ভারতীয় কৃষি গবেষণা পরিষদের বেঙ্গালুরুভিত্তিক জাতীয় প্রাণিরোগতত্ত্ব ও রোগ তথ্যবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট (আইসিএআর-নিভেদি) তাদের আইএসও/আইইসি ১৭০২৫:২০১৭ মানের স্বীকৃতির পরিধি বাড়িয়ে ২৮টি প্রাণিরোগ নির্ণয় পরীক্ষায় নিয়েছে। ভারতের ন্যাশনাল অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড ফর টেস্টিং অ্যান্ড ক্যালিব্রেশন ল্যাবরেটরিজ (এনএবিএল) এই স্বীকৃতি দিয়েছে। এর আওতায় আছে গবাদিপশুর প্রধান রোগ, প্রাণী থেকে মানুষে ছড়ানো সংক্রমণ এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর)।
গরু ও মহিষের ক্ষেত্রে স্বীকৃত পরীক্ষার মধ্যে আছে ব্রুসেলোসিস, লেপটোস্পাইরোসিস, লাম্পি স্কিন ডিজিজসহ ক্যাপ্রিপক্সভাইরাস সংক্রমণ, ট্রিপানোসোমোসিস ও গরুর যক্ষ্মা। ছাগল ও ভেড়ার ক্ষেত্রে আছে পেস্ট ডে পেটিটস রুমিন্যান্টস (পিপিআর), ভেড়া বসন্ত, ছাগল বসন্ত, ব্রুসেলোসিস ও লেপটোস্পাইরোসিস।
শূকরের জন্য আফ্রিকান সোয়াইন ফিভার, ক্লাসিক্যাল সোয়াইন ফিভার, ব্রুসেলোসিস ও লেপটোস্পাইরোসিস এবং কুকুরের লেপটোস্পাইরোসিস পরীক্ষাও এর আওতায় এসেছে। গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির নির্দিষ্ট নমুনায় ই. কোলাই (Escherichia coli) ও স্ট্যাফাইলোকক্কাস (Staphylococcus) ব্যাকটেরিয়া শনাক্তকরণ এবং অ্যান্টিবায়োটিক সংবেদনশীলতা পরীক্ষাও স্বীকৃতি পেয়েছে।
ইনস্টিটিউটটি পলিমারেজ চেইন রিঅ্যাকশন (পিসিআর), রিয়েল-টাইম পিসিআর, এলাইজা, ভাইরাস নিউট্রালাইজেশন ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল সংবেদনশীলতা পরীক্ষার মতো আণবিক, সেরোলজিক্যাল ও অণুজীববিজ্ঞান পদ্ধতি ব্যবহার করে।
আইসিএআর বলছে, এতে মানসম্পন্ন প্রাণিরোগ নির্ণয়, রোগের প্রাদুর্ভাব দ্রুত শনাক্তকরণ, নজরদারি এবং ‘ওয়ান হেলথ’ দৃষ্টিভঙ্গিতে প্রস্তুতির ক্ষেত্রে ভারতের সক্ষমতা বাড়বে। সংশোধিত পরিধি ৭ অক্টোবর ২০২৬ অনুমোদিত হয়েছে এবং এনএবিএলের শর্ত মেনে চললে ৪ ডিসেম্বর ২০২৯ পর্যন্ত বহাল থাকবে।
ছবি: Scott Bauer, USDA ARS / উইকিমিডিয়া কমন্স (Public domain)
সূত্র: আইসিএআর




মন্তব্য
(০)