সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৫%বাতাস ৪ কিমি/ঘ

কলেজশিক্ষকের হাত ধরে চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রথম আনারস চাষ

আব্দুল জব্বার পেশায় একজন কলেজশিক্ষক। তবে আমের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত কয়েক যুগ ধরে। গত ৫-৬ বছর থেকে আম ব্যবসায় লোকশান গুনছিলেন তিনি। তাই জিআই স্বীকৃতিপ্রাপ্ত ফজলি আমের বাগান কেটে আনারসের চাষ শুরু করেছেন তিনি।

আব্দুল জব্বার পেশায় একজন কলেজশিক্ষক। তবে আমের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত কয়েক যুগ ধরে। গত ৫-৬ বছর থেকে আম ব্যবসায় লোকশান গুনছিলেন তিনি। তাই জিআই স্বীকৃতিপ্রাপ্ত ফজলি আমের বাগান কেটে আনারসের চাষ শুরু করেছেন তিনি।

তবে আমের ব্যবসা ছেড়ে দেননি তিনি। আনারসের জমিতে লাগিয়েছেন নাবি জাতের কাটিমন আমের গাছ। সাথী ফসল হিসেবে চাষ করেছেন আনারস।

আব্দুল জব্বারের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার দাইপুকুরিয়া ইউনিয়নের মির্জাপুর গ্রামে।

আব্দুল জব্বার জাগো নিউজকে বলেন, যুগ যুগ ধরেই আমরা পারিবারিকভাবে সবাই আম ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। কিন্তু গত ৫-৬ বছর ধরে ফজলি আমের দাম পাচ্ছি না। এতে প্রচুর লোকসান গুনতে হয়েছে আমাকে। তাই সিদ্ধান্ত নিলাম আম গাছ কেটে ফেলে আনারসের চাষ শুরু করবো।

মূলত এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হচ্ছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের কোথাও আনারসের চাষ হয় না। আমরা টাঙ্গাইলসহ বিভিন্ন জেলা থেকে আনারস কিনে এনে এই জেলার চাহিদা পূরণ করি। আমের রাজধানীতে আনারসের চাষ হলে আমরা নিজেদের উৎপাদিত আনারস দিয়েই চাহিদা পূরণ করতে পারবো।

তিনি বলেন, আমি খাগড়াছড়ি থেকে চারা এনে ১ একর ১৩ শতক জমিতে জলডুবরি জাতের ২৬ হাজার আনারসের গাছ লাগিয়েছি। কিছু গাছে আনারস আসতে শুরু করেছে। এখন পর্যন্ত আমার খরচ হয়েছে প্রায় দুই লাখ টাকা। তবে কেমন লাভবান হবো বুঝতে পারছি না। কারণ এর আগে আনারসের চাষ করিনি।

স্থানীয় আনারুল হক বলেন, আমাদের এলাকায় আম ছাড়া অন্য কোনো ফসল উৎপাদন হয় না। কিন্তু আব্দুল জব্বার সাহস করে খাগড়াছড়ি থেকে আনারসের চারা এনে লাগিয়েছেন। তাই এলাকার মানুষ অনেকে জব্বারের আনারসের জমি দেখতে চান। আমি আশায় আছি, জব্বার ভাই যদি সফলতা অর্জন করেন তাহলে আমিও আনারসের চাষ করবো।

আব্দুল জব্বারের আনারসের জমির শ্রমিক মোতাহের আলী জানান, এখান থেকে তাকে দিনে ৩০০ টাকা করে দেওয়া হয়। এতেই চলে তার সংসার।

শিবগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম বলেন, আমি বেশ কয়েকবার আব্দুল জাব্বারের আনারসের জমিতে গিয়েছি। একই জমিতে নাবি জাতের কাটিমন আমগাছও লাগিয়েছেন তিনি। জেলায় এই প্রথম আনারসের চাষ হচ্ছে। এটি আরও বাড়লে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবেন এ জেলার মানুষ।

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি চারটি তাজা আপেলের একটি যায় বিদেশে, রপ্তানি আয় রেকর্ড

২০২৫/২৬ বিপণন বছরে যুক্তরাষ্ট্র ১৮৭ কোটি পাউন্ড তাজা আপেল রপ্তানি করেছে, যা মোট তাজা উৎপাদনের প্রায় ২৬ শতাংশ। রপ্তানি আয় রেকর্ড ১১৬ কোটি ডলারে পৌঁছেছে; বড় ক্রেতা মেক্সিকো ও কানাডা।

ers_usda১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

রাজবাড়ীর বাজিতপুরে দুই একরে চার হাজার ড্রাগন গাছ, দিনে উঠছে ৫০ মণ ফল

রাজবাড়ী সদরের বসন্তপুর ইউনিয়নের বাজিতপুরে জেলার সবচেয়ে বড় ড্রাগন বাগানে গাছপ্রতি ১০-১২ কেজি ফল ধরেছে; ভরা মৌসুমে দিনে প্রায় দুই হাজার কেজি ফল উঠছে, পাইকারি দর কেজি ১৫০ টাকা।

ঢাকা মেইল১৫ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

আপেলগাছের গোড়ায় লালচে গুঁড়া? সতর্ক করছে বিরল কাণ্ড ছিদ্রকারী পোকা

কানাডার ম্যানিটোবার কৃষি বিভাগ ফলচাষিদের রাউন্ডহেডেড অ্যাপল ট্রি বোরার নিয়ে সতর্ক থাকতে বলছে। এই লম্বা-শুঙ্গ গুবরে পোকার কীড়া জীবন্ত আপেল ও সাস্কাটুন গাছের ভেতরে তিন বছর পর্যন্ত সুড়ঙ্গ কাটে; কাণ্ডের গোড়ায় লালচে গুঁড়াই সবচেয়ে স্পষ্ট লক্ষণ।

Manitoba Co-operator১৫ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)