সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৫%বাতাস ৪ কিমি/ঘ

ধানের মাজরা পোকা দমন করবেন যেভাবে

মাজরা পোকা ধানের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এই পোকা ধানগাছের কাণ্ডে ঢুকে কাণ্ডকে নষ্ট করে ফেলে। ফলে ধানের ফলন কমে যায়। মাজরা পোকার আক্রমণে ফলন কমে যায় ১৩ থেকে ২৬ শতাংশ। তবে ব্যাপক আক্রমণ হলে ৩০ থেকে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত ফলনের ঘাটতি হতে পারে। ফলে ধান চাষের জন্য মাজরা পোকা দমন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কীভাবে ধানে

মাজরা পোকা ধানের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এই পোকা ধানগাছের কাণ্ডে ঢুকে কাণ্ডকে নষ্ট করে ফেলে। ফলে ধানের ফলন কমে যায়। মাজরা পোকার আক্রমণে ফলন কমে যায় ১৩ থেকে ২৬ শতাংশ। তবে ব্যাপক আক্রমণ হলে ৩০ থেকে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত ফলনের ঘাটতি হতে পারে। ফলে ধান চাষের জন্য মাজরা পোকা দমন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কীভাবে ধানের এ পোকা দমন করা যায় সে বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছে কৃষি তথ্য সার্ভিস।

তথ্য সার্ভিস বলছে, তিন প্রজাতির মাজরা পোকা আছে। এগুলো হলো- হলুদ মাজরা, কালোমাথা মাজরা এবং গোলাপী মাজরা পোকা। এ পোকার ক্ষতি থেকে ফসল বাঁচাতে যা করবেন-

১. ক্ষেতে ডালপালা পুতে পার্চিং করা হলে পাখি বসে মাজরা পোকা ও মথ খেয়ে কমিয়ে ফেলে। মাজরা পোকার পূর্ণবয়স্ক মথের প্রাদুর্ভাব দেখা গেলে ধানক্ষেতের পাশে আলোক ফাঁদ বসিয়ে মাজরার মথ সংগ্রহ করে ধ্বংস করতে হবে।

২. ক্ষেত নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করে হাতজাল দিয়ে মাজরা পোকার মথ ও ডিম সংগ্রহ করে ধ্বংস করতে হবে।

৩. প্রাকৃতিকভাবেও মাজরা পোকা ধ্বংস করা যায়। লেডি বার্ড বিটল, মিরিড বাগ, লম্বাওড়, উড়চুঙ্গা, লম্বাশুড় ঘাসফড়িং, মিরিড বাগ এসব পোকা মাজরা পোকার ডিম খায়।

৪. পাখি, মাছ, ব্যাঙ, ড্যামসেল ও ড্রাগন ফ্লাই মাজরা পোকার মথ খায়। তাছাড়া কিছু পরজীবী যেমন- ট্রাইকোগ্রামা, টেলিনোমাস, টেট্রাটিকাস মাজরা পোকার ডিমকে আক্রান্ত করে নষ্ট করে দেয়।

৫. তবে সরাসরি পরজীবী পোকার কোনো ব্যবস্থা নিতে না পারলে বালাইনাশক ব্যবহার করা যেতে পারে। যেহেতু মাজরা পোকা গাছের কাণ্ডের ভেতরে অবস্থান করে, তাই সিস্টেমিক জাতীয় বালাইনাশক ব্যবহার করতে হবে। কীটনাশক হিসেবে ছায়ানট্রানিলিপ্রোল + লুফেনিউরন, ফ্লুবেনডিয়ামাইড + থায়াক্লোপ্রিড, কাটাপ-১২% + এসিটামিপ্রিড-৩%, কার্বোফুরান, ক্লোরোপাইরিফস, এসিফেট, কার্বোসালফান, কারটাপ, ফিপ্রোনিল, ফ্লুবেনডিয়ামাইড, থায়ামেথোক্সাম + ক্লোরানট্রানিলিপ্রোল এসব গ্রুপের ওষুধ অনুমোদিত মাত্রায় ব্যবহার করতে হবে।

৬. একই গ্রুপের কীটনাশক একই পোকা দমনের জন্য পর্যায়ক্রমে বা প্রতি মৌসুমে ব্যবহার না করে বিভিন্ন গ্রুপের কীটনাশক ব্যবহার করলে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়।

৭. যেসব এলাকায় প্রতিবছর এই পোকার আক্রমণ হয় সেসব এলাকায় আমন ধান কাটার পর নাড়া চাষ/পুড়িয়ে পুত্তলি নষ্ট করা যায়।

কীটনাশক ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যেমন- সাইপামেথ্রিন, আলফা- সাইপামেথ্রিন, নামডা সাইহেলোথ্রিন, ডেলথামেথ্রিন, ফেনভেলারেট গ্রুপের কীটনাশক ব্যবহার করা যাবে না। এমনকি এই গ্রুপের কীটনাশক অনুমোদিত গ্রুপের কীটনাশকের সঙ্গে মিশিয়েও ব্যবহার করা যাবে না। প্রতি বর্গমিটারে ২-৩টি স্ত্রী মথ পাওয়া যায় বা ১০ থেকে ১৫ শতাংশ কুশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ক্ষেত্রবিশেষ ৫ শতাংশ কুশি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কীটনাশক ব্যবহার করা যাবে।

এনএইচ/কেএসআর/এমএস

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

ফসল

সম্পর্কিত খবর

এগ্রোবিজ

খরিফে ধাক্কার পর রবি মৌসুমেও এল নিনোর শঙ্কা, ভারতের কৃষি জিডিপি সংকোচনের মুখে

বর্ষায় ১৩ শতাংশ কম বৃষ্টিতে খরিফ উৎপাদন কমেছে, মহারাষ্ট্র ও কর্ণাটকের ৪৯১টি তালুকে খরা ঘোষণা হয়েছে, ট্রাক্টর বিক্রি কমছে আর ছোলার দাম কেজিতে ১০০ রুপির দিকে। কৃষকেরা এখনও ত্রাণের অপেক্ষায়, লিখেছে রুরাল ভয়েস।

Rural Voice১৭ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

আগাম জাতের ধানে আকস্মিক বন্যার ক্ষতি কমছে সুনামগঞ্জের হাওরের ৩,০০০ পরিবারের

হাওর অঞ্চলে ইরির জলবায়ু-সহনশীল ধান মূল্যশৃঙ্খল প্রকল্প সরাসরি ৩,০০০ কৃষক পরিবারের কাছে পৌঁছেছে। নারীদের পরিচালিত পাঁচটি কমিউনিটি বীজ ব্যাংক হয়েছে, কৃষি উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ পেয়েছেন দুই হাজারের বেশি কৃষক।

IRRI১৭ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

খাবার পানি বাঁচাতে কৃষকদের এক মৌসুম ধান না লাগানোর অনুরোধ তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রীর

বৃষ্টির ঘাটতি প্রায় ২৮ শতাংশ, জলাধারে স্বাভাবিক ৪৬২ টিএমসির জায়গায় পানি মাত্র ২০০ টিএমসি ফুট। মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডি বলছেন, আগামী বর্ষা পর্যন্ত খাবার পানি নিশ্চিত করতে কৃষিকে এক মৌসুম ছাড় দিতে হবে।

ডাউন টু আর্থ১৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)