Skip to content
দা এগ্রো নিউজদা এগ্রো নিউজকৃষি ও কৃষকের সংবাদ
সাবস্ক্রাইব

নন্দীগ্রামে কার্তিকের শুরুতেই কৃষকের ঘরে নতুন ধান

বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলায় কার্তিক মাসের শুরুতেই কৃষকের ঘরে উঠতে শুরু করেছে নতুন ধান। ধানের ফলন ও দাম ভালো হওয়ায় কৃষকরাও বেশ খুশি। তারা বলছেন, জমি ফেলে রাখার চাইতে আগাম চাষ করে

কালের কণ্ঠ২৪ অক্টোবর ২০২১ · ২ মিনিটের পড়া

বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলায় কার্তিক মাসের শুরুতেই কৃষকের ঘরে উঠতে শুরু করেছে নতুন ধান। ধানের ফলন ও দাম ভালো হওয়ায় কৃষকরাও বেশ খুশি। তারা বলছেন, জমি ফেলে রাখার চাইতে আগাম চাষ করে ঘরে তুলে সেই জমিতে রবিশস্য আলু অথবা সরিষা চাষ করবেন। অগ্রহায়ণ মাসের শুরু থেকে পুরোদমে ধান কাটা শুরু হবে এই উপজেলায়।

জানা গেছে, নন্দীগ্রাম উপজেলায় আগাম চাষ করা বিনা-৭, বিনা-১৭ ও মিনিকেট ধানের চাষ করা হয় সবচেয়ে বেশি। চারা রোপণের ১০০ থেকে ১১০ দিনের মধ্যে ধান ঘরে তুলতে পারার কারণে এই অঞ্চলের কৃষকরা গত ৬ বছর ধরে এইসব ধানের চাষ করে আসছেন। আর মিনিকেট ধানের চাষ হয় দীর্ঘদিন ধরে। ধান চিকন হওয়ায় বিনা-৭ ও মিনিকেট ধানের চালের চাহিদাও রয়েছে ব্যাপক। উপজেলার ফসলের মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, ২৫ ভাগ জমির ধান পাকতে শুরু করেছে। কার্তিক মাসে এ অঞ্চলে মাঠে তেমন কাজ না থাকায় শ্রমিক সংকটও নেই। এ কারণে মাঠে পেকে যাওয়া ধান কেটে ঘরে তুলছেন কৃষক।

নন্দীগ্রাম পৌরসভার পূর্বপাড়া গ্রামে কৃষক শহিদুল ইসলাম বলেন, ত্রিশ বিঘা জমিতে বিনা-৭ ও কাটারি জাতের ধান চাষ করা হয়েছে। আষাঢ় মাসের শেষ সপ্তাহে চারা রোপণ করে কার্তিক মাসের শুরুতেই ধান কেটে ঘরে তুলছেন। প্রতি বিঘা জমিতে খরচ হয়েছে ৮ হাজার টাকা।

কালিকাপুর গ্রামের কৃষক রেজাউল হোসেন বলেন, বিনা-১৭, বিনা-৭ ও মিনিকেট জাতের ধান চাষ করেছেন। ধান কেটে জমিতে রবিশস্য আলু এবং সরিষা চাষ করা হবে। ধান চাষের জন্য প্রসিদ্ধ উপজেলার হাট-বাজারগুলোতে আগাম জাতের নতুন ধান উঠতে শুরু করেছে। বিক্রি হচ্ছে ১০৫০ থেকে ৯৮০ টাকা মণ দরে।

এ বিষয়ে নন্দীগ্রাম উপজেলা কৃষি অফিসার আদনান বাবু বলেন, আমন মৌসুমে এবার ভালো ফলন হয়েছে। এই উপজেলায় ১৯ হাজার ৩৮০ হেক্টর জমিতে আমন চাষ করা হয়েছে। এর মধ্যে ২ হাজার ৪৬৫ হেক্টর জমিতে আগাম জাতের বিনা-৭ ও মিনিকেট ধানের চাষ হয়েছে।

ট্যাগ#কার্তিক#ধান#কৃষক
কালের কণ্ঠদা এগ্রো নিউজ

সম্পর্কিত খবর

মন্তব্য

()