দিতে হবে।

ডাউন টু আর্থ১৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সমুদ্র ঠান্ডা হলেও ১৫০ বছর গলতে থাকবে অ্যান্টার্কটিকার ‘ডুমসডে’ হিমবাহ

ব্রিটিশ অ্যান্টার্কটিক সার্ভের মডেলিং গবেষণা বলছে, সমুদ্রের তাপে গলন পুরো বন্ধ করে দিলেও পশ্চিম অ্যান্টার্কটিকার থোয়াইটস হিমবাহ বরফ হারাতে থাকবে। এটি পুরোপুরি ধসে পড়লে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়বে প্রায় ৬৫ সেন্টিমিটার।

ইউরোনিউজ১৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)