সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৯°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৫৮%বাতাস ৬ কিমি/ঘ

ভারতের শহরে ৯৪ শতাংশ ক্রেতা কালচার্ড মাংস কিনতে আগ্রহী, বাধা দাম ও আস্থা

গুড ফুড ইনস্টিটিউট ইন্ডিয়ার গবেষণায় দিল্লি, মুম্বাই, বেঙ্গালুরু ও হায়দরাবাদের ৯৪ শতাংশ উত্তরদাতা গবেষণাগারে কোষ থেকে তৈরি মাংস চেখে দেখতে ও কিনতে রাজি; পছন্দের শীর্ষে মুরগি, তবে দাম, সহজলভ্যতা আর নিরাপত্তা অনুমোদনে আস্থাই মূল প্রশ্ন।

ভারতের শহরে ৯৪ শতাংশ ক্রেতা কালচার্ড মাংস কিনতে আগ্রহী, বাধা দাম ও আস্থা
এগ্রোটেক

ভারতের বড় শহরগুলোর ৯৪ শতাংশ মানুষ কালচার্ড মাংস, অর্থাৎ পশু পালন না করে প্রাণীর কোষ থেকে তৈরি মাংস চেখে দেখতে ও কিনতে আগ্রহী বলে জানিয়েছে গুড ফুড ইনস্টিটিউট (জিএফআই) ইন্ডিয়ার নতুন গবেষণা। নয়াদিল্লি, মুম্বাই, বেঙ্গালুরু ও হায়দরাবাদের ১৮ থেকে ৪৪ বছর বয়সীদের নিয়ে আটটি দলগত আলোচনা এবং ৪১৪ জনের অনলাইন জরিপের ভিত্তিতে এই গবেষণা।

উত্তরদাতাদের ৯১ শতাংশ কালচার্ড মাংসকে আকর্ষণীয় মনে করেন, ৫২ শতাংশ ধারণাটিকে 'চমৎকার' বলেছেন। প্রায় তিন-চতুর্থাংশ মনে করেন এটি প্রাণী ও পৃথিবীর জন্য প্রচলিত মাংসের চেয়ে ভালো; ৬৯ শতাংশের মতে খাওয়া বেশি নিরাপদ, ৬৩ শতাংশের মতে বেশি স্বাস্থ্যকর, ৬১ শতাংশের মতে বেশি পুষ্টিকর। পছন্দের শীর্ষে মুরগি, ৯৪ শতাংশ কালচার্ড মুরগি খেতে রাজি; এরপর খাসি বা ভেড়ার মাংস (৭৮ শতাংশ) ও মাছ (৬১ শতাংশ)।

প্রচলিত মাংস নিয়ে ক্রেতাদের দুশ্চিন্তাও আগ্রহের একটি কারণ: ৪৬ শতাংশ তাজা ভাব ও মান নিয়ে, ৩৯ শতাংশ রোগ, দূষণ ও খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে এবং এক-তৃতীয়াংশ অ্যান্টিবায়োটিক ও পরিচ্ছন্নতা নিয়ে উদ্বিগ্ন। বেশির ভাগই কালচার্ড মাংসকে প্রচলিত মাংসের পরিপূরক হিসেবে দেখেন; ৫২ শতাংশ দুটোই খেতে আগ্রহী।

সবচেয়ে বড় বাধা দাম, বলেছেন ৩৫ শতাংশ; বাড়তি দাম তাঁরা দিতে চান মাত্র ১৫-২০ শতাংশের মতো। সহজলভ্যতা (২৭ শতাংশ), উপকরণ (২৪ শতাংশ), কৃত্রিম প্রক্রিয়া (২০ শতাংশ) ও নিরাপত্তা (১৮ শতাংশ) নিয়েও প্রশ্ন আছে। জিএফআই ইন্ডিয়ার মতে আস্থাই মূল; ভারতের খাদ্য নিরাপত্তা ও মানদণ্ড কর্তৃপক্ষের (এফএসএসএআই) অনুমোদন ও তৃতীয় পক্ষের সনদ সবচেয়ে বড় ভরসা। ক্রেতারা অনলাইনে কাঁচা কিনে বাড়িতে রান্না করতে চান, যদিও বিদেশে অনুমোদন পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো আগে রেস্তোরাঁয় বিক্রির পথ নিয়েছে।

জিএফআই ইন্ডিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক স্নেহা সিং বলেন, ভারতে মাংসের চাহিদা যত বাড়ছে, কালচার্ড মাংসের মতো উদ্ভাবনী খাদ্যপ্রযুক্তি পছন্দের খাবার না ছেড়েই টেকসইভাবে সেই চাহিদা মেটাতে পারে। ভারতের স্টার্টআপগুলো এখনো নিয়ন্ত্রক অনুমোদনের অপেক্ষায়।

প্রতিবেদনটি গ্রিন কুইনের জন্য লিখেছেন আনায় মৃদুল।

ছবি: World Economic Forum / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 3.0)

সূত্র: Green Queen

Green Queenসূত্র

এগ্রোটেক

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

সৌরশক্তির রিসার্কুলেটিং ট্যাংকে পাহাড়ে ট্রাউট চাষ, পানি লাগবে ৮০ শতাংশ কম

ভারতের উত্তরাখণ্ডের এক খামারে সৌরশক্তিচালিত হাইব্রিড রিসার্কুলেটিং অ্যাকুয়াকালচার সিস্টেম চালু করেছে আইসিএআর-সিআইসিএফআর; প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এতে পানি প্রায় ৮০ শতাংশ কম লাগে এবং একজন ট্রাউটচাষি বছরে ৪ থেকে ৫ লাখ রুপি উদ্বৃত্ত পেতে পারেন।

আইসিএআর১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

শিকড়ের কাছে তরল সার পৌঁছাবে হালকা যন্ত্র, পরের লক্ষ্য সার দেওয়ার রোবট

নেদারল্যান্ডসের এক প্রদর্শনীতে দেখানো হালকা ডিস্ক যন্ত্রটি তরল সার সরাসরি মাটির ভেতরে দেয়। এর উদ্ভাবকেরা একে বিদ্যুৎচালিত এমন রোবটে রূপ দিতে চান, যা নিজেই ডকিং স্টেশনে গিয়ে ট্যাংক ভরে নেবে।

Future Farming১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফসল

২০ নভেম্বরের আগে গম বুনুন: উত্তর প্রদেশে শূন্য চাষ পদ্ধতির প্রশিক্ষণ দিল ইরি ও সিমিট

খড় পোড়ানোর বিকল্প হিসেবে শূন্য চাষে গম বপন ও ফসলের অবশিষ্টাংশ ব্যবস্থাপনায় পূর্ব উত্তর প্রদেশের ৬৩ জন কৃষক, যন্ত্রসেবাদাতা ও সম্প্রসারণকর্মীকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে ইরি ও সিমিট।

IRRI১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)