সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

নওগাঁয় বেড়েছে আমের দাম

নওগাঁর সাপাহার উপজেলা সদরের প্রায় ৪ কিলোমিটার সড়কের পাশে বসে আমের হাট। কিন্তু শিক্ষার্থীদের চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলন এবং সরকারের দেওয়া কারফিউয়ের প্রভাবে ভাটা পড়েছে এই আমের হাটে। বুধবার (২৪ জুলাই) সাপাহার আমের হাটে তেমন ভিড় লক্ষ্য করা যায়নি। তবে বাজারে আমদানি কম থাকায় বেড়েছে আমের দাম।

নওগাঁর সাপাহার উপজেলা সদরের প্রায় ৪ কিলোমিটার সড়কের পাশে বসে আমের হাট। কিন্তু শিক্ষার্থীদের চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলন এবং সরকারের দেওয়া কারফিউয়ের প্রভাবে ভাটা পড়েছে এই আমের হাটে। বুধবার (২৪ জুলাই) সাপাহার আমের হাটে তেমন ভিড় লক্ষ্য করা যায়নি। তবে বাজারে আমদানি কম থাকায় বেড়েছে আমের দাম।

সরেজমিনে দেখা যায়, প্রতিমণ আম্রপালি আমের দাম সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে ১ হাজার থেকে ১২০০ টাকা, বারি-৪ বেড়েছে ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকা, ফজলি ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা, ব্যানানা ম্যাঙ্গো ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা।

বুধবার (২৪ জুলাই) সাপাহার আমের হাটে প্রতিমণ আম্রপালি বিক্রি হয়েছে ৩ হাজার ৮০০ টাকা থেকে ৫ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত। প্রতিমণ বারি-৪ বিক্রি হয়েছে ৩ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ৪ হাজার ৩০০ টাকা। প্রতিমণ ফজলি আম বিক্রি হয়েছে ৩ হাজার থেকে ৩ হাজার ৪০০ টাকা। ব্যানানা ম্যাঙ্গো বিক্রি হয়েছে ৫ হাজার ৫০০ থেকে ৬ হাজার ২০০ টাকা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, জেলায় এ বছর ৩০ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে আমচাষ হয়েছে। সেখান থেকে ৪ লাখ ২৪ হাজার ২০০ টন আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সাপাহার সদর ইউনিয়নের বাহাপুর গ্রামের আমচাষি রাকিব হাসান বলেন, বাজরে ১০ মণ আম এনেছি, প্রতিমণ আম ৪ হাজার ৩০০ টাকা দরে বিক্রি করেছি। গত তিন থেকে চারদিনের তুলনায় বাজারে আজ আমের দাম ভালো। নিজস্ব ১০ বিঘা জমিতে আমের বাগান করেছি। এ বছর সব মিলিয়ে ৮ থেকে ৯ লাখ টাকার আম বিক্রি হবে।

তিনি বলেন, এ বছর বৃষ্টি কম হওয়ায় গতবছরের তুলনায় কিটনাশক খরচ কম হয়েছে। আমের দামও গতবছরের থেকে ভালো, যার কারণে লাভবান হতে পারবো।

পত্নীতলা উপজেলার দিবর ইউনিয়নের বনগ্রামের আমচাষি কাওছার আলী বলেন, বজারে ৮ মণ আম্রপালি আম এনেছিলাম। প্রতিমণ আম ৫ হাজার ৩০০ টাকা দরে বিক্রি করেছি। মাঝে কিছুটা দাম কম থাকলেও এখন দাম ভালো। বাজরে আম নিয়ে বিক্রির জন্য বেশিক্ষণ অপেক্ষাও করতে হয় না।

কাওছার আলী আরও বলেন, ১ বিঘা জমিতে আমচাষে ২০-২৫ হাজার টাকা খরচ হয়ে থাকে। এবছর গাছে তুলনামূলক আম কম থাকলেও সাইজ বড় হওয়ার কারণে ফলন ভালোই হচ্ছে। বিঘা প্রতি ৮৫ হাজার থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার আম বিক্রি হচ্ছে।

দাম বৃদ্ধির ব্যাপরে জানতে চাইলে মাদারীপুরের মৌসুমী ব্যবসায়ী মজিবর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, প্রায় তিন থেকে চার বছর ধরে সাপাহার বাজারে ব্যবসা করে আসছি। এ বছর শুরু থেকে আমের দাম বেশি। কারফিউয়ের প্রভাবে এবং আমের শেষ সময় আসায় গত তিন থেকে চার দিনে দাম আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। বুধবার যে আম কিনেছি ৩৭০০-৩৮০০ টাকা আজ (২৪ জুলাই) সেই আম কিনতে হচ্ছে ৪৮০০-৫০০০ হাজার টাকা। বাজারে আমের আমদানি কম এবং ব্যাপারী বেশি হওয়ার কারণে দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে।

নওগাঁ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ আবুল কালাম আজাদ জানান, কারফিউ শুরুর দিনই জেলা প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক করেছি। আম বিক্রয় কিংবা পরিবহনে যেন কোনো সমস্যা না হয় সে লক্ষ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সকল প্রকার কৃষি পণ্যকে কারফিউয়ের আওতামুক্ত রাখা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বাজারে যেন কোনো সমস্যা না হয় সে লক্ষ্যে জেলা কৃষি সম্প্রসারণের কর্মকর্তা এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তারা নিয়মিত বাজার মনিটরিং করে যাচ্ছেন। আম বিক্রয় এবং পরিবহনে জেলা প্রশাসন এবং কৃষি বিভাগ থেকে সহযোগিতা করা হচ্ছে।

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি চারটি তাজা আপেলের একটি যায় বিদেশে, রপ্তানি আয় রেকর্ড

২০২৫/২৬ বিপণন বছরে যুক্তরাষ্ট্র ১৮৭ কোটি পাউন্ড তাজা আপেল রপ্তানি করেছে, যা মোট তাজা উৎপাদনের প্রায় ২৬ শতাংশ। রপ্তানি আয় রেকর্ড ১১৬ কোটি ডলারে পৌঁছেছে; বড় ক্রেতা মেক্সিকো ও কানাডা।

ers_usda১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

রাজবাড়ীর বাজিতপুরে দুই একরে চার হাজার ড্রাগন গাছ, দিনে উঠছে ৫০ মণ ফল

রাজবাড়ী সদরের বসন্তপুর ইউনিয়নের বাজিতপুরে জেলার সবচেয়ে বড় ড্রাগন বাগানে গাছপ্রতি ১০-১২ কেজি ফল ধরেছে; ভরা মৌসুমে দিনে প্রায় দুই হাজার কেজি ফল উঠছে, পাইকারি দর কেজি ১৫০ টাকা।

ঢাকা মেইল১৫ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

আপেলগাছের গোড়ায় লালচে গুঁড়া? সতর্ক করছে বিরল কাণ্ড ছিদ্রকারী পোকা

কানাডার ম্যানিটোবার কৃষি বিভাগ ফলচাষিদের রাউন্ডহেডেড অ্যাপল ট্রি বোরার নিয়ে সতর্ক থাকতে বলছে। এই লম্বা-শুঙ্গ গুবরে পোকার কীড়া জীবন্ত আপেল ও সাস্কাটুন গাছের ভেতরে তিন বছর পর্যন্ত সুড়ঙ্গ কাটে; কাণ্ডের গোড়ায় লালচে গুঁড়াই সবচেয়ে স্পষ্ট লক্ষণ।

Manitoba Co-operator১৫ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)