সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৫%বাতাস ৪ কিমি/ঘ

রহস্যময় দ্বীপে শুধুই সাপের বসবাস

পৃথিবী জুড়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে নানা ধরনের দ্বীপ। এমন একটা দ্বীপের কথা কী কল্পনা করা সম্ভব? যেখানে মানুষের কোনো অস্তিত্বই নেই, নেই কোনো বাসস্থান! তবে 'ইলহাদা কুইমাদা গ্রান্ডে' নামক দ্বীপে রয়েছে রহস্যের পাশাপাশি সাপের আনাগোনা।

পৃথিবী জুড়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে নানা ধরনের দ্বীপ। এমন একটা দ্বীপের কথা কী কল্পনা করা সম্ভব? যেখানে মানুষের কোনো অস্তিত্বই নেই, নেই কোনো বাসস্থান! তবে 'ইলহাদা কুইমাদা গ্রান্ডে' নামক দ্বীপে রয়েছে রহস্যের পাশাপাশি সাপের আনাগোনা।

দ্বীপটির নাম যেমন অদ্ভুত, তেমনই সুন্দর। তবে দ্বীপটিকে নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে বিরাজ করে ভয়। অধিক পরিমাণে সাপের বসবাস থাকায় এই দ্বীপ থেকে মানুষ দূরেই থাকেন। ঘরবাড়ি বা চাষাবাদ করার আগ্রহ নেই কারও মাঝে। এই দ্বীপে গেলে সাপেদের সম্মুখীন হতেই হবে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী এখানে প্রতি বর্গমিটারে কমপক্ষে ৫টি সাপ থাকে। সাপের কারণে এই দ্বীপে পাখিদের আনাগোনাও কম। তবে অভিবাসনের সময় পাখিরা এখানে বিশ্রাম নেয়, আর তখনই শিকারে নেমে পড়ে সাপেরা।

ব্রাজিলের শহর সাও পাওলো থেকে ৩৩ কিলোমিটার দূরে এই দ্বীপের অবস্থান। আনুমানিক ১১ হাজার বছর আগে সমুদ্রপৃষ্ঠের উত্থানে ব্রাজিলের মূল ভূখণ্ড থেকে পৃথক হয়ে এটি দ্বীপে পরিণত হয়। এই দ্বীপে বিষধর সাপের মধ্যে পিট ভাইপার অন্যতম এবং এই দ্বীপটিই এই সাপের প্রধান আবাসস্থল। পৃথিবীর অন্যান্য বিষধর সাপের শত শত প্রজাতিও এখানে আছে। এমনকি বোথ্রপস ইনসুলারিসের মতো সাপও আছে এখানে।

এখানকার লাইটহাউস রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বহু বছর আগে একটি পরিবার বসবাস করতেন। তবে শোনা যায়, সাপের দল ঘরে ঢুকে পুরো পরিবারকে মেরে ফেলে! এরপর থেকে বছরে একটি নির্দিষ্ট সময়ে সেই লাইটহাউসের কাজ করতে অভিজ্ঞ একটি টিম সেখানে যায়। কাজ শেষে আবার ফিরে আসে।

আরও পড়ুন: বিশ্বের যে স্থানের মানুষ এখনো পোশাক পরেন না

দ্বীপটিতে সাপের সংখ্যা নিয়ে মত পার্থক্য রয়েছে। ধারণা করা যায়, ৪ লাখ ৩০ হাজার বর্গমিটারের এই দ্বীপটিতে কমপক্ষে ৪ লাখ ৩০ হাজার সাপ রয়েছে। হিসেবে প্রতি বর্গমিটারে একটি করে। তাই দ্বীপটিকে 'আইল্যান্ড অব স্নেক' বলেও ডাকে অনেকে। এই নামেই এটি বেশি পরিচিত।

