মৌলভীবাজারে বন্যায় চার হাজার ঘর ক্ষতিগ্রস্ত
মৌলভীবাজারে বন্যায় চার হাজার কাঁচা ও আধাপাকা ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন বাসিন্দারা।
মৌলভীবাজারে বন্যায় চার হাজার কাঁচা ও আধাপাকা ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন বাসিন্দারা।
মৌলভীবাজারে এবারের বন্যায় প্রায় পাঁচ শতাধিক হেক্টর জমির ফসল ও পাঁচ শতাধিক মাছের ঘের ভেসে গেছে। বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋণ এনে মাছের খামার করেছেন কৃষক ও মৎস্য চাষিরা। বন্যায় ফসলের ক্ষতি ও মাছ ভেসে যাওয়ায় দিশাহারা হয়ে পড়েছেন তারা।
চলমান বন্যায় মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ, কুলাউড়া, রাজনগর ও সদর উপজেলার প্রায় ২৮টি ইউনিয়নের মানুষ গবাদিপশু নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন। বন্যার পানিতে বসতঘর ও চারণভূমি তলিয়ে যাওয়ায় দেখা দিয়েছে তীব্র গো-খাদ্য সংকট। খাদ্যের অভাবে অনেক গবাদিপশু অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে অনেকে কম দামে গরু বিক্রি করতেও পারছেন
পরিবেশ২০২৬ সালের জুলাইয়ের বন্যার পানি নামতে শুরু করলেও বান্দরবান পৌর এলাকার সড়ক, ড্রেন ও বাড়িঘরে জমে থাকা কাদা ও পচা বর্জ্যের দুর্গন্ধে ভোগান্তিতে পড়েন বাসিন্দারা; পানিবাহিত রোগ ছড়ানোর আশঙ্কাও দেখা দেয়।
ফসল২০২৬ সালের জুলাইয়ে দেশের অধিকাংশ এলাকায় ১২ থেকে ১৪ জুলাই ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির পূর্বাভাসের মধ্যে আমন বীজতলা ও চারা রোপণ পর্যায়ের জন্য কৃষি পরামর্শ দেয় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি)।
কুড়িগ্রামে বন্যার পানি নামতে শুরু করেছে। এতে দুর্যোগের ক্ষতচিহ্ন এখন আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। একদিকে তীব্র নদীভাঙনে বিলীন হচ্ছে বসতভিটা, অন্যদিকে পানিতে তলিয়ে নষ্ট হয়েছে শত শত হেক্টর ফসলি জমি। ফলে ঘরবাড়ি হারানোর শঙ্কা ও কৃষি ক্ষতির দ্বৈত সংকটে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন জেলার হাজারো মানুষ।
টানা বৃষ্টি ও বন্যার কারণে বান্দরবানের একটি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রে (সাবস্টেশন) পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে। পরিস্থিতির আরও অবনতি হলে নিরাপত্তার স্বার্থে উপকেন্দ্রটির কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে। এতে জেলার অন্তত ১০ হাজারের বেশি গ্রাহক সাময়িকভাবে বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
পরিবেশবন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র ২০২৬ সালের ১১ জুলাই জানায়, টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে চারটি নদীর ছয়টি পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ওপরে ছিল; বান্দরবানে সাঙ্গু ছিল ১০৭ সেন্টিমিটার ওপরে।
টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জের নদ-নদীর পানি ক্রমেই বাড়ছে। এ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে জেলায় স্বল্পমেয়াদি বন্যার আশঙ্কা করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।
পরিবেশ২০২৬ সালের ৯ জুলাই উজানের পাহাড়ি ঢলে বিশ্বম্ভরপুরের শক্তিয়ারখলা ও তাহিরপুরের আনোয়ারপুর সড়ক আবার তলিয়ে যায়, জেলা শহরের সঙ্গে তাহিরপুরের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়। ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ২৬৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়, যা ছিল মৌসুমের সর্বোচ্চ।
সম্ভাব্য বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে ফেনী জেলা প্রশাসন। বিভিন্ন উপজেলায় ২২৪টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখার পাশাপাশি পর্যাপ্ত ত্রাণসামগ্রী, উদ্ধার সরঞ্জাম ও নৌযান মজুত করা হয়েছে। একই সঙ্গে দুর্যোগ মোকাবিলায় উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডভিত্তিক স্বেচ্ছাসেবক দল গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অব্যাহত ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে খাগড়াছড়িতে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। চেঙ্গী ও মাইনী নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। একের পর এক সড়ক পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় জেলার সঙ্গে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এতে দীঘিনালা লংগদু ও দী
পরিবেশউজানে ভারী বৃষ্টির কারণে ২০২৬ সালের জুলাই ও আগস্টে ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা অববাহিকায় বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে বলে জুলাইয়ের শুরুতে সতর্ক করে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র (এফএফডব্লিউসি)।