এসব সাপ আকাশে উড়ন্ত পাখিকেও ছো মেরে পেঁচিয়ে নিজের খাবারে পরিণত করে ৷ এছাড়াও টিকটিকি এবং অন্যান্য সাপও থাকে এদের খাদ্যে তালিকায়। এখানে আবাস বিরল প্রজাতির সাপ গোল্ডেন ল্যান্সহেড। মাত্র ২০ ইঞ্চি পর্যন্ত বৃদ্ধি পায় এরা। মূল খাবার হচ্ছে পাখি। এদের বিষ এতটাই মারাত্মক যে এই সাপের বিষে মানুষের মাংস মুহূর্তের মধ্যে গলে যায়।

সাপগুলোর বিষ কালোবাজারে প্রতি একশ গ্রামের দাম সাড়ে ১৭ হাজার পাউন্ডেরও বেশি। তাই এই সাপকে বাঁচাতে ব্রাজিল সরকার পদক্ষেপ নিয়েছে। বিশ্ববাজারে এই সাপের চাহিদা থাকায় চোরাকারবারিদের হাতে থেকে রক্ষা করতে এবং সাপের কামড়ে যাতে মৃত্যু না হয় সেজন্য সাধারণ মানুষকে এই দ্বীপে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ব্রাজিল সরকার।

এই দ্বীপে কাকে যেতে দেওয়া হবে আর কাকে নয় তা ঠিক করে ব্রাজিলের নৌসেনা। কারণ শুধু মানুষের নিরাপত্তা নয়, সাপেদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করাটাও তাদের লক্ষ্য। তাই কয়েকজন বিজ্ঞানী ও নৌসেনা আধিকারিক ওই দ্বীপে যেতে পারেন। দ্বীপটি জীববিজ্ঞানী এবং গবেষকদের জন্য একটি জীবন্ত পরীক্ষাগার। বিরল এই সাপদের সম্পর্কে অধ্যয়ন করতে গবেষকদেরও বিশেষ অনুমতির প্রয়োজন হয়।

কেএসকে/জেআইএম

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

২০২৫ সালে বিশ্বে বন উজাড় কমেছে ১৫ শতাংশ, তবু ২০৩০ সালের লক্ষ্য নাগালের বাইরে

ফরেস্ট ডিক্লারেশন অ্যাসেসমেন্ট ২০২৬ বলছে, ২০২৫ সালে বিশ্বে ৭০ লাখ হেক্টর বন হারিয়েছে, যা ২০১৮-২০ সালের পর সবচেয়ে বড় বার্ষিক পতন। তবে ২০৩০ সালের মধ্যে বন উজাড় বন্ধের পথ থেকে বিশ্ব ১ কোটি ৭ লাখ হেক্টর পিছিয়ে।

ডাউন টু আর্থ১৭ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

খাবার পানি বাঁচাতে কৃষকদের এক মৌসুম ধান না লাগানোর অনুরোধ তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রীর

বৃষ্টির ঘাটতি প্রায় ২৮ শতাংশ, জলাধারে স্বাভাবিক ৪৬২ টিএমসির জায়গায় পানি মাত্র ২০০ টিএমসি ফুট। মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডি বলছেন, আগামী বর্ষা পর্যন্ত খাবার পানি নিশ্চিত করতে কৃষিকে এক মৌসুম ছাড় দিতে হবে।

ডাউন টু আর্থ১৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সমুদ্র ঠান্ডা হলেও ১৫০ বছর গলতে থাকবে অ্যান্টার্কটিকার ‘ডুমসডে’ হিমবাহ

ব্রিটিশ অ্যান্টার্কটিক সার্ভের মডেলিং গবেষণা বলছে, সমুদ্রের তাপে গলন পুরো বন্ধ করে দিলেও পশ্চিম অ্যান্টার্কটিকার থোয়াইটস হিমবাহ বরফ হারাতে থাকবে। এটি পুরোপুরি ধসে পড়লে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়বে প্রায় ৬৫ সেন্টিমিটার।

ইউরোনিউজ১৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